শাস্তি । সাময়িক বরখাস্ত । অপসারণ

অনুপস্থিতির জন্য বেতন কর্তন করলে আদালত বা কার কাছে যাবেন?

গণকর্মচারী শৃঙ্খলা (নিয়মিত উপস্থিতি) অধ্যাদেশ, ১৯৮২ এর ৯ ধারায় বলা হয়েছে যে, দন্ড প্রদানের ক্ষেত্রে পাবলিক সার্ভিস কমিশনের সাথে পরামর্শের কোন প্রয়োজন নাই। এই অধ্যাদেশের অধীন কোন বিষয়ে পাবলিক সার্ভিস কমিশনের সহিত পরামর্শের প্রয়োজন হইবে না।

যদি বেতন কর্তন করা হয় তাহলে যা করতে হবে:

  • কর্তৃপক্ষ (কর্তৃপক্ষ বলতে নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষকে বোঝাবে অথবা নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষ কর্তৃক ক্ষমতাপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে বোঝাবে) বরাবর আবেদন করতে হবে।
  • ধারা -৪ বা ৫ বা ৬ বা ৭ এর  অধীনে কোন গণকর্মচারীর বেতন কর্তনের আদেশ প্রদান করা হইলে, ৪৮ (আটচল্লিশ) ঘন্টা (দুই দিন) এর মধ্যে সংশ্লিষ্ট গণকর্মচারী কর্তৃপক্ষের নিকট আদেশ সংশোধনের জন্য আবেদন করিতে পারিবেন
  • এবং তদপ্রেক্ষিতে কর্তৃপক্ষ যেরূপ যথাযথ বিবেচনা করিবেন, সেইরূপ শুনানি গ্রহণান্তে আদেশ সংশোধন, বাতিল বা বহাল রাখিতে পারিবেন।

বি:দ্র: গণকর্মচারী শৃঙ্খলা (নিয়মিত উপস্থিতি) আধ্যাদেশ, ১৯৮২ এর অধীন গৃহিত কোন কার্যক্রম বা আদেশ সম্পর্কে কোন আদালন প্রশ্ন উত্থাপন করিতে পারিবেন না বা কোন কর্মচারী আদালতের দ্বারস্থ হতে পারবে না।

author avatar
admin
আমি একজন সরকারী চাকরিজীবি। দীর্ঘ ১০ বছর যাবৎ চাকুরির সুবাদে সরকারি চাকরি বিধি বিধান নিয়ে পড়াশুনা করছি। বিএসআর ব্লগে সরকারি আদেশ, গেজেট, প্রজ্ঞাপন ও পরিপত্র পোস্ট করা হয়। এ ব্লগের কোন পোস্ট নিয়ে প্রশ্ন থাকলে বা ব্যাখ্যা জানতে পোস্টের নিচে কমেন্ট করুন।

admin

আমি একজন সরকারী চাকরিজীবি। দীর্ঘ ১০ বছর যাবৎ চাকুরির সুবাদে সরকারি চাকরি বিধি বিধান নিয়ে পড়াশুনা করছি। বিএসআর ব্লগে সরকারি আদেশ, গেজেট, প্রজ্ঞাপন ও পরিপত্র পোস্ট করা হয়। এ ব্লগের কোন পোস্ট নিয়ে প্রশ্ন থাকলে বা ব্যাখ্যা জানতে পোস্টের নিচে কমেন্ট করুন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *