ফর্ম I আবেদনপত্র । নমুনা

৩য় উচ্চতর গ্রেড পেতে যেভাবে আবেদন করবেন: প্রকাশিত হলো আবেদনপত্রের নমুনা

জাতীয় বেতনস্কেল-২০২৬ কার্যকর হওয়ার পর সরকারি কর্মচারীদের মধ্যে উচ্চতর গ্রেড নিয়ে নতুন করে আগ্রহ তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে যেসব পদে পদোন্নতির সুযোগ নেই বা পদটি ব্লকড হিসেবে বিবেচিত, সেসব পদে দীর্ঘদিন চাকরি করা কর্মচারীদের জন্য তৃতীয় উচ্চতর গ্রেড পাওয়ার বিধানটি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

এমন প্রেক্ষাপটে তৃতীয় উচ্চতর গ্রেড মঞ্জুরির জন্য করা একটি আবেদনপত্রের নমুনা সামনে এসেছে। বাংলাদেশ রেলওয়ের একজন কর্মচারীর নামে করা ওই আবেদনে জাতীয় বেতনস্কেল-২০২৬-এর উচ্চতর গ্রেড সংক্রান্ত বিধান উল্লেখ করে নির্ধারিত সময় পূর্তিতে তৃতীয় উচ্চতর গ্রেড মঞ্জুরির আবেদন করা হয়েছে।

সরকারের নতুন বেতন আদেশে উচ্চতর গ্রেডের সময়সীমা ও প্রাপ্যতার বিষয়টি স্পষ্ট করা হয়েছে। ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে প্রকাশিত চাকরি (বেতন ও ভাতাদি) আদেশ, ২০২৬ জাতীয় বেতনস্কেল-২০২৬-এর মূল প্রজ্ঞাপন হিসেবে সরকারি গেজেটে প্রকাশিত হয়েছে।

তৃতীয় উচ্চতর গ্রেড কারা পাবেন?

নতুন বিধান অনুযায়ী, কোনো স্থায়ী কর্মচারী একই পদে কর্মরত থাকা অবস্থায় পদোন্নতির সুযোগ না পেলে নির্দিষ্ট সময় পূর্তিতে উচ্চতর গ্রেড পাওয়ার সুযোগ পাবেন। প্রথম উচ্চতর গ্রেডের পর দ্বিতীয় উচ্চতর গ্রেড এবং বিশেষ ক্ষেত্রে দ্বিতীয় উচ্চতর গ্রেড পাওয়ার পর আরও নির্ধারিত সময় একই পদে চাকরি করলে তৃতীয় উচ্চতর গ্রেডের সুযোগ রয়েছে।

বিশেষ করে ব্লকড পদ বা যেসব পদে পদোন্নতির বিধান নেই, সেসব ক্ষেত্রে তৃতীয় উচ্চতর গ্রেডের বিধানটি বেশি গুরুত্বপূর্ণ। প্রকাশিত বিধানের সারাংশ অনুযায়ী, দ্বিতীয় উচ্চতর গ্রেড পাওয়ার তারিখ থেকে ৮ বছর পূর্তিতে ৯ম বছরে তৃতীয় উচ্চতর গ্রেড পাওয়ার সুযোগ রয়েছে। একই পদে চাকরিজীবনে এ ধরনের উচ্চতর গ্রেড সর্বোচ্চ তিনবার পাওয়ার বিধান রয়েছে।

তবে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো—উচ্চতর গ্রেড পাওয়া পদোন্নতি হিসেবে গণ্য হবে না। এটি মূলত একই পদে থেকে বেতন নির্ধারণের ক্ষেত্রে উচ্চতর গ্রেডের আর্থিক সুবিধা।


সামনে আসা আবেদনপত্রে কী বলা হয়েছে?

