সঞ্চয়পত্রের মুনাফার হার ২০২৬ । লাখে সঞ্চয়পত্রে সরকার কত টাকা প্রতিমাসে দেয়?
২০২৫ সালের সর্বশেষ প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, সঞ্চয়পত্রের মুনাফার হার বিনিয়োগের পরিমাণের ওপর ভিত্তি করে দুটি স্তরে (৭.৫০ লক্ষ টাকা পর্যন্ত এবং এর বেশি) পুনঃনির্ধারণ করা হয়েছে । নিচে ২০২৬ সালের জন্য প্রযোজ্য (জুলাই ২০২৫ থেকে কার্যকর) মুনাফার হার এবং প্রতি মাসে প্রাপ্ত টাকার হিসাব দেওয়া হলো:
সঞ্চয়পত্রের পুনঃনির্ধারিত মুনাফার হার (২০২৫-২৬)
বিনিয়োগকারী পূর্ণ মেয়াদ শেষে নিচের হারে মুনাফা পাবেন:
| সঞ্চয়পত্রের নাম | ৭.৫০ লক্ষ টাকা পর্যন্ত বিনিয়োগে | ৭.৫০ লক্ষ টাকার বেশি বিনিয়োগে |
| ৫-বছর মেয়াদী বাংলাদেশ সঞ্চয়পত্র | ১১.৮৩% | ১১.৮০% |
| পরিবার সঞ্চয়পত্র (৫ বছর মেয়াদী) | ১১.৯৩% | ১১.৮০% |
| পেনশনার সঞ্চয়পত্র (৫ বছর মেয়াদী) | ১১.৯৮% | ১১.৮০% |
| ৩-মাস অন্তর মুনাফাভিত্তিক | ১১.৮২% | ১১.৭৭% |
প্রতি লাখে মাসিক মুনাফার হিসাব
সাধারণত পরিবার সঞ্চয়পত্র থেকে প্রতি মাসে মুনাফা তোলা যায়। ১ জুলাই ২০২৫ থেকে কার্যকর হওয়া নতুন হার অনুযায়ী মাসিক মুনাফার সম্ভাব্য হিসাব নিচে দেওয়া হলো (উৎস কর বা ট্যাক্স কাটার আগে):
১. বিনিয়োগ ৭.৫০ লক্ষ টাকা বা তার কম হলে:
মুনাফার হার: ১১.৯৩%
প্রতি লাখে মাসিক মুনাফা: প্রায় ৯৯৪ টাকা।
২. বিনিয়োগ ৭.৫০ লক্ষ টাকার বেশি হলে:
মুনাফার হার: ১১.৮০%
প্রতি লাখে মাসিক মুনাফা: প্রায় ৯৮৩ টাকা।
বিশেষ দ্রষ্টব্য: * উপরের হিসাব থেকে সরকারি নিয়ম অনুযায়ী নির্দিষ্ট হারে উৎস কর (ট্যাক্স) বিয়োগ হবে । * ওয়েজ আর্নার ডেভেলপমেন্ট বন্ড, ইউএস ডলার প্রিমিয়াম বন্ড এবং ইউএস ডলার ইনভেস্টমেন্ট বন্ডের মুনাফার হার অপরিবর্তিত রয়েছে । * যাঁরা ১ জুলাই ২০২৫ এর আগে সঞ্চয়পত্র কিনেছেন, তাঁরা মেয়াদ শেষ হওয়া পর্যন্ত আগের হারেই মুনাফা পাবেন ।
এই আদেশটি ১ জুলাই ২০২৫ থেকে কার্যকর হয়েছে এবং পরবর্তী ৬ মাস পর এটি পুনরায় পর্যালোচনা করা হতে পারে



