বাংলাদেশ কর্মচারী কল্যাণ বোর্ড আইন, ২০০৪

চাকরি (বেতন ও ভাতাদি) আদেশ, ২০১৫ এর অনুচ্ছেদ ৩ এ উল্লিখিত জাতীয় বেতন স্কেল, ২০১৫ এর ১৩ হইতে ২০ গ্রেড এর] কর্মচারী ব্যতীত সকল কর্মচারীকে যৌথ বীমা তহবিলে নির্ধারিত হারে প্রিমিয়াম প্রদান করিতে হইবে এবং উক্ত প্রিমিয়াম বেতন হইতে কর্তনপূর্বক যৌথ বীমা তহবিলে জমা করিতে হইবে।

বাংলাদেশ কর্মচারী কল্যাণ বোর্ড আইন, ২০০৪
( ২০০৪ সনের ১ নং আইন )


[ ২৯ জানুয়ারি, ২০০৪ ]


বাংলাদেশ কর্মচারী কল্যাণ বোর্ড আইন প্রতিষ্ঠাকল্পে প্রণীত আইন৷

যেহেতু বাংলাদেশ কর্মচারী কল্যাণ বোর্ড নামে একটি বোর্ড প্রতিষ্ঠা করা সমীচীন ও প্রয়োজনীয়; সেহেতু এতদ্‌দ্বারা নিম্নরূপ আইন করা হইল:-

১৷ সংক্ষিপ্ত শিরোনামা, প্রবর্তন ও প্রয়োগ

(১) এই আইন বাংলাদেশ কর্মচারী কল্যাণ বোর্ড আইন, ২০০৪ নামে অভিহিত হইবে৷

(২) ইহা অবিলম্বে কার্যকর হইবে৷

(৩) এই আইন ধারা ২(খ) এ সংজ্ঞায়িত কর্মচারী এবং সরকার, সরকারী গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, যে কর্তৃপক্ষ, সংস্থা, প্রতিষ্ঠান বা স্বায়ত্তশাসিত সংস্থায় কর্মরত 1[***] কর্মচারীকে কর্মচারী হিসাবে ঘোষণা করিবে সেই সকল কর্মচারীদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হইবে৷


সংজ্ঞা

২৷ বিষয় বা প্রসংগের পরিপন্থী কোন কিছু না থাকিলে, এই আইনে,-

(ক) “আঞ্চলিক কমিটি” অর্থ ধারা ৮ এর অধীন গঠিত বোর্ডের আঞ্চলিক কমিটি;

(খ) “কর্মচারী” অর্থ-

(অ) প্রজাতন্ত্রের অসামরিক কর্মে নিয়োজিত কোন ব্যক্তি;

(আ) বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের 2[ ***]কর্মচারী;

(ই) বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্টের 3[ ***]কর্মচারী;

(ঈ) মহা হিসাব-নিরীক্ষা ও নিয়ন্ত্রকের কার্যালয়ের 4[ ***]কর্মচারী;

(উ) বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনের 5[ ***]কর্মচারী;

(ঊ) সরকারী কর্ম কমিশনের 6[ ***]কর্মচারী;

(ঋ) বোর্ডের অধীন কর্মরত কোন 7[ ***]কর্মচারী;

(এ) ধারা ১(৩) এর অধীন সরকার কর্তৃক ঘোষিত কর্মচারী এবং নিম্নলিখিত 8[ ***] কর্মচারীও উহার অন্তর্ভুক্ত হইবে, যথা:-

(i) যিনি ফান্ডামেন্টাল রুলের সংজ্ঞা অনুসারে প্রেষণে বা বৈদেশিক চাকুরীতে অন্যত্র কর্মরত;

(ii) যিনি বাংলাদেশের অভ্যন্তরে বা বাহিরে অধ্যয়নরত বা প্রশিক্ষণরত;

(iii) যিনি ছুটিতে আছেন; অথবা

(iv) যিনি সাময়িকভাবে বরখাস্ত হয়েছেন;

(গ) “কল্যাণ তহবিল” অর্থ ধারা ১৪ এর অধীন গঠিত কর্মচারী কল্যাণ তহবিল;

(ঘ) “চেয়ারম্যান” অর্থ বোর্ডের চেয়ারম্যান;

(ঙ) “নির্ধারিত” অর্থ বিধি বা প্রবিধান দ্বারা নির্ধারিত;

(চ) “প্রবিধান” অর্থ এই আইনের অধীন প্রণীত প্রবিধান;

(ছ) “পরিবার” অর্থ-

(অ) কর্মচারী পুরুষ হইলে, তাঁহার স্ত্রী বা স্ত্রীগণ এবং কর্মচারী মহিলা হইলে, তাঁহার স্বামী;

(আ) কর্মচারীর সহিত একত্রে বসবাসরত এবং তাঁহার উপর সম্পূর্ণ নির্ভরশীল সন্তান-সন্ততিগণ, পিতা, মাতা, দত্তক পুত্র (হিন্দু কর্মচারীদের ক্ষেত্রে), নাবালক ভাই এবং অবিবাহিতা, তালাক প্রাপ্তা বা বিধবা বোন;

(জ) “বীমা তহবিল” অর্থ ধারা ১৯ এর অধীন গঠিত কর্মচারী যৌথ বীমা তহবিল;

(ঝ) “বোর্ডের তহবিল” অর্থ ধারা ১২ এর অধীন গঠিত বোর্ডের তহবিল;

(ঞ) “বোর্ড” অর্থ ধারা ৩ এর অধীন প্রতিষ্ঠিত বাংলাদেশ কর্মচারী কল্যাণ বোর্ড;

(ট) “বিধিমালা” অর্থ এই আইনের অধীন প্রণীত বিধি;

(ঠ) “মহা-পরিচালক” অর্থ বোর্ডের মহা-পরিচালক;

(ড) “সদস্য” অর্থ বোর্ডের কোন সদস্য৷


বোর্ড প্রতিষ্ঠা

৩৷ (১) এই আইন বলবত্ হইবার সংগে সংগে বাংলাদেশ কর্মচারী কল্যাণ বোর্ড নামে একটি বোর্ড প্রতিষ্ঠিত হইবে৷

(২) বোর্ড একটি সংবিধিবদ্ধ সংস্থা হইবে এবং ইহার স্থায়ী ধারাবাহিকতা ও একটি সাধারণ সীল মোহর থাকিবে এবং এই আইনের বিধানাবলী সাপেক্ষে, ইহার স্থাবর ও অস্থাবর উভয় প্রকার সম্পত্তি অর্জন করিবার, অধিকারে রাখিবার ও হস্তান্তর করিবার ক্ষমতা থাকিবে এবং বোর্ড ইহার নামে মামলা দায়ের করিতে পারিবে এবং উক্ত নামে ইহার বিরুদ্ধেও মামলা দায়ের করা যাইবে৷


বোর্ডের প্রধান কার্যালয়, ইত্যাদি

৪৷ (১) বোর্ডের প্রধান কার্যালয় ঢাকায় থাকিবে এবং প্রত্যেক বিভাগে ইহার একটি বিভাগীয় কার্যালয় থাকিবে৷

(২) বোর্ড, প্রয়োজনে, সরকারের পূর্বানুমোদনক্রমে, বাংলাদেশের যে কোন স্থানে উহার শাখা কার্যালয় স্থাপন করিতে পারিবে৷


বোর্ড গঠন

৫৷ (১) নিম্নবর্ণিত সদস্য সমন্বয়ে বোর্ড গঠিত হইবে, যথা:-

(ক) 9[ জনপ্রশাসন] মন্ত্রণালয়ের সচিব; যিনি ইহার চেয়ারম্যানও হইবেন;

(খ) সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব;

(গ) 10[ জনপ্রশাসন] মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত-সচিব;