সম্প্রতি সামনে আসা আবেদনপত্রটির শুরুতে সংশ্লিষ্ট বিভাগীয় সংস্থাপন কর্মকর্তা, বাংলাদেশ রেলওয়ে, ঢাকা বরাবর আবেদন করা হয়েছে। সেখানে মাধ্যম হিসেবে যথাযথ কর্তৃপক্ষের কথা উল্লেখ রয়েছে।

আবেদনের বিষয় লেখা হয়েছে—

“৮ বছর পূর্তিতে তৃতীয় উচ্চতর গ্রেড মঞ্জুরীর জন্য আবেদন।”

আবেদনকারী তার চাকরিতে যোগদানের তারিখ, পূর্বে পাওয়া উচ্চতর গ্রেড/স্কেলের তথ্য এবং পরবর্তী উচ্চতর গ্রেড পাওয়ার সময়ের হিসাব তুলে ধরেছেন।

আবেদনের মূল বক্তব্য হলো—জাতীয় বেতনস্কেল-২০২৬-এর উচ্চতর গ্রেড সংক্রান্ত বিধান অনুযায়ী, যেসব পদে পদোন্নতির সুযোগ নেই, সেসব পদে কর্মরত কর্মচারীরা নির্দিষ্ট সময় পূর্তিতে পর্যায়ক্রমে উচ্চতর গ্রেড পাওয়ার সুযোগ রাখেন। সেই বিধানের আলোকে আবেদনকারী নিজেকে তৃতীয় উচ্চতর গ্রেডের যোগ্য দাবি করেছেন।

এরপর সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে প্রাপ্য তারিখে তৃতীয় উচ্চতর গ্রেড মঞ্জুরির প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ করা হয়েছে।


৮ বছর পূর্তির হিসাব কীভাবে করবেন?

তৃতীয় উচ্চতর গ্রেডের ক্ষেত্রে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো দ্বিতীয় উচ্চতর গ্রেড পাওয়ার তারিখ।

ধরা যাক, কোনো কর্মচারী দ্বিতীয় উচ্চতর গ্রেড পেয়েছেন—

২৪ মার্চ ২০১৩ তারিখে।

তাহলে ওই তারিখ থেকে ৮ বছর পূর্ণ হবে—

২৪ মার্চ ২০২১ তারিখে।

এরপর বিধানের আওতায় ৯ম বছরে তৃতীয় উচ্চতর গ্রেডের প্রাপ্যতার বিষয়টি বিবেচিত হবে।

অর্থাৎ শুধু মোট চাকরির বয়স ৮ বছর হলেই তৃতীয় উচ্চতর গ্রেড পাওয়া যাবে—এমন নয়। দ্বিতীয় উচ্চতর গ্রেড পাওয়ার তারিখ থেকে প্রয়োজনীয় সময় পূর্ণ হয়েছে কি না, সেটিই এখানে মূল বিষয়।


প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় উচ্চতর গ্রেডের কাঠামো

জাতীয় বেতনস্কেল-২০২৬ অনুযায়ী উচ্চতর গ্রেডের বিষয়টি সহজভাবে বুঝতে হলে তিনটি ধাপ আলাদা করে দেখতে হবে।

প্রথম উচ্চতর গ্রেড

কোনো স্থায়ী কর্মচারী পদোন্নতি ছাড়া একই পদে ৮ বছর পূর্ণ করলে, চাকরি সন্তোষজনক হওয়া সাপেক্ষে ৯ম বছরে পরবর্তী উচ্চতর গ্রেড পাওয়ার বিধান রয়েছে।

দ্বিতীয় উচ্চতর গ্রেড

প্রথম উচ্চতর গ্রেড পাওয়ার পর একই পদে আরও ৬ বছর সন্তোষজনক চাকরি পূর্ণ হলে পরবর্তী উচ্চতর গ্রেড পাওয়ার সুযোগ রয়েছে।

তৃতীয় উচ্চতর গ্রেড

বিশেষ করে ব্লকড বা পদোন্নতিবিহীন পদের ক্ষেত্রে দ্বিতীয় উচ্চতর গ্রেড পাওয়ার পর আরও ৮ বছর একই পদে চাকরি পূর্ণ হলে ৯ম বছরে তৃতীয় উচ্চতর গ্রেড পাওয়ার বিধান রয়েছে।

এভাবে হিসাব করলে অনেক কর্মচারীর দীর্ঘ চাকরিজীবনে তিন ধাপে উচ্চতর গ্রেড পাওয়ার সুযোগ তৈরি হতে পারে।


আবেদন করতে কী কী তথ্য উল্লেখ করবেন?

