বিভাগীয় মামলা নিষ্পত্তি নির্দেশিকা ২০২১

বিভাগীয় মামলা নিষ্পত্তি নির্দেশিকা (কেবল সরকারি কাজে ব্যবহারের জন্য), শৃঙ্খলা ও তদন্ত অনুবিভাগ, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। সরকারি কর্মচারীদের তাদের কর্মকালে দায়িত্ব পালনের পরিসরে কিংবা তার ব্যক্তিগত জীবনের জন্য অশােভন আচরণ নিয়ন্ত্রণের লক্ষ্যে প্রণীত The Government Servant (Conduct) Rules 1979 এর কোনাে বিধানের পরিপন্থী কোন কর্মকাণ্ডে যুক্ত হওয়া ছাড়াও তারা আরও বিভিন্নরূপে শৃঙ্খলা ভঙ্গ করতে পারেন। 

একজনের শৃঙ্খলা বিরােধী কার্যক্রম অন্য কর্মচারীকে প্ররােচিত করে স্বাভাবিক কর্মপরিবেশকে ক্ষতিগ্রস্ত ও কলুষিত যাতে করতে না পারে সেই লক্ষ্যে কার্যকর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্যে The Government Servant (Discipline and Appeal) Rules 1985 প্রণীত হয়েছিল সামরিক আইনের অধীনে দেশ শাসনকালে। সংশ্লিষ্ট সকলের সহজবােধ্যতার প্রয়ােজনে গুরুত্বপূর্ণ এই বিধিমালাটি পরবর্তীকালে ২০১৮ সালে বাংলা ভাষায় পুন:প্রবর্তন করা হয়েছে। এই বিধিমালার অধীনে বিচার্য পাঁচটি অপরাধের অভিযােগ বিবরণী প্রস্তুত থেকে শুরু করে অভিযােগ গঠন তথা অভিযােগনামা প্রণয়ন, তদন্ত অনুষ্ঠান এবং তদন্ত প্রতিবেদনের ভিত্তিতে কর্তৃপক্ষ’ (নিয়ােগকারী কর্তৃপক্ষ) কর্তৃক বিচারিক সিদ্ধান্ত প্রদান তথা অব্যাহতি কিংবা দণ্ড দানের প্রক্রিয়া সম্পর্কে সীমিত আকারে নির্দেশনা সন্নিবেশিত আছে। আবার আলােচ্য বিধিমালাটির শেষে এর প্রয়ােগ সম্পর্কীয় ব্যাখ্যা সম্বলিত কোন তফসিল যুক্ত নেই। যেখানে ‘অভিযােগ বিবরণী’ ‘অভিযােগনামা’ তদন্ত প্রতিবেদন, আদেশনামা ও বিচারিক রায় প্রণয়নের নিমিত্ত কোন ‘চেকলিস্ট’ সন্নিবেশিত হতে পারত। কোন সরকারি কর্মচারীর কৃত অপরাধের জন্য তাকে গুরুদণ্ড আরােপ করা প্রয়ােজন হলে সরকারি কর্ম কমিশনের পরামর্শ গ্রহণের সময় কী কী দলিলপত্র প্রেরণ করতে হবে কিংবা আপীল, রিভিউ করতে অগ্রায়ন করতে হলে কী প্রক্রিয়া অনুসৃত হবে সে সম্পর্কেও কোন ‘চেকলিস্ট’ ‘পরিশিষ্ট’ আকারে যুক্ত হতে পারত।