(ঘ) 11[ জনপ্রশাসন] মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম-সচিব (প্রশাসন);

(ঙ) অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগের যুগ্ম-সচিব (বাজেট উইং);

(চ) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের যুগ্ম-সচিব;

12[ (ছ) আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগের যুগ্ম-সচিব;]

(জ) বাংলাদেশের মহা হিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক কর্তৃক মনোনীত একজন প্রতিনিধি (যুগ্ম-সচিব পদমর্যাদা সম্পন্ন);

(ঝ) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহা-পরিচালক;

(ঞ) মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের মহা-পরিচালক;

(ট) গণপূর্ত অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী;

(ঠ) বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্পোরেশনের চেয়ারম্যান;

(ড) আঞ্চলিক কল্যাণ কমিটির সভাপতি;

(ঢ) 13[ জনপ্রশাসন] মন্ত্রণালয়ের উপ-সচিব (সচিবালয় ও কল্যাণ);

14[ (ঢঢ) বোর্ডের পরিচালক;]

(ণ) বোর্ডের বিভাগীয় উপ-পরিচালক;

15[ (ত) চাকরি (বেতন ও ভাতাদি) আদেশ, ২০১৫ এর অনুচ্ছেদ ৩ এ উল্লিখিত জাতীয় বেতনস্কেল, ২০১৫ এর ১৩ হইতে ২০ গ্রেড এর কর্মচারীদের কল্যাণ সমিতির নির্বাচিত প্রতিনিধিদের মধ্য হইতে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় কর্তৃক মনোনীত ১৩ হইতে ১৬ গ্রেড এর কর্মচারীদের একজন প্রতিনিধি এবং ১৭ হইতে ২০ গ্রেডের কর্মচারীদের একজন প্রতিনিধি;]

(থ) বোর্ডের মহা-পরিচালক, যিনি ইহার সদস্য-সচিবও হইবেন৷

(২) শুধুমাত্র কোন সদস্য পদে শূন্যতা বা বোর্ড গঠনে ত্রুটি থাকিবার কারণে বোর্ডের কোন কার্য বা কার্য ধারা অবৈধ হইবে না এবং তত্সম্পর্কে কোন প্রশ্ন উত্থাপন করা যাইবে না৷


বোর্ডের কার্যাবলী

৬৷ বোর্ডের কার্যাবলী হইবে নিম্নরূপ, যথা:-

(ক) কল্যাণ তহবিল ও বীমা তহবিল এর যথাযথ পরিচালনা, ব্যবস্থাপনা ও হিসাব সংরক্ষণ;

(খ) এই আইনের উদ্দেশ্যপূরণকল্পে কর্মচারীদের জীবন বীমাকরণের নিমিত্ত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ এবং কর্মচারীদের জীবন বীমাকরণের লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট বীমা প্রতিষ্ঠানকে প্রিমিয়াম পরিশোধ;

(গ) বিধি দ্বারা নির্ধারিত পদ্ধতিতে লাভজনক খাতে কর্মচারী কল্যাণ তহবিল ও বীমা তহবিল এর অর্থ বিনিয়োগ;

16[ (ঘ) কোনো কর্মচারীর মৃত্যু হইলে উক্ত কর্মচারীর পরিবারকে যৌথ বীমা বাবদ বোর্ডের সুপারিশের পরিপ্রেক্ষিতে সরকার কর্তৃক, সময় সময়, নির্ধারিত হারে অর্থ প্রদান;]

(ঙ) ধারা ১৬ এর বিধান অনুসারে কল্যাণ তহবিল হইতে কল্যাণ ভাতা প্রদান;

(চ) কর্মরত ও অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারী এবং তাঁহার পরিবারের কোন সদস্যদের চিকিত্সার জন্য এবং মৃত্যুজনিত কারণে দাফন-কাফন বা অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া বাবদ সাহায্য প্রদান;

(ছ) বিধি দ্বারা নির্ধারিত পদ্ধতিতে কর্মরত ও অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারী এবং তাহার পরিবারের সদস্যদের কল্যাণ তহবিল ও বীমা তহবিল হইতে অনুদান মঞ্জুর;

(জ) বিধি দ্বারা নির্ধারিত পদ্ধতিতে কল্যাণ তহবিল ও বীমা তহবিল এর বিষয়াদির পরিচালনা ও ব্যবস্থাপনার সহিত সংশ্লিষ্ট ব্যয় অনুদান মঞ্জুর;

(ঝ) কর্মরত কর্মচারীর জটিল ও ব্যয় বহুল রোগের ক্ষেত্রে দেশে ও বিদেশে চিকিত্সার জন্য সাহায্য প্রদান;

(ঞ) কর্মরত, অবসরপ্রাপ্ত, মৃত বা শারীরিক ও মানসিকভাবে অক্ষম কর্মচারীর অধ্যয়নরত সন্তানদের জন্য শিক্ষাবৃত্তি প্রদান;

(ট) বিনোদন, ক্রীড়া, সংস্কৃতি, স্বাস্থ্য, শিক্ষা ইত্যাদি ক্ষেত্রে কর্মচারীর স্বার্থ সংরক্ষণের লক্ষ্যে প্রকল্প প্রণয়ন এবং ইহা বাস্তবায়নের ব্যবস্থা গ্রহণ;

(ঠ) সমাজ উন্নয়নমূলক কার্যক্রমের বিভিন্ন ক্ষেত্রে কর্মচারীদের সক্রিয় অংশগ্রহণ এবং কর্মচারীদের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের জন্য তাঁহাদের মধ্যে উত্সাহ ও উদ্দীপনার সৃষ্টি করা;

(ড) কর্মচারীদের সময়মত কর্মস্থলে যাতায়াত সুবিধা প্রদানের জন্য প্রয়োজনীয় সংখ্যক যানবাহনের ব্যবস্থা করা;

(ঢ) কর্মরত ও অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারী এবং তাঁহার পরিবারের কোন সদস্যদের চিকিত্সা প্রদানের লক্ষ্যে হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা, ইহার ব্যবস্থাপনা, পরিচালনা করা এবং তাঁহাদের জটিল ও ব্যয়বহুল রোগের চিকিত্সার জন্য দেশে বা দেশের বাহিরে কোন হাসপাতাল বা সংস্থার সহিত, প্রয়োজনে, সরকারের পূর্বানুমোদনক্রমে, চুক্তি সম্পাদন;

(ণ) কর্মচারীদের স্বল্প ব্যয়ে আবাসিক প্লট প্রদান বা তাঁহাদের আবাসনের সুযোগ-সুবিধা প্রদানের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ;

(ত) কোন কর্মচারী সরকারী দায়িত্ব পালনের কারণে ব্যক্তিগতভাবে মামলায় জড়িত হইয়া পড়িলে তাঁহাকে আইনগত ও আর্থিক সহায়তা প্রদান;

(থ) সময় সময় ও অবস্থার প্রেক্ষিতে যৌক্তিক, বাস্তবধর্মী ও অধিকতর কল্যাণমুখী নতুন নতুন কার্যক্রম গ্রহণ ও বাস্তবায়নের লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ;

(দ) বিধি দ্বারা নির্ধারিত পদ্ধতিতে আঞ্চলিক কমিটিকে প্রশাসনিক ও আর্থিক বিষয়ে ক্ষমতা প্রদান;

(ধ) উপরি-উক্ত কার্যাবলী সম্পাদনের জন্য প্রয়োজনীয় অন্য যে কোন ব্যবস্থা গ্রহণ৷


বোর্ডের সভা

৭৷ (১) এই ধারার অন্যান্য বিধানাবলী সাপেক্ষে, বোর্ড উহার সভার কার্যপদ্ধতি প্রবিধান দ্বারা নির্ধারণ করিতে পারিবে৷