তৃতীয় উচ্চতর গ্রেডের আবেদন করার সময় শুধু একটি লাইন লিখে আবেদন করলেই যথেষ্ট নয়। নিজের চাকরির ইতিহাস পরিষ্কারভাবে তুলে ধরা গুরুত্বপূর্ণ।

আবেদনে নিম্নোক্ত তথ্যগুলো রাখা যেতে পারে—

১. কর্মচারীর নাম ও পদবি
বর্তমানে যে পদে কর্মরত আছেন সেটি উল্লেখ করতে হবে।

২. কর্মস্থল ও দপ্তরের নাম
কোন দপ্তর/অধিদপ্তর/সংস্থায় কর্মরত তা উল্লেখ করতে হবে।

৩. চাকরিতে যোগদানের তারিখ
কবে বর্তমান চাকরিতে যোগদান করেছেন তা দিতে হবে।

৪. প্রথম উচ্চতর গ্রেডের তারিখ
প্রথম উচ্চতর গ্রেড, সিলেকশন গ্রেড বা প্রযোজ্য পুরোনো স্কেলের তথ্য দিতে হবে।

৫. দ্বিতীয় উচ্চতর গ্রেডের তারিখ
তৃতীয় উচ্চতর গ্রেডের হিসাবের জন্য এটি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য।

৬. পদোন্নতির সুযোগ নেই—এ তথ্য
সংশ্লিষ্ট পদে পদোন্নতির বিধান না থাকলে তা উল্লেখ করতে হবে।

৭. প্রযোজ্য গেজেটের বিধান
জাতীয় বেতনস্কেল-২০২৬-এর উচ্চতর গ্রেড সংক্রান্ত অনুচ্ছেদের উল্লেখ করা যেতে পারে।

৮. ৮ বছর পূর্তির হিসাব
দ্বিতীয় উচ্চতর গ্রেড পাওয়ার তারিখ থেকে ৮ বছর পূর্ণ হওয়ার বিষয়টি স্পষ্ট করতে হবে।

৯. প্রয়োজনীয় সংযুক্তি
প্রযোজ্য ক্ষেত্রে পূর্বের উচ্চতর গ্রেডের আদেশ, চাকরির প্রমাণপত্র, সার্ভিস বুকের সংশ্লিষ্ট তথ্য বা অন্যান্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সংযুক্ত করা যেতে পারে।


“স্বয়ংক্রিয়” মানে কি আবেদন ছাড়াই গ্রেড হয়ে যাবে?

এখানেই অনেক কর্মচারীর মধ্যে ভুল বোঝাবুঝি তৈরি হচ্ছে।

বেতনস্কেলের ভাষায় উচ্চতর গ্রেডকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে প্রাপ্য বলা হলেও এর অর্থ এই নয় যে কর্মচারীর বেতন কোনো প্রশাসনিক প্রক্রিয়া ছাড়াই নিজে নিজে পরিবর্তন হয়ে যাবে।

প্রকাশিত ব্যাখ্যা অনুযায়ী, স্বয়ংক্রিয়তার অর্থ হলো নির্ধারিত শর্ত পূরণ হলে বিষয়টি নিয়মিত পদোন্নতির মতো জটিল প্রক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত হবে না; সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমোদন ও প্রয়োজনীয় অফিস আদেশের মাধ্যমে উচ্চতর গ্রেডের বিষয়টি নিষ্পত্তি করা হবে।

এ কারণেই যোগ্য কর্মচারীরা আবেদন করে নিজেদের প্রাপ্যতা কর্তৃপক্ষের কাছে উপস্থাপন করছেন।