উল্লিখিত বিধিমালার অধীনে প্রয়ােজনীয় কার্যক্রম গ্রহণের নিমিত্ত কর্তৃপক্ষ কর্তৃক অনুসরণীয় কোন মান (Standard) কার্যপদ্ধতি পরিশিষ্ট কিংবা ‘তফসিল’ আকারে যুক্ত না হওয়ায় প্রয়ােগক্ষেত্রে বিভিন্ন সরকারি দপ্তরে কেবল বিভিন্নতাই পরিদৃষ্ট হয়না অনেক সময় কর্তৃপক্ষের পদ্ধতিগত বিচ্যুতির সুযােগ গ্রহণ করে অভিযুক্ত ও দোষী কর্মচারীগণ প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল কিংবা প্রশাসনিক আপীল ট্রাইব্যুনাল থেকে অব্যাহতি পাওয়া যায় যা প্রকৃতপক্ষে আইনের শাসনকে ব্যাহত করে সুশাসন প্রতিষ্ঠায়ও বিঘ্ন সৃষ্টি করে। অধিকন্তু, ২০০৭ সনে রাষ্ট্রের নির্বাহী বিভাগ থেকে বিচারিক ক্ষমতা তুলে নেয়ার পর এই সময়ের পরবর্তীকালে নিয়ােজিত নির্বাহী বিভাগের অধীন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটগণ কোন বিচারিক আদালত পরিচালনার অভিজ্ঞতা অর্জনের সুযােগ না পাওয়ায় উল্লিখিত বিধিমালার অধীনে রুজুকৃত বিভাগীয় মামলাগুলাের তদন্ত প্রক্রিয়ায় তারা অনেক ক্ষেত্রে ২০০৭ এর পূর্বে বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেট-এর দায়িত্বপালনের অভিজ্ঞতা সম্পন্ন কর্মকর্তাদের মত স্বয়ংসম্পূর্ণ প্রতিবেদন প্রণয়ন করতে পারছেন না। বিসিএস প্রশাসন

ক্যাডারের কোন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে রুজুকৃত বিভাগীয় মামলার সূচনালগ্ন থেকে অব্যাহতি/দণ্ডাদেশের পর আপীল/পুনরীক্ষণ/পুনর্বিবেচনার মাধ্যমে চূড়ান্ত নিষ্পত্তি পর্যন্ত প্রতিটি ধাপে প্রয়ােজনীয় কার্যক্রম গ্রহণ করতে যেয়ে আমার কাছে মনে হয়েছে উল্লিখিত বিধিমালার অভিন্ন প্রয়ােগ পদ্ধতি সম্পৰ্কীয় একটি নির্দেশমালা প্রণয়ন করা গেলে শুধু এই মন্ত্রণালয় নয় বরং এর অধীন দপ্তর/সংস্থাসহ সরকারি সকল দপ্তর/প্রতিষ্ঠানের জন্য নির্দেশিকা হিসেবে তা কাজ করতে পারে। সেই উপলব্ধি থেকে শৃঙ্খলা ও তদন্ত অনুবিভাগের প্রধান অতিরিক্ত সচিব জনাব এ এফ এম হায়াতুল্লাহ-এর সাথে মত বিনিময় করলে তিনি এ বিষয়ে সবিশেষ আগ্রহ প্রদর্শনপূর্বক তার অধীন সকল কর্মকর্তাকে যুক্ত করে একটি খসড়া প্রণয়ন করেন এবং গত ১৫ ফেব্রুয়ারি আমার সভাপতিত্বে একটি কর্মশালায় এটিকে সকল অনুবিভাগ প্রধান ও সংশ্লিষ্ট অন্যান্য বিশেষ কর্মকর্তাদের সামনে উপস্থাপন করেন। তাদের মতামত, পরামর্শ ও মন্তব্য অনুসারে এই ‘খসড়া’টিকে সংস্কার ও পরিমার্জনা করে বিভাগীয় মােকদ্দমা নিষ্পত্তি নির্দেশিকা নামে পুস্তিকা আকারে প্রকাশনার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। এ প্রসঙ্গে আমি শৃঙ্খলা ও তদন্ত অনুবিভাগের সকল কর্মকর্তাকে তাদের পরিশ্রম ও অবদানের জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই। আমি আশা করি, অদূর ভবিষ্যতে এই নির্দেশিকাটি আরাে সমৃদ্ধ হবে এবং এই বিষয়ক একটি স্বয়ংসম্পূর্ণ ম্যানুয়াল দ্বারা প্রতিস্থাপিত হবে। এই নির্দেশিকা বিভাগীয় মােকদ্দমা নিষ্পত্তির সকল পর্যায়ে সকল সরকারি দপ্তরে একটি অভিন্ন পদ্ধতির অনুসরণে সকলকে ব্ৰতী করবে বলে আমি দৃঢ় বিশ্বাস করি। আর এর মধ্যেই নিহিত রয়েছে এই নির্দেশিকাটির সাফল্য।