(২) বোর্ডের সভা চেয়ারম্যান কর্তৃক নির্ধারিত স্থান ও সময়ে অনুষ্ঠিত হইবে:

তবে শর্ত থাকে যে, প্রতি তিন মাসে বোর্ডের কমপক্ষে একটি সভা অনুষ্ঠিত হইবে৷

(৩) চেয়ারম্যান বোর্ডের সকল সভায় সভাপতিত্ব করিবেন এবং তাঁহার অনুপস্থিতিতে সভায় উপস্থিত সদস্যগণ কর্তৃক তাঁহাদের মধ্য হইতে মনোনীত কোন সদস্য সভায় সভাপতিত্ব করিবেন৷

(৪) বোর্ডের মোট সদস্যের এক-তৃতীয়াংশ সদস্যের উপস্থিতিতে সভার কোরাম হইবে তবে মুলতবী সভার ক্ষেত্রে কোন কোরামের প্রয়োজন হইবে না৷

(৫) উপস্থিত সদস্যগণের সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোটে সভার সিদ্ধান্ত গৃহীত হইবে এবং ভোটের সমতার ক্ষেত্রে সভায় সভাপতিত্বকারীর দ্বিতীয় বা নির্ণায়ক ভোট প্রদানের ক্ষমতা থাকিবে৷


আঞ্চলিক কমিটি

৮৷ (১) প্রত্যেক বিভাগে বোর্ডের একটি করিয়া আঞ্চলিক কল্যাণ কমিটি থাকিবে৷

(২) নিম্নবর্ণিত সদস্য সমন্বয়ে আঞ্চলিক কমিটি গঠিত হইবে, যথা:-

(ক) বিভাগীয় কমিশনার, যিনি ইহার সভাপতিও হইবেন;

(খ) বিভাগীয় কমিশনার কর্তৃক মনোনীত একজন অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার;

(গ) উপ-মহা-পুলিশ পরিদর্শক;

(ঘ) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক;

(ঙ) মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক;

(চ) সমাজ সেবা অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক;

(ছ) গণপূর্ত অধিদপ্তরের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী;

17[ (জ) চাকরি (বেতন ও ভাতাদি) আদেশ, ২০১৫ এর অনুচ্ছেদ ৩ এ উল্লিখিত জাতীয় বেতনস্কেল, ২০১৫ এর ১৩ হইতে ২০ গ্রেড এর কর্মচারীদের কল্যাণ সমিতির নির্বাচিত প্রতিনিধিদের মধ্য হইতে বিভাগীয় কমিশনার কর্তৃক মনোনীত ১৩ হইতে ১৬ গ্রেড এর কর্মচারীদের একজন প্রতিনিধি এবং ১৭ হইতে ২০ গ্রেডের কর্মচারীদের একজন প্রতিনিধি;]

(ঝ) বোর্ডের সংশ্লিষ্ট বিভাগের বিভাগীয় উপ-পরিচালক, যিনি ইহার সদস্য-সচিবও হইবেন৷

(৩) শুধুমাত্র কোন সদস্য পদে শূন্যতা বা আঞ্চলিক কমিটি গঠনে ত্রুটি থাকিবার কারণে উহার কোন কার্য বা কার্য ধারা অবৈধ হইবে না এবং তত্সম্পর্কে কোন প্রশ্ন উত্থাপন করা যাইবে না৷


আঞ্চলিক কমিটির কার্যাবলী

৯৷ এই আইনের বিধানাবলী সাপেক্ষে, আঞ্চলিক কমিটি বোর্ড কর্তৃক নির্দেশিত কার্যাবলী সম্পাদন, ক্ষমতা প্রয়োগ ও দায়িত্ব সম্পাদন করিবে৷


আঞ্চলিক কমিটির সভা

১০৷ (১) এই ধারার অন্যান্য বিধানাবলী সাপেক্ষে, আঞ্চলিক কমিটি উহার সভার কার্যপদ্ধতি নির্ধারণ করিতে পারিবে৷

(২) আঞ্চলিক কমিটির সভা উহার সভাপতি কর্তৃক নির্ধারিত স্থান ও সময়ে অনুষ্ঠিত হইবে:

তবে শর্ত থাকে যে, প্রতি তিন মাসে আঞ্চলিক কমিটির কমপক্ষে একটি সভা অনুষ্ঠিত হইবে৷

(৩) আঞ্চলিক কমিটির সভাপতি আঞ্চলিক কমিটির সকল সভায় সভাপতিত্ব করিবেন এবং তাঁহার অনুপস্থিতিতে সভায় উপস্থিত সদস্যগণ কর্তৃক তাঁহাদের মধ্য হইতে মনোনীত কোন সদস্য সভায় সভাপতিত্ব করিবেন৷

(৪) আঞ্চলিক কমিটির মোট সদস্যের এক-তৃতীয়াংশ সদস্যের উপস্থিতিতে সভার কোরাম হইবে, তবে মুলতবী সভার ক্ষেত্রে কোন কোরামের প্রয়োজন হইবে না৷

(৫) উপস্থিত সদস্যগণের সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোটে সভার সিদ্ধান্ত গৃহীত হইবে এবং ভোটের সমতার ক্ষেত্রে সভায় সভাপতিত্বকারীর দ্বিতীয় বা নির্ণায়ক ভোট প্রদানের ক্ষমতা থাকিবে৷


কমিটি

১১৷ বোর্ড এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে এক বা একাধিক কমিটি গঠন করিতে পারিবে৷

বোর্ডের তহবিল

১২৷ (১) বোর্ডের কার্য পরিচালনার জন্য উহার একটি নিজস্ব তহবিল থাকিবে এবং নিম্নবর্ণিত উত্সসমূহ হইতে প্রাপ্ত অর্থ উক্ত তহবিলে জমা হইবে, যথা:-

(ক) সরকার কর্তৃক প্রদত্ত অনুদান;

(খ) সরকারের অনুমোদনসহ কোন বিদেশী সরকার বা সংস্থা বা কোন আন্তর্জাতিক সংস্থা কর্তৃক প্রদত্ত অনুদান;

(গ) কোন স্থানীয় কর্তৃপক্ষ কর্তৃক প্রদত্ত অনুদান;

(ঘ) উক্ত তহবিলের অর্থ বিনিয়োগ হইতে প্রাপ্ত মুনাফা; এবং

(ঙ) সরকার কর্তৃক অনুমোদিত অন্য কোন উত্স হইতে প্রাপ্ত অর্থ৷

(২) বোর্ডের তহবিল বা উহার অংশ বিশেষ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত খাতে বিনিয়োগ করা যাইবে৷

(৩) উক্ত তহবিল হইতে, প্রয়োজন অনুসারে, আঞ্চলিক কমিটিকে অর্থ বরাদ্দ করা হইবে৷

(৪) উক্ত তহবিল হইতে বোর্ডের প্রয়োজনীয় ব্যয় নির্বাহ করা হইবে৷

(৫) উক্ত তহবিলের অর্থ বোর্ডের নামে তত্কর্তৃক অনুমোদিত কোন তফসিলী ব্যাংকে জমা রাখা হইবে৷

(৬) নির্ধারিত পদ্ধতিতে উক্ত তহবিল রক্ষণ ও উহার অর্থ ব্যয় করা যাইবে৷

আঞ্চলিক কমিটির তহবিল

১৩৷ (১) প্রতিটি আঞ্চলিক কমিটির একটি নিজস্ব তহবিল থাকিবে এবং উহাতে বোর্ড কর্তৃক বরাদ্দকৃত অর্থ জমা হইবে৷

(২) বরাদ্দকৃত অর্থ আঞ্চলিক কমিটির নামে তত্কর্তৃক অনুমোদিত কোন তফসিলী ব্যাংকে জমা রাখা হইবে এবং নির্ধারিত পদ্ধতিতে তহবিলের অর্থ উঠানো, ব্যয় ও রক্ষণ করা যাইবে৷

