বদলী ঠেকানো একটি অসদাচরণ ও শাস্তিযোগ্য অপরাধ।

সরকারি কর্মকর্তাদের নিয়োগ/বদলির বিষয়ে অবাঞ্চিত তদবীর/সুপারিশ সংক্রান্ত।

  • গভীর উদ্বেগের সাথে লক্ষ্য করা যাচ্ছে যে, অনেক কর্মকর্তা বর্তমানে কর্মস্থল থেকে বদলির আদেশ জারী করার পরও নতুন কর্মস্থলে যোগদান করেন না।
  • বরং যাতে নতুন কর্মস্থলে যোগদান করতে না হয় এজন্যে কালক্ষেপণ করেন এবং বদলি বাতিলের জন্য অবাঞ্চিত তদবিরের আশ্রয় নেন।
  • তাছাড়া অনেক কর্মকর্তা বিশেষ স্থানে বা বিশেষ পদে যাওয়ার জন্যও তদবিরের আশ্রয় নেন।

  • এ ধরণের তদবির ১৯৭৯ সালের সরকারি কর্মচারী (আচরণ) বিধিমালার আওতায় অসদাচারণ বলে গণ্য করা হয় এবং তা শাস্তিযোগ্য অপরাধ।
  • বিষয়টির প্রতি সংশ্লিষ্ট সকল কর্মকর্তার দৃষ্টি পুনরায় আকর্ষণ করা যাচ্ছে এবং এ ধরনের তদবিরের আশ্রয় নেয়া থেকে বিরত থাকার জন্য অনুরোধ করা হচ্ছে।
  • যাহারা এ ধরনের তদবিরের আশ্রয় নেবেন, ১৯৭৯ সালের সরকারি কর্মচারী (আচরণ) বিধিমালার আওতায় তাঁদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার বার্ষিক গোপনীয় প্রতিবেদনেও তা সন্নিবেশিত করা হবে।

বদলী ঠেকানো একটি অসদাচরণ ও শাস্তিযোগ্য অপরাধ  বিস্তারিত জানতে অফিস স্মারক দেখুন: ডাউনলোড

Avatar

admin

আমি একজন সরকারি চাকরিজীবী। ভালবাসি চাকরি সংক্রান্ত বিধি বিধান জানতে ও অন্যকে জানাতে। আমার ব্লগের কোন কন্টেন্ট সম্পর্কে আরও বিস্তারিত জানতে বা জানাতে ইমেইল করতে পারেন alaminmia.tangail@gmail.com ঠিকানায়। ধন্যবাদ আপনাকে ওয়েবসাইটটি ভিজিট করার জন্য।

Leave a Reply

Your email address will not be published.