সূচিপত্র

১. বিভাগীয় মামলা বা ডিপার্টমেন্টাল প্রসিডিং

২. আইনগত ভিত্তি

৩. অভিযােগ প্রাপ্তি

৪. অভিযােগ প্রাপ্তির পর করণীয়

৫. বিভাগীয় মামলায় অনুসরণীয় প্রক্রিয়া

৬. অভিযােগনামা ও অভিযােগ বিবরণী

৭. বিভাগীয় মামলা নিষ্পত্তির ধাপ/ক্রমধারা

৮. দণ্ড শাস্তির প্রকারভেদ 

৯. দণ্ড প্রয়ােগের কর্তৃপক্ষ 

১০. দণ্ড আরােপের সময় লক্ষণীয় বিষয় ও দণ্ডের ফলাফল

১১. বিভাগীয় মামলায় লঘুদণ্ড আরােপের প্রক্রিয়া-সংক্রান্ত চার্ট

১২. বিভাগীয় মামলায় গুরুদণ্ড আরােপের প্রক্রিয়া-সংক্রান্ত চার্ট

১৩। তদন্তের সূচনা। 

১৪. নাশকতামূলক কার্যকলাপের ক্ষেত্রে তদন্তের পদ্ধতি (বিধি-৫) 

১৫. লঘুদণ্ড আরােপের ক্ষেত্রে তদন্তের পদ্ধতি (বিধি-৬)

১৬. গুরুদণ্ড আরােপের ক্ষেত্রে তদন্তের পদ্ধতি (বিধি-৭)

১৭. স্থানীয় কর্তৃপক্ষ, ইত্যাদিতে ন্যস্ত কর্মকর্তাগণের বিরুদ্ধে তদন্তের পদ্ধতি (বিধি-১৫)। 

১৮. কেস নথি

১৯. তদন্ত কর্মকর্তা/তদন্ত বাের্ড নির্ধারণের ক্ষেত্রে বিবেচ্য বিষয় 

২০. তদন্ত কর্মকর্তা/তদন্ত কমিটির করণীয়

২১. অভিযুক্ত কর্মকর্তার অধিকার 

২২. নথি উপস্থাপনকারী কর্মকর্তা 

২৩. তদন্ত কর্মকর্তা কর্তৃক সাক্ষ্য গ্রহণ প্রক্রিয়া

২৪. তদন্ত প্রতিবেদন লিখন। 

২৫. তদন্ত প্রতিবেদন এবং পুন:তদন্ত

২৬. তদন্তকারী কর্মকর্তা পরিবর্তন বা পুন:নিয়ােগ 

২৭. অপরাধভিত্তিক কার্যধারা

২৮. অদক্ষতা 

২৯, অদক্ষতার ক্ষেত্রে আরােপযােগ্য দণ্ড

৩০. অদক্ষতার ক্ষেত্রে বিভাগীয় মামলার কার্যধারা 

৩১. অদক্ষতার ক্ষেত্রে লঘুদণ্ড প্রদানের পদ্ধতি

৩২. অদক্ষতার জন্য গুরুদণ্ড প্রদানের পদ্ধতি

৩৩. শারীরিক বা মানসিক অসামর্থ্যতা সম্পর্কে স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য আদেশদান।