(৩) উক্ত তহবিল হইতে, আঞ্চলিক কমিটির প্রয়োজনীয় ব্যয় নির্বাহ করা হইবে৷


কর্মচারী কল্যাণ তহবিল

১৪৷ (১) কর্মচারী কল্যাণ তহবিল নামে একটি স্বতন্ত্র তহবিল থাকিবে৷

(২) নিম্নবর্ণিত উত্সসমূহ হইতে প্রাপ্ত অর্থ কল্যাণ তহবিলে জমা হইবে, যথা:-

(ক) কর্মচারীদের প্রদত্ত চাঁদা;

(খ) সরকার কর্তৃক প্রদত্ত অনুদান;

(গ) সরকারের অনুমোদনসহ কোন বিদেশী সরকার বা সংস্থা বা কোন আন্ত্মর্জাতিক সংস্থা কর্তৃক প্রদত্ত অনুদান;

(ঘ) কোন স্থানীয় কর্তৃপতগ কর্তৃক প্রদত্ত অনুদান;

(ঙ) কোন প্রতিষ্ঠান বা ব্যক্তি কর্তৃক প্রদত্ত অনুদান;

(চ) কল্যাণ তহবিলের অর্থ বিনিয়োগ হইতে প্রাপ্ত মুনাফা; এবং

(ছ) সরকার কর্তৃক অনুমোদিত অন্য কোন উত্স হইতে প্রাপ্ত অর্থ৷

(৩) কল্যাণ তহবিল বা উহার অংশ বিশেষ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত খাতে বিনিয়োগ করা যাইবে৷

(৪) কল্যাণ তহবিল হইতে, প্রয়োজন অনুসারে, কর্মচারীদের কল্যাণের জন্য আঞ্চলিক কমিটিকে অর্থ বরাদ্দ করা যাইবে৷

(৫) কল্যাণ তহবিল হইতে, কর্মচারীদের কল্যাণের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যয় নির্বাহ করা হইবে৷

(৬) উক্ত তহবিলের অর্থ বোর্ডের অনুমোদনক্রমে কোন তফসিলী ব্যাংকে জমা রাখা হইবে৷

(৭) নির্ধারিত পদ্ধতিতে কল্যাণ তহবিল রতগণ ও উহার অর্থ ব্যয় করা যাইবে৷


কর্মচারীদের প্রদেয় চাঁদা

১৫৷ (১) মাসিক চাঁদা হিসাবে প্রত্যেক কর্মচারীকে তাঁহার বেতনের 18[ বেতন হইতে সরকার কর্তৃক, সময় সময়, নির্ধারিত পরিমাণ অর্থ] কর্তনপূর্বক কর্মচারী কল্যাণ তহবিলে জমা করিতে হইবে৷

(২) কোন কারণে কোন কর্মচারীর বেতন হইতে চাঁদা কর্তন করা না হইয়া থাকিলে উক্ত কর্মচারীর প্রদেয় চাঁদা অথবা অসাবধানতা বা অবহেলাজনিত কারণে চাঁদার অপ্রদত্ত অংশ নির্ধারিত ২19[ কর্মচারীর] নিকট প্রেরণ করিতে হইবে অন্যথায় উহা নির্ধারিত পদ্ধতিতে আদায় করা হইবে৷

(৩) কর্মচারীর অসাবধানতা, অবহেলা বা বেতন উত্তোলন না করার কারণে বা অন্য যে কোন কারণেই হোক না কেন, চাঁদা প্রদানে অপারগতায় তাঁহার বা তাঁহার পরিবারের ধারা ১৬ এর অধীন কল্যাণ অনুদান প্রাপ্তির অধিকারকে ব্যাহত করিবে না, তবে অপ্রদত্ত চাঁদা কল্যাণ অনুদানের অর্থ হইতে কাটিয়া রাখা যাইবে৷


কল্যাণ তহবিল হইতে প্রদেয় অনুদান

১৬৷ কোন কর্মচারী-

(ক) শারীরিক বা মানসিক অসুস্থতার কারণে চাকুরি হইতে অপসারিত হইলে বা অবসর গ্রহণ করিলে; অথবা

(খ) চাকুরীরত অবস্থায় মৃত্যুবরণ করিলে বা উক্ত কর্মচারী অবসর প্রাপ্তির দশ বৎসর অতিক্রান্ত হইবার পূর্বে মৃত্যুবরণ করিলে;

তিনি বা তাঁহার পরিবার 20[ বোর্ডের সুপারিশের পরিপ্রেক্ষিতে সরকার কর্তৃক, সময় সময়, নির্ধারিত] হারে পনের বৎসর পযর্ন্ত অথবা উক্ত কর্মচারী যদি জীবিত থাকিতেন তাহা হইলে তাঁহার অবসর প্রাপ্তির তারিখ হইতে পরবর্তী দশ বৎসর পর্যন্ত, যাহা পূর্বে হয়, কল্যাণ তহবিল হইতে 21[ বোর্ডের সুপারিশের পরিপ্রেক্ষিতে সরকার কর্তৃক, সময় সময়, নির্ধারিত] হারে অনুদান প্রাপ্য হইবেন:

তবে শর্ত থাকে যে, কোন কর্মচারী যদি এই ধারার অধীন কল্যাণ তহবিলের অনুদান গ্রহণের পর 22[ মৃত্যুবরণ করেন, তাহা হইলে] উক্ত পনের বত্সর সময় তাঁহার প্রথম অনুদান গ্রহণের তারিখ হইতে গণনা করা হইবে৷


কর্মচারীর যৌথ বীমা

১৭৷ চাকুরিরত অবস্থায় কোন কর্মচারী মৃত্যুবরণ করিলে, এই আইন ও বিধিমালার বিধান সাপেক্ষে, তাঁহার পরিবারকে বীমা বাবদ 23[ বোর্ডের সুপারিশের পরিপ্রেক্ষিতে সরকার কর্তৃক, সময় সময়, নির্ধারিত হারে অর্থ] প্রদান করা হইবে৷


বীমা কোম্পানীতে বীমাকরণ, ইত্যাদি

১৮৷ বোর্ড বীমা কোম্পানী বা প্রতিষ্ঠানে কর্মচারীদের জন্য জীবন বীমা করিতে পারিবে৷

কর্মচারীর যৌথ বীমা তহবিল

১৯৷ (১) কর্মচারী যৌথ বীমা তহবিল নামে একটি তহবিল থাকিবে৷

(২) নিম্নবর্ণিত উত্সসমূহ হইতে প্রাপ্ত অর্থ উক্ত তহবিলে জমা হইবে, যথা:-

(ক) কর্মচারীদের প্রদত্ত প্রিমিয়াম;

(খ) সরকার কর্তৃক প্রদত্ত অনুদান;

(গ) যৌথ বীমা তহবিলের সম্পত্তি বা বিনিয়োগ হইতে প্রাপ্ত আয়, মুনাফা বা সুদ; এবং

(ঘ) সরকার কর্তৃক অনুমোদিত অন্য কোন উত্স হইতে প্রাপ্ত অর্থ৷

(৩) কর্মচারীদের জীবন বীমাকরণের উদ্দেশ্যে বীমা তহবিল হইতে সংশ্লিষ্ট বীমা কোম্পানী বা প্রতিষ্ঠানকে প্রদেয় প্রিমিয়াম এবং বীমা তহবিলের প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ব্যয় নির্বাহ করা যাইবে৷

(৪) যৌথ বীমা তহবিল হইতে কর্মচারীদের যৌথ বীমার দাবী পরিশোধের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যয় নির্বাহ করা হইবে৷

(৫) যৌথ বীমা তহবিলের প্রয়োজনীয় ব্যয় নির্বাহের পর অবশিষ্ট অর্থ থাকিলে উহা কর্মচারীদের পরিবারবর্গের কল্যাণে ব্যয় করা যাইবে৷

