বৈষম্যমুক্ত নবম পে-স্কেল অবিলম্বে বাস্তবায়নের দাবিতে সংবাদ সম্মেলনের ডাক
দ্রব্যমূল্যের লাগামহীন ঊর্ধ্বগতি এবং জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধির প্রেক্ষিতে সরকারি কর্মচারীদের বেতন বৈষম্য দূর করতে অবিলম্বে বৈষম্যমুক্ত নবম পে-স্কেল বাস্তবায়নের দাবি জোরালো হয়ে উঠেছে। এই লক্ষ্যকে সামনে রেখে ‘বাংলাদেশ সরকারি কর্মচারী দাবি আদায় ঐক্য পরিষদ’ আগামী ১৫ মে ২০২৬ তারিখে এক গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ সম্মেলনের ডাক দিয়েছে।
কর্মসূচির বিস্তারিত বিবরণ
সংগঠনটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, রাজধানীর জাতীয় প্রেস ক্লাবে এই সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে। কর্মসূচির সূচি নিচে দেওয়া হলো:
- তারিখ: ১৫ মে ২০২৬, শুক্রবার।
- স্থান: জাতীয় প্রেস ক্লাব, ঢাকা।
- সময়: সকাল ১১:০০ টা।
মূল দাবি ও প্রেক্ষাপট
২০১৫ সালের পর দীর্ঘ সময় অতিবাহিত হলেও নতুন কোনো পূর্ণাঙ্গ পে-স্কেল ঘোষণা না করায় সরকারি কর্মচারীদের মধ্যে অসন্তোষ বিরাজ করছে। আয়োজক সংগঠনের নেতৃবৃন্দের মতে, বর্তমান বেতন কাঠামোতে প্রকট বৈষম্য বিদ্যমান, যা সাধারণ কর্মচারীদের জীবনযাত্রাকে দুর্বিষহ করে তুলেছে। তাদের প্রধান দাবিগুলো হলো:
১. অবিলম্বে বৈষম্যমুক্ত নবম পে-স্কেল ঘোষণা ও বাস্তবায়ন।
২. বেতন কাঠামোর মধ্যবর্তী ধাপগুলোর বৈষম্য নিরসন।
৩. বার্ষিক ইনক্রিমেন্ট ও অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা বাজারের সাথে সংগতিপূর্ণ করা।
বৃহত্তর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি
সম্মেলন থেকেই পরবর্তী বৃহত্তর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে। ধারণা করা হচ্ছে, সরকার যদি ১৫ মে’র মধ্যে কোনো ইতিবাচক পদক্ষেপ গ্রহণ না করে, তবে সরকারি কর্মচারীরা কর্মবিরতি বা রাজপথের আন্দোলনের মতো কঠোর কর্মসূচির দিকে যেতে পারেন।
আয়োজক সংগঠন ‘বাংলাদেশ সরকারি কর্মচারী দাবি আদায় ঐক্য পরিষদ’ সকল স্তরের কর্মচারীদের ঐক্যবদ্ধ হয়ে এই সংবাদ সম্মেলনে যোগ দেওয়ার এবং নিজেদের অধিকার আদায়ে সোচ্চার হওয়ার আহ্বান জানিয়েছে।