৩৪. অসদাচরণ

৩৫. অসদাচরণের ক্ষেত্রে আরােপযােগ্য দণ্ড

৩৬. অসদাচরণের ক্ষেত্রে বিভাগীয় মামলার কার্যধারা

৩৭. অসদাচরণের ক্ষেত্রে লঘুদণ্ড আরােপের প্রক্রিয়া

৩৮. অসদাচরণের ক্ষেত্রে গুরুদণ্ড আরােপের প্রক্রিয়া

৩৯. পলায়ন বা Desertion

৪০. পলায়ন-এর ক্ষেত্রে আরােপযােগ্য দণ্ড

৪১. পলায়নের ক্ষেত্রে বিভাগীয় মামলার কার্যধারা

৪২. পলায়নের ক্ষেত্রে লঘুদণ্ড আরােপের প্রক্রিয়া 

৪৩. পলায়নের ক্ষেত্রে গুরুদণ্ড আরােপের প্রক্রিয়া। 

৪৪. দুর্নীতিপরায়ণতা 

৪৫, দুর্নীতিপরায়ণতার ক্ষেত্রে আরােপযােগ্য দণ্ড 

৪৬. দুর্নীতিপরায়ণতার ক্ষেত্রে বিভাগীয় মামলার কার্যধারা 

৪৭. দুর্নীতিপরায়ণতার ক্ষেত্রে দণ্ড আরােপ প্রক্রিয়া 

৪৮. নাশকতা

৪৯. নাশকতামূলক কার্যকলাপের ক্ষেত্রে অনুসরণীয় পদ্ধতি (বিধি-৫) 

৫০. আপিল প্রক্রিয়া সম্পর্কে সাধারণ নির্দেশনা 

৫১. পুনর্বিবেচনা সম্পর্কে সাধারণ নির্দেশনা (বিধি-২২)

৫২. পুনরীক্ষণ সম্পর্কে সাধারণ নির্দেশনা (বিধি-২৩) 

৫৩. রাষ্ট্রপতি কর্তৃক প্রদত্ত আদেশ আপিলযােগ্য নয় (বিধি-২৪) 

৫৪. আদালতে বিচারাধীন কার্যধারা (বিধি-২৫) 

৫৫. অন্য কোনাে আইনের অধীনে প্রাপ্য অধিকার বা বিশেষ অধিকার ক্ষুগ্ন না করা (বিধি-২৬)

৫৬. বিবিধ বিষয়াবলি

৫৭. সরকারী কর্ম কমিশনের সঙ্গে পরামর্শকরণ।

৫৮. পদোন্নতি বিবেচনা (কত সময় পর্যন্ত)/তিরস্কার দণ্ড কার্যকারিতার সময়কাল 

৫৯. সাময়িক বরখাস্ত করা

৬০. প্রশাসনিক ট্রাইবুনাল 

৬১. নােটিশ জারির পদ্ধতি 

৬২.. পিআরএল/অবসর প্রাপ্ত সরকারি কর্মচারীদের ক্ষেত্রে বিভাগীয় মামলার অনুসরণীয়

বিভাগীয় মামলা নিষ্পত্তি নির্দেশিকা ২০২১: ডাউনলোড

18 thoughts on “বিভাগীয় মামলা নিষ্পত্তি নির্দেশিকা ২০২১

  • বিভাগীয় মামলা নিষ্পত্তি নির্দেশিকা ২০২১ এর ৬.৩ (খ) এর ৫নং উপানুচ্ছেদ এ উল্লেখ রয়েছে যে, বিভাগীয় মামলার ‘দন্ডের মেয়াদ শেষে স্থগিতকৃত বেতন ফেরত পাবেন কিনা তা আদেশে উল্লেখ করতে হয়। যদি আদেশে এরূপ উল্লেখ করা না হয় তবে দন্ডের মেয়াদ শেষে স্থগিতকৃত বেতন বৃদ্ধির সুবিধা প্রাপ্য হবেন (বিএসআর পার্ট-১ বিধি ৪৫ দ্রষ্টব্য)” কিন্তু এ নির্দেশ যদি নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষ না মানে তাইলে পরবর্তী করণীয় কি ? জানতে চাই প্লিজ

  • এ নির্দেশ মানা সম্পূর্ণ কর্তৃপক্ষের এখতিয়ার। খেয়াল করে দেখুন। আদেশে যদি উল্লেখ থাকে তবে প্রাপ্য হবে।

  • যদি কোন সরকারী কর্ম কর্তা সাসপেন্ড থাকা অবস্থায় মৃত্যবরন করেন ,সাসপেন্ড নিস্পত্তি না হওয়াই ,তার পরিবার বা নমিনী/ও্যারিশগণ উক্ত কর্মকর্তার সরকারী পেনশন ও সুযোগ সুবিধা পাইবে কিনা? যদি পাই কিভাবে নিশপত্তি হইবে বা ও্যারিশগণ পাশশন ভোগ করিতে পারিবে?