আবেদনপত্রের একটি ব্যবহারযোগ্য নমুনা

যোগ্য কর্মচারীরা নিজেদের তথ্য বসিয়ে নিচের কাঠামো অনুসরণ করতে পারেন—

বরাবর
বিভাগীয় সংস্থাপন কর্মকর্তা
[দপ্তর/সংস্থার নাম]

মাধ্যম: যথাযথ কর্তৃপক্ষ

বিষয়: ৮ বছর পূর্তিতে তৃতীয় উচ্চতর গ্রেড মঞ্জুরির জন্য আবেদন।

জনাব,

যথাযথ সম্মানপূর্বক বিনীত নিবেদন এই যে, আমি [নাম], [পদবি] হিসেবে [দপ্তর/কর্মস্থল]-এ কর্মরত আছি। আমি [যোগদানের তারিখ] তারিখে চাকরিতে যোগদান করি।

পরবর্তীতে আমি [প্রথম উচ্চতর গ্রেডের তারিখ] তারিখে প্রথম উচ্চতর গ্রেড এবং [দ্বিতীয় উচ্চতর গ্রেডের তারিখ] তারিখে দ্বিতীয় উচ্চতর গ্রেড প্রাপ্ত হই। আমার কর্মরত পদটি [ব্লকড/পদোন্নতিবিহীন] হওয়ায় জাতীয় বেতনস্কেল-২০২৬-এর উচ্চতর গ্রেড সংক্রান্ত বিধান অনুযায়ী দ্বিতীয় উচ্চতর গ্রেড প্রাপ্তির তারিখ থেকে ৮ বছর পূর্তিতে ৯ম বছরে তৃতীয় উচ্চতর গ্রেড প্রাপ্য হওয়ার যোগ্যতা অর্জন করেছি।

এমতাবস্থায়, জাতীয় বেতনস্কেল-২০২৬-এর সংশ্লিষ্ট বিধান অনুযায়ী আমাকে প্রাপ্য তারিখে তৃতীয় উচ্চতর গ্রেড মঞ্জুরির প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য মহোদয়ের সদয় মর্জি কামনা করছি।

বিনীত নিবেদক
নাম: __________
পদবি: __________
কর্মস্থল: __________
কর্মচারী আইডি: __________
যোগদানের তারিখ: __________
দ্বিতীয় উচ্চতর গ্রেডের তারিখ: __________
মোবাইল নম্বর: __________
তারিখ: __________
স্বাক্ষর: __________


১ জুলাই ২০২৬-এর বিষয়টি কেন গুরুত্বপূর্ণ?

নতুন বেতনস্কেল কার্যকর হয়েছে ১ জুলাই ২০২৬ থেকে। সরকারি গেজেটের মাধ্যমে জাতীয় বেতনস্কেল-২০২৬-এর আদেশ জারি করা হয়েছে ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬।

তাই পুরোনো সময়ে যোগ্যতা তৈরি হয়েছে কি না এবং নতুন বেতনস্কেলের অধীনে কখন সুবিধাটি কার্যকর হবে—এই দুই বিষয় আলাদাভাবে দেখতে হবে।

বিশেষ করে তৃতীয় উচ্চতর গ্রেডের ক্ষেত্রে প্রকাশিত বিধানে ১ জুলাই ২০২৬-এর আগে এ ধরনের তৃতীয় উচ্চতর গ্রেড প্রদান না করার বিষয়টিও উল্লেখ রয়েছে। ফলে পুরোনো তারিখে যোগ্যতা তৈরি হয়েছে দাবি করলেও নতুন বেতনস্কেলের কার্যকারিতা ও সংশ্লিষ্ট বিধান অনুসারে প্রাপ্যতার তারিখ নির্ধারণ করতে হবে।


পে-ফিক্সেশনের সময় বিষয়টি আরও গুরুত্বপূর্ণ

বর্তমানে জাতীয় বেতনস্কেল-২০২৬ অনুযায়ী পে-ফিক্সেশন কার্যক্রম চলায় কর্মচারীদের পূর্