(৬) যৌথ বীমা তহবিল বা উহার অংশ বিশেষ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত খাতে বিনিয়োগ করা যাইবে৷

(৭) যৌথ বীমা তহবিলের অর্থ বোর্ডের অনুমোদনক্রমে কোন তফসিলী ব্যাংকে জমা রাখা হইবে৷

(৮) নির্ধারিত পদ্ধতিতে যৌথ বীমা তহবিল রক্ষণ ও উহার অর্থ ব্যয় করা যাইবে৷


প্রিমিয়াম প্রদান

২০৷ (১) এই আইনের অধীন জীবন বীমাকরণের উদ্দেশ্যে 24[ চাকরি (বেতন ও ভাতাদি) আদেশ, ২০১৫ এর অনুচ্ছেদ ৩ এ উল্লিখিত জাতীয় বেতন স্কেল, ২০১৫ এর ১৩ হইতে ২০ গ্রেড এর] কর্মচারী ব্যতীত সকল কর্মচারীকে যৌথ বীমা তহবিলে নির্ধারিত হারে প্রিমিয়াম প্রদান করিতে হইবে এবং উক্ত প্রিমিয়াম বেতন হইতে কর্তনপূর্বক যৌথ বীমা তহবিলে জমা করিতে হইবে।

(২) কোন কারণে কোন কর্মচারীর বেতন হইতে প্রিমিয়াম কর্তন করা না হইয়া থাকিলে, উক্ত কর্মচারীর প্রদেয় প্রিমিয়াম অথবা অসাবধানতা বা অবহেলাজনিত কারণে প্রিমিয়ামের অপ্রদত্ত অংশ নির্ধারিত 25[ কর্মচারীর] নিকট প্রেরণ করিতে হইবে, অন্যথায় উহা নির্ধারিত পদ্ধতিতে আদায় করা হইবে।

(৩) কর্মচারীর অসাবধানতা, অবহেলা বা বেতন উত্তোলন না করার কারণে বা অন্য যে কোন কারণেই হোক না কেন, প্রিমিয়াম প্রদানের অপারগতা তাঁহার মৃত্যুতে তাঁহার পরিবারের বীমাকৃত অর্থ প্রাপ্তির অধিকারকে ব্যাহত করিবে না, তবে, অপ্রদত্ত প্রিমিয়াম উক্ত অর্থ হইতে কাটিয়া রাখা যাইবে।

(৪) উপ-ধারা (১) এর অধীনে অব্যাহতিপ্রাপ্ত 26[ চাকরি (বেতন ও ভাতাদি) আদেশ, ২০১৫ এর অনুচ্ছেদ ৩ এ উল্লিখিত জাতীয় বেতন স্কেল, ২০১৫ এর ১৩ হইতে ২০ গ্রেড এর] কর্মচারীদের প্রিমিয়ামের হার সরকার তত্কর্তৃক নির্ধারিত হারে ও পদ্ধতিতে যৌথ বীমা তহবিলে জমা প্রদান করিবে।


বীমাকৃত অর্থ প্রদান

২১৷ কর্মচারীর মৃত্যুর কারণে বীমাকৃত অর্থ নির্ধারিত পদ্ধতিতে তাঁহার পরিবারের সদস্য বা সদস্যগণকে বা মনোনীত কোন ব্যক্তি বা ব্যক্তিবর্গকে মনোনয়ন পত্রে উল্লিখিত হারে প্রদান করা হইবে৷


কর হইতে অব্যাহতি

২২৷ সরকার আদেশ দ্বারা-

(ক) কল্যাণ তহবিল ও বীমা তহবিলকে যে কোন আইনের অধীন আরোপযোগ্য আরোপিত কর, রেইট বা ডিউটি হইতে অব্যাহতি প্রদান করিতে পারিবে;

(খ) Income Tax Ordinance, 1984 (Ordinance No. XXXVI of 1984) এর অধীন কর নির্ধারণযোগ্য আয় হইতে চাঁদা ও প্রিমিয়ামের অর্থ অব্যাহতি দিতে পারিবে৷


হিসাবরক্ষণ ও নিরীক্ষা

২৩৷ (১) বোর্ড উহার তহবিল, কল্যাণ তহবিল, বীমা তহবিলের এবং আঞ্চলিক কমিটি উহার তহবিলের যথাযথভাবে হিসাবরক্ষণ করিবে এবং হিসাবের বার্ষিক বিবরণী প্রস্তুত করিবে৷

(২) বাংলাদেশের মহা হিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক, অতঃপর মহা হিসাব-নিরীক্ষক নামে অভিহিত, প্রতিবত্সর বোর্ডের তহবিল, আঞ্চলিক কমিটির তহবিল, কর্মচারী কল্যাণ তহবিল, কর্মচারী বীমা তহবিলের হিসাব নিরীক্ষা করিবেন এবং নিরীক্ষা রিপোর্টের একটি করিয়া অনুলিপি সরকার এবং ক্ষেত্রমত, বোর্ডের নিকট পেশ করিবেন৷

(৩) উপ-ধারা (২) এর অধীন হিসাব নিরীক্ষার উদ্দেশ্যে মহা হিসাব-নিরীক্ষক কিংবা তাঁহার নিকট হইতে এতদুদ্দেশ্যে ক্ষমতাপ্রাপ্ত কোন ব্যক্তি ক্ষেত্রমত, বোর্ড ও আঞ্চলিক কমিটির সকল রেকর্ড, দলিল-দস্তাবেজ, নগদ বা ব্যাংকে গচ্ছিত অর্থ, জামানত, ভাণ্ডার এবং অন্যবিধ সম্পত্তি পরীক্ষা করিয়া দেখিতে পারিবেন এবং বোর্ড ও আঞ্চলিক কমিটির কোন সদস্য বা যে কোন কর্মকর্তা বা কর্মচারীকে জিজ্ঞাসাবাদ করিতে পারিবেন৷


প্রতিবেদন

২৪৷ (১) প্রতি আর্থিক বত্সর শেষ হইবার সঙ্গে সঙ্গে বোর্ড উক্ত অর্থ বত্সরের সম্পাদিত কার্যাবলীর বিবরণ সম্বলিত একটি বার্ষিক প্রতিবেদন সরকারের নিকট পেশ করিবে৷

(২) সরকার প্রয়োজন মত বোর্ডের নিকট হইতে যে কোন সময় উহার যে কোন কাজের প্রতিবেদন বা বিবরণী আহ্বান করিতে পারিবে এবং বোর্ড উহা সরকারের নিকট প্রেরণ করিতে বাধ্য থাকিবে৷


চেয়ারম্যানের বিশেষ ক্ষমতা

২৫৷ এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, এই আইনের বিধানাবলীর সাথে অসংগতিপূর্ণ না হওয়া সাপেক্ষে, তাত্ক্ষণিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রয়োজনীয়তা দেখা দিলে চেয়ারম্যান যে কোন সিদ্ধান্ত গ্রহণ করিতে পারিবেন এবং উক্ত সিদ্ধান্ত পরবর্তী সভায় অনুমোদিত হইতে হইবে৷


মহা-পরিচালক

২৬৷ (১) বোর্ডের একজন মহা-পরিচালক থাকিবে৷

(২) মহা-পরিচালক সরকার কর্তৃক নিযুক্ত হইবেন এবং তাঁহার চাকুরীর শর্তাদি সরকার কর্তৃক স্থিরীকৃত হইবে৷