  • নিষ্পত্তি হওয়ার আগেই যদি সাস্পেন্ডকৃত কোন সরকারী কর্মকর্তার পেনশন নমিণি বা ওয়ারিশ গণ কি ভাবে সরকারি কর্ম কর্তার পেনশন ভোগ করিতে পারিবে কিনা/ পাইলে কিভাবে সম্ভব,প্লিজ উত্তরের জন্য অপেক্ষায় রইলাম।

  • সাস্পেন্ডের সময় কোন কর্মচারী/কর্মকর্তা ইন্তেকাল করেন ,তার নমিনী বা ওয়ারিশ কোন পেনশন বা সুশোগ সুবিধা ভোগ করতে পারবে কিনা?

  • কোন দন্ড বা নিষ্পত্তি না হওয়া সাস্পেন্ডকৃত কর্মকর্তার ওয়ারিশ/নমনী কোন পেনশন বা সরকারী সুবিধা ভোগ করতে পারবে কিনা ? এই ব্যাপারে যেহেতু কোন চুড়ান্ত সিদ্ধান্ত বা কোন শাস্তিদেও্যা হয় নাই,শুধুমাত্র সাসপেন্ড করার কিছু দিনের মাথায় ইন্তেকাল করেন তাহলে কি কোন পেনশন সুবিঢা পাওয়া যাবে কি? প্লিজ উত্তরের অপেক্ষায় রইলাম

  • অবশ্যই ভোগ করতে পারেন। মৃত্যুর পর আপত্তি নিষ্পত্তির বিধান রয়েছে। কর্তৃপক্ষ কিছু সিদ্ধান্ত দিয়ে আপত্তি নিষ্পত্তি করে থাকে। পরিবার যোগযোগ করলে সুযোগ সুবিধা আমার জানা মতে পাবেন।

  • পেনশন বা সুবিধা কর্তৃপক্ষ নির্ধারণ করে দিবে।

  • এটি অবশ্যই কর্তৃপক্ষ সিদ্ধান্ত নিবে। আমার জানামতে সুবিধা পাবেন।

  • সরকারের অর্থিক ক্ষতি পূরণ সাপেক্ষে ৬ মাসের মধ্যে নিষ্পত্তি করে যদি পারিবারিক পেনশন দেওয়ার মত অর্থ অবশিষ্ট থাকে তবে অবশ্যই পরিবারকে আর্থিক নিরাপত্তা দিবে সরকার।

  • বিভাগীয় মামলা চলাকালীন কাউকে অর্জিত ছুটি মঞ্জুর করা যাবে কি?

  • দীর্ঘ ১ বছর সাসপেন্ড থাকার পর চাকুরী চূ‍্যক্ত করে দিছে সে কী চাকরি করতে পারবে?

  • চাকরিচ্যুত করে দিলে তো আর চাকরি করতে পারবে না।

  • পুলিশের বিভাগীয় মামলায় শাস্তি হলে কোন আদালতে আপিল করতে হয়।এবং কত দিনে মীমাংসা করা যায়।০১৭২৫৪২৪৪২৯

  • বিভাগীয় মামলা বিভাগ দেখবে। শাস্তি হলেও তো আপিলের ব্যাপার।

  • বিভাগীয় মামলার সর্বোচ্চ মেয়াদকাল কত দিন?
    ৩য় এবং ৪র্থ শ্রেনির কর্মচারির বিরূদ্ধে সরকারি অর্থ আত্মসাৎ সম্পর্কিত বিভাগীয় মামলার নিস্পত্তি কিরূপ হয়?
    যদি বিভাগীয় মামলার শাস্তি স্বরূপ চাকুরীচুত করা হয় তার পর কি ফৌজদারি মামলা রুজু করার কোন বিধান আছে?

    ধন্যবাদ।

  • এটি শেষ হওয়ার নির্ধারিত সময় নাই। তবে পিআরএল সময় আসলে ১ বছরের মধ্যে নিষ্পত্তির কথা বলা হয়েছে। বিভাগীয় মামলার নিষ্পত্তির জন্য ফৌজদারী মামলা রজু করা যাবে না।

Leave a Reply

Your email address will not be published.