৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে ৯ম পে স্কেলের আল্টিমেটাম, শুক্রবার নতুন কর্মসূচি
নবম পে স্কেল বাস্তবায়নের দাবিতে পূর্বনির্ধারিত কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা স্থগিত করেছেন সরকারি কর্মচারীরা। ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শহীদ শরীফ ওসমান হাদির মৃত্যুতে শোক প্রকাশ এবং দেশের বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তবে দাবি আদায়ে সরকারকে আগামী ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত সময় বেঁধে দিয়েছেন তারা।
শনিবার (২০ ডিসেম্বর) জাতীয় প্রেস ক্লাবে ‘বাংলাদেশ সরকারি কর্মচারী দাবি আদায় ঐক্য পরিষদ’-এর ব্যানারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানানো হয়।
হাদির মৃত্যুতে শোক ও মোনাজাত
এদিন সংবাদ সম্মেলন থেকে আন্দোলনের পরবর্তী রূপরেখা ঘোষণার কথা থাকলেও তা স্থগিত করা হয়। অকুতোভয় যোদ্ধা শহীদ শরীফ ওসমান হাদির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে তার রুহের মাগফিরাত কামনায় বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করা হয়। কর্মচারী নেতারা বলেন, হাদি সবসময় বৈষম্যমুক্ত সমাজ গড়তে সোচ্চার ছিলেন। তার আদর্শকে ধারণ করেই কর্মক্ষেত্রে বৈষম্য দূর করার এই লড়াই অব্যাহত থাকবে।
আল্টিমেটাম ও কঠোর হুঁশিয়ারি
সংবাদ সম্মেলনে ঐক্য পরিষদের নেতারা তাদের সাত দফা দাবির কথা পুনর্ব্যক্ত করেন। সংগঠনের পক্ষ থেকে জানানো হয়:
৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে বৈষম্যমুক্ত ৯ম পে স্কেলের সুপারিশসহ গেজেট প্রকাশ করতে হবে।
আগামী ১ জানুয়ারির মধ্যে সরকারের পক্ষ থেকে দৃশ্যমান কোনো উদ্যোগ দেখা না গেলে কঠোর কর্মসূচি গ্রহণ করা হবে।
সংগঠনের মুখ্য সমন্বয়ক ওয়ারেছ আলীর সভাপতিত্বে সংবাদ সম্মেলনে নেতারা বলেন, বর্তমান দ্রব্যমূল্যের বাজারে সরকারি কর্মচারীরা মানবেতর জীবনযাপন করছেন। তাই দ্রুত পে স্কেল বাস্তবায়ন এখন সময়ের দাবি।
পরবর্তী করণীয়
পরিষদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আগামী শুক্রবার (২৬ ডিসেম্বর) নতুন কর্মসূচির বিস্তারিত ঘোষণা করা হবে। সম্মেলনে সংগঠনের শীর্ষ পর্যায়ের নেতারা উপস্থিত থেকে আন্দোলনের প্রতি সংহতি প্রকাশ করেন।