(৩) মহা-পরিচালকের পদ শূন্য হইলে, কিংবা অনুপস্থিতি, অসুস্থতা বা অন্য কোন কারণে মহা-পরিচালক তাঁহার দায়িত্ব পালনে অসমর্থ হইলে শূন্য পদে নবনিযুক্ত মহা-পরিচালক পুনরায় স্বীয় দায়িত্ব পালনে সমর্থ না হওয়া পর্যন্ত সরকার কর্তৃক মনোনীত কোন ব্যক্তি মহা-পরিচালকরূপে দায়িত্ব পালন করিবে৷

(৪) মহা-পরিচালক বোর্ডের সার্বক্ষণিক কর্মকর্তা হইবেন এবং এই আইনের বিধানাবলী সাপেক্ষে, বোর্ড কর্তৃক নির্দেশিত কার্যাবলী সম্পাদন, ক্ষমতা প্রয়োগ ও দায়িত্ব সম্পাদন করিবেন৷


ঋণ গ্রহণ

২৭৷ এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে বোর্ড, সরকারের পূর্বানুমোদনক্রমে, ঋণ গ্রহণ করিতে পারিবে৷


চুক্তি

২৮৷ এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে বোর্ড, সরকারের পূর্বানুমোদনক্রমে, চুক্তি সম্পাদন করিতে পারিবে৷


বাজেট

২৯৷ বোর্ড প্রতি বত্সর সরকার কর্তৃক নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে পরবর্তী অর্থ বত্সরের বার্ষিক বাজেট বিবরণী সরকারের নিকট পেশ করিবে এবং উহাতে উক্ত অর্থ বত্সরে সরকারের নিকট হইতে বোর্ডের কি পরিমাণ অর্থের প্রয়োজন হইবে উহার উল্লেখ থাকিবে৷

কর্মকর্তা ও কর্মচারী নিয়োগ

৩০৷ বোর্ড উহার কার্যাবলী সুষ্ঠুভাবে সম্পাদনের উদ্দেশ্যে প্রয়োজনীয় সংখ্যক 27[ ***] কর্মচারী নিয়োগ করিতে পারিবে এবং তাঁহাদের চাকুরীর শর্তাবলী প্রবিধান দ্বারা নির্ধারিত হইবে৷


সরল বিশ্বাসে কৃত কাজকর্ম রক্ষণ

৩১৷ এই আইন বা বিধি বা প্রবিধানের অধীন সরল বিশ্বাসে কৃত কোন কাজকর্মের ফলে কোন ব্যক্তি ক্ষতিগ্রস্ত হইলে বা তাহার ক্ষতিগ্রস্ত হইবার সম্ভাবনা থাকিলে তজ্জন্য সরকার, বোর্ড, আঞ্চলিক কমিটি বা কোন 28[ কর্মচারী] বা ব্যক্তির বিরুদ্ধে দেওয়ানী বা ফৌজদারী মামলা বা অন্য কোন আইনগত কার্যক্রম গ্রহণ করা যাইবে না৷


বিধি প্রণয়নের ক্ষমতা

৩২৷ সরকার, সরকারী গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে বিধি প্রণয়ন করিতে পারিবে৷


প্রবিধান প্রণয়নের ক্ষমতা

৩৩৷ বোর্ড এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, সরকারের পূর্বানুমোদনক্রমে এবং সরকারী গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, এই আইন বা বিধির সহিত অসংগতিপূর্ণ নহে এইরূপ প্রবিধান প্রণয়ন করিতে পারিবে৷


রহিতকরণ ও হেফাজত

৩৪৷ (১) এই আইন প্রবর্তনের সংগে সংগে-

(ক) Government and Autonomous Bodies Employees Benevolent Fund and Group Insurance Ordinance, 1982 (Ordinance No. XXXIX of 1982), অতঃপর রহিত Ordinance বলিয়া উল্লিখিত, রহিত হইবে এবং রহিত Ordinance এর অধীন-

অ) গঠিত বোর্ড অব ট্রাস্ট্রিজ, অতঃপর বিলুপ্ত বোর্ড বলিয়া উল্লিখিত, বিলুপ্ত হইবে এবং বিলুপ্ত বোর্ডের-

(i) সকল সম্পদ, অধিকার, ক্ষমতা, কর্তৃত্ব, সুবিধাদি এবং স্থাবর ও অস্থাবর সকল সম্পত্তি, নগদ ও ব্যাংকে গচ্ছিত অর্থ এবং অন্য সকল দাবী ও অধিকার বোর্ডের উপর হস্তান্তরিত হইবে এবং বোর্ড উহার অধিকারী হইবে;

(ii) বিরুদ্ধে বা উহা কর্তৃক দায়েরকৃত সকল মামলা-মোকদ্দমা বোর্ডের বিরুদ্ধে বা বোর্ড কর্তৃক দায়েরকৃত মামলা-মোকদ্দমা বলিয়া গণ্য হইবে;

(iii) সকল ঋণ, দায় ও দায়িত্ব বোর্ডের ঋণ ও দায় দায়িত্ব হইবে;

(iv) সকল 29[ ***] কর্মচারী বোর্ডে বদলী হইবেন এবং তাহারা বোর্ড কর্তৃক নিযুক্ত 30[ ***] কর্মচারী বলিয়া গণ্য হইবেন এবং উক্তরূপ বদলীর পূর্বে তাহারা যে শর্তে চাকুরীতে নিয়োজিত ছিলেন বোর্ড কর্তৃক পরিবর্তিত না হওয়া পর্যন্ত সেই একই শর্তে তাহারা বোর্ডের চাকুরীতে নিয়োজিত থাকিবেন;

(আ) গঠিত কল্যাণ তহবিল এবং যৌথ বীমা তহবিলের সকল সম্পদ, অধিকার, সুবিধাদি এবং স্থাবর ও অস্থাবর সকল সম্পত্তি, নগদ ও ব্যাংকে গচ্ছিত অর্থ এবং অন্য সকল দাবী ও অধিকার, ক্ষেত্রমত, এই আইনের অধীন গঠিত কল্যাণ তহবিল এবং যৌথ বীমা তহবিলে হস্তান্তরিত হইবে;

(খ) বিদ্যমান কল্যাণ অধিদপ্তর, অতঃপর বিলুপ্ত অধিদপ্তর বলিয়া উল্লিখিত, বিলুপ্ত হইবে এবং বিলুপ্ত অধিদপ্তরের-

(অ) সকল সম্পদ, অধিকার, ক্ষমতা, কর্তৃত্ব, সুবিধাদি এবং স্থাবর ও অস্থাবর সকল সম্পত্তি, নগদ ও ব্যাংকে গচ্ছিত অর্থ এবং অন্য সকল দাবী ও অধিকার বোর্ডের উপর হস্তান্তরিত হইবে এবং বোর্ড উহার অধিকারী হইবে;

(আ) সকল ঋণ, দায় ও দায়িত্ব বোর্ডের ঋণ ও দায় দায়িত্ব হইবে;

(ই) কর্মরত সকল 31[ কর্মচারী সরকারি কর্মচারী হিসাবে বোর্ডের নিয়ন্ত্রণাধীন কর্মরত] কর্মচারী বলিয়া গণ্য হইবেন এবং সরকার বা সংশ্লিষ্ট আইন প্রণয়নকারী কর্তৃপক্ষ কর্তৃক তাঁহাদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য আইন কানুন পরিবর্তিত না হওয়া পর্যন্ত তাঁহাদের পদোন্নতিসহ চাকুরীর অন্যান্য শর্তাবলী পূর্ববত্ বহাল থাকিবে;

(গ) সংস্থাপন মন্ত্রণালয়ের এস, আর, ও নং ১৮২-আইন/৯৭, তারিখ ৯ই শ্রাবণ, ১৪০৪ বাংলা মোতাবেক ২৪শে জুলাই, ১৯৯৭ ইংরেজী তারিখের রিজলিউশন (Resolution), অতঃপর রিজলিউশন বলিয়া উল্লিখিত, রহিত হইবে এবং উক্ত রিজলিউশন রহিত হইবার সঙ্গে সঙ্গে উহার অধীন গঠিত জটিল ও ব্যয় বহুল রোগের চিকিত্সা সাহায্য তহবিলের নগদ ও ব্যাংকে গচ্ছিত অর্থ এবং স্থাবর ও অস্থাবর সকল সম্পত্তি এই আইনের অধীন গঠিত কর্মচারী কল্যাণ তহবিলে হস্তান্তরিত হইবে;

(ঘ) সংস্থাপন মন্ত্রণালয়ের ১৬ই পৌষ, ১৪০২ বাংলা মোতাবেক ৩০শে ডিসেম্বর, ১৯৯৫ ইংরেজী তারিখের সিদ্ধান্ত প্রস্তাব নং সম (কল্যাণ) ডাব্লিউডি-৬/৯২-৩৯২, অতঃপর সিদ্ধান্ত প্রস্তাব বলিয়া উল্লিখিত, রহিত হইবে এবং উক্ত সিদ্ধান্ত প্রস্তাব রহিত হইবার সঙ্গে সঙ্গে উহার অধীন গঠিত তহবিলের নগদ ও ব্যাংকে গচ্ছিত অর্থ এবং স্থাবর ও অস্থাবর সকল সম্পত্তি এই আইনের অধীন গঠিত কর্মচারী কল্যাণ তহবিলে হস্তান্তরিত হইবে৷

(২) উপ-ধারা ১(ক) এর অধীন উক্ত Ordinance রহিত হওয়া সত্বেও-

(ক) উক্ত Ordinance এর অধীন কৃত বা গৃহীত ব্যবস্থা এই আইনের অধীন কৃত বা গৃহীত হইয়াছে বলিয়া গণ্য হইবে৷

(খ) উক্ত Ordinance এর অধীন প্রণীত সকল বিধি, প্রদত্ত সকল আদেশ, জারীকৃত সকল প্রজ্ঞাপন বা নোটিশ এই আইনের বিধানাবলীর সহিত সামঞ্জস্যপূর্ণ হওয়া সাপেক্ষে, রহিত বা সংশোধিত না হওয়া পর্যন্ত, বলবত্ থাকিবে এবং এই আইনের অধীন প্রণীত, প্রদত্ত বা জারীকৃত হইয়াছে বলিয়া গণ্য হইবে৷

1 ‘‘কর্মকর্তা বা’’ শব্দগুলি বাংলাদেশ কর্মচারী কল্যাণ বোর্ড (সংশোধন) আইন, ২০১৮ (২০১৮ সনের ৪৩ নং আইন) এর ২ ধারাবলে বিলুপ্ত।
2 ‘‘কর্মকর্তা বা’’ শব্দগুলি বাংলাদেশ কর্মচারী কল্যাণ বোর্ড (সংশোধন) আইন, ২০১৮ (২০১৮ সনের ৪৩ নং আইন) এর ৩ ধারাবলে বিলুপ্ত।
3 ‘‘কর্মকর্তা বা’’ শব্দগুলি বাংলাদেশ কর্মচারী কল্যাণ বোর্ড (সংশোধন) আইন, ২০১৮ (২০১৮ সনের ৪৩ নং আইন) এর ৩ ধারাবলে বিলুপ্ত।
4 ‘‘কর্মকর্তা বা’’ শব্দগুলি বাংলাদেশ কর্মচারী কল্যাণ বোর্ড (সংশোধন) আইন, ২০১৮ (২০১৮ সনের ৪৩ নং আইন) এর ৩ ধারাবলে বিলুপ্ত।
5 ‘‘কর্মকর্তা বা’’ শব্দগুলি বাংলাদেশ কর্মচারী কল্যাণ বোর্ড (সংশোধন) আইন, ২০১৮ (২০১৮ সনের ৪৩ নং আইন) এর ৩ ধারাবলে বিলুপ্ত।
6 ‘‘কর্মকর্তা বা’’ শব্দগুলি বাংলাদেশ কর্মচারী কল্যাণ বোর্ড (সংশোধন) আইন, ২০১৮ (২০১৮ সনের ৪৩ নং আইন) এর ৩ ধারাবলে বিলুপ্ত।
7 ‘‘কর্মকর্তা বা’’ শব্দগুলি বাংলাদেশ কর্মচারী কল্যাণ বোর্ড (সংশোধন) আইন, ২০১৮ (২০১৮ সনের ৪৩ নং আইন) এর ৩ ধারাবলে বিলুপ্ত।
8 ‘‘কর্মকর্তা বা’’ শব্দগুলি বাংলাদেশ কর্মচারী কল্যাণ বোর্ড (সংশোধন) আইন, ২০১৮ (২০১৮ সনের ৪৩ নং আইন) এর ৩ ধারাবলে বিলুপ্ত।
9 ‘‘জনপ্রশাসন’’ শব্দ ‘‘সংস্থাপন’’ শব্দের পরিবর্তে বাংলাদেশ কর্মচারী কল্যাণ বোর্ড (সংশোধন) আইন, ২০১৮ (২০১৮ সনের ৪৩ নং আইন) এর ৪(ক) ধারাবলে প্রতিস্থাপিত।
10 ‘‘জনপ্রশাসন’’ শব্দ ‘‘সংস্থাপন’’ শব্দের পরিবর্তে বাংলাদেশ কর্মচারী কল্যাণ বোর্ড (সংশোধন) আইন, ২০১৮ (২০১৮ সনের ৪৩ নং আইন) এর ৪(ক) ধারাবলে প্রতিস্থাপিত।
11 ‘‘জনপ্রশাসন’’ শব্দ ‘‘সংস্থাপন’’ শব্দের পরিবর্তে বাংলাদেশ কর্মচারী কল্যাণ বোর্ড (সংশোধন) আইন, ২০১৮ (২০১৮ সনের ৪৩ নং আইন) এর ৪(ক) ধারাবলে প্রতিস্থাপিত।
12 দফা (ছ) বাংলাদেশ কর্মচারী কল্যাণ বোর্ড (সংশোধন) আইন, ২০১৮ (২০১৮ সনের ৪৩ নং আইন) এর ৪(খ) ধারাবলে প্রতিস্থাপিত।
13 ‘‘জনপ্রশাসন’’ শব্দ ‘‘সংস্থাপন’’ শব্দের পরিবর্তে বাংলাদেশ কর্মচারী কল্যাণ বোর্ড (সংশোধন) আইন, ২০১৮ (২০১৮ সনের ৪৩ নং আইন) এর ৪(ক) ধারাবলে প্রতিস্থাপিত।
14 দফা (ঢঢ) বাংলাদেশ কর্মচারী কল্যাণ বোর্ড (সংশোধন) আইন, ২০১৮ (২০১৮ সনের ৪৩ নং আইন) এর ৪(গ) ধারাবলে সন্নিবেশিত।
15 দফা (ত) বাংলাদেশ কর্মচারী কল্যাণ বোর্ড (সংশোধন) আইন, ২০১৮ (২০১৮ সনের ৪৩ নং আইন) এর ৪(ঘ) ধারাবলে প্রতিস্থাপিত।
16 দফা (ঘ) বাংলাদেশ কর্মচারী কল্যাণ বোর্ড (সংশোধন) আইন, ২০১৮ (২০১৮ সনের ৪৩ নং আইন) এর ৫ ধারাবলে প্রতিস্থাপিত।
17 দফা (জ) বাংলাদেশ কর্মচারী কল্যাণ বোর্ড (সংশোধন) আইন, ২০১৮ (২০১৮ সনের ৪৩ নং আইন) এর ৬ ধারাবলে প্রতিস্থাপিত।
18 ‘‘বেতন হইতে সরকার কর্তৃক, সময় সময়, নির্ধারিত পরিমাণ অর্থ’’ শব্দগুলি ও কমাগুলি ‘‘বেতনের শতকরা একভাগ অথবা পঞ্চাশ, টাকা ইহার মধ্যে যাহা সর্বনিম্ন, বেতন হইতে’’ শব্দগুলি ও কমাগুলির পরিবর্তে বাংলাদেশ কর্মচারী কল্যাণ বোর্ড (সংশোধন) আইন, ২০১৮ (২০১৮ সনের ৪৩ নং আইন) এর ৭(ক) ধারাবলে প্রতিস্থাপিত।
19 ‘‘কর্মচারীর’’ শব্দ ‘‘কর্মকর্তার’’ শব্দের পরিবর্তে বাংলাদেশ কর্মচারী কল্যাণ বোর্ড (সংশোধন) আইন, ২০১৮ (২০১৮ সনের ৪৩ নং আইন) এর ৭(খ) ধারাবলে প্রতিস্থাপিত।
20 ‘‘বোর্ডের সুপারিশের পরিপ্রেক্ষিতে সরকার কর্তৃক, সময় সময়, নির্ধারিত’’ শব্দগুলি ও কমাগুলি ‘‘তফসিলে উল্লিখিত’’ শব্দগুলির পরিবর্তে বাংলাদেশ কর্মচারী কল্যাণ বোর্ড (সংশোধন) আইন, ২০১৮ (২০১৮ সনের ৪৩ নং আইন) এর ৮(ক) ধারাবলে প্রতিস্থাপিত।
21 ‘‘বোর্ডের সুপারিশের পরিপ্রেক্ষিতে সরকার কর্তৃক, সময় সময়, নির্ধারিত’’ শব্দগুলি ও কমাগুলি ‘‘তফসিলে উল্লিখিত’’ শব্দগুলির পরিবর্তে বাংলাদেশ কর্মচারী কল্যাণ বোর্ড (সংশোধন) আইন, ২০১৮ (২০১৮ সনের ৪৩ নং আইন) এর ৮(ক) ধারাবলে প্রতিস্থাপিত।
22 ‘‘মৃত্যুবরণ করেন, তাহা হইলে’’ শব্দগুলি ও কমা ‘‘মৃত্যুবরণ করিলে’’ শব্দগুলির পরিবর্তে বাংলাদেশ কর্মচারী কল্যাণ বোর্ড (সংশোধন) আইন, ২০১৮ (২০১৮ সনের ৪৩ নং আইন) এর ৮(খ) ধারাবলে প্রতিস্থাপিত।
23 ‘‘বোর্ডের সুপারিশের পরিপ্রেক্ষিতে সরকার কর্তৃক, সময় সময়, নির্ধারিত হারে অর্থ’’ শব্দগুলি ও কমাগুলি ‘‘সংশ্লিষ্ট কর্মচারীর সর্বশেষ প্রাপ্ত মাসিক মূল বেতনের হারে চব্বিশ মাসের বেতনের সমপরিমাণ অর্থ বা অনূর্ধ ১ (এক) লক্ষ টাকা’’ শব্দগুলি, সংখ্যা ও বন্ধনীর পরিবর্তে বাংলাদেশ কর্মচারী কল্যাণ বোর্ড (সংশোধন) আইন, ২০১৮ (২০১৮ সনের ৪৩ নং আইন) এর ৯ ধারাবলে প্রতিস্থাপিত।
24 ‘‘চাকরি (বেতন ও ভাতাদি) আদেশ, ২০১৫ এর অনুচ্ছেদ ৩ এ উল্লিখিত জাতীয় বেতন স্কেল, ২০১৫ এর ১৩ হইতে ২০ গ্রেড এর’’ শব্দগুলি, সংখ্যাগুলি ও কমাগুলি ‘‘তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণীর’’ শব্দগুলির পরিবর্তে বাংলাদেশ কর্মচারী কল্যাণ বোর্ড (সংশোধন) আইন, ২০১৮ (২০১৮ সনের ৪৩ নং আইন) এর ১০(ক) ধারাবলে প্রতিস্থাপিত।
25 ‘‘কর্মচারীর’’ শব্দ ‘‘কর্মকর্তার’’ শব্দের পরিবর্তে বাংলাদেশ কর্মচারী কল্যাণ বোর্ড (সংশোধন) আইন, ২০১৮ (২০১৮ সনের ৪৩ নং আইন) এর ১০(খ) ধারাবলে প্রতিস্থাপিত।
26 ‘‘চাকরি (বেতন ও ভাতাদি) আদেশ, ২০১৫ এর অনুচ্ছেদ ৩ এ উল্লিখিত জাতীয় বেতন স্কেল, ২০১৫ এর ১৩ হইতে ২০ গ্রেড এর’’ শব্দগুলি, সংখ্যাগুলি ও কমাগুলি ‘‘তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণীর’’ শব্দগুলির পরিবর্তে বাংলাদেশ কর্মচারী কল্যাণ বোর্ড (সংশোধন) আইন, ২০১৮ (২০১৮ সনের ৪৩ নং আইন) এর ১০(ক) ধারাবলে প্রতিস্থাপিত।
27 ‘‘কর্মকর্তা ও’’ শব্দগুলি বাংলাদেশ কর্মচারী কল্যাণ বোর্ড (সংশোধন) আইন, ২০১৮ (২০১৮ সনের ৪৩ নং আইন) এর ১১ ধারাবলে বিলুপ্ত।
28 ‘‘কর্মচারী’’ শব্দ ‘‘কর্মকর্তা’’ শব্দের পরিবর্তে বাংলাদেশ কর্মচারী কল্যাণ বোর্ড (সংশোধন) আইন, ২০১৮ (২০১৮ সনের ৪৩ নং আইন) এর ১২ ধারাবলে প্রতিস্থাপিত।
29 ‘‘কর্মকর্তা ও’’ শব্দগুলি বাংলাদেশ কর্মচারী কল্যাণ বোর্ড (সংশোধন) আইন, ২০১৮ (২০১৮ সনের ৪৩ নং আইন) এর ১৩(ক) ধারাবলে বিলুপ্ত।
30 ‘‘কর্মকর্তা ও’’ শব্দগুলি বাংলাদেশ কর্মচারী কল্যাণ বোর্ড (সংশোধন) আইন, ২০১৮ (২০১৮ সনের ৪৩ নং আইন) এর ১৩(ক) ধারাবলে বিলুপ্ত।
31 ‘‘কর্মচারী সরকারি কর্মচারী হিসাবে বোর্ডের নিয়ন্ত্রণাধীন কর্মরত’’ শব্দগুলি ‘‘কর্মকর্তা ও কর্মচারী সরকারী কর্মকর্তা কর্মচারী হিসাবে বোর্ডের নিয়ন্ত্রণাধীন কর্মরত কর্মকর্তা ও’’ শব্দগুলির পরিবর্তে বাংলাদেশ কর্মচারী কল্যাণ বোর্ড (সংশোধন) আইন, ২০১৮ (২০১৮ সনের ৪৩ নং আইন) এর ১৩(খ) ধারাবলে প্রতিস্থাপিত।

বোর্ডের আইন ২০০৪: ডাউনলোড

admin

আমি একজন সরকারী চাকরিজীবি। দীর্ঘ ৮ বছর যাবৎ চাকুরির সুবাদে সরকারি চাকরি বিধি বিধান নিয়ে পড়াশুনা করছি। বিএসআর ব্লগে সরকারি আদেশ, গেজেট, প্রজ্ঞাপন ও পরিপত্র পোস্ট করা হয়। এ ব্লগের কোন পোস্ট নিয়ে বিস্তারিত জানতে admin@bdservicerules.info ঠিকানায় মেইল করতে পারেন।

admin has 3010 posts and counting. See all posts by admin

2 thoughts on “বাংলাদেশ কর্মচারী কল্যাণ বোর্ড আইন, ২০০৪

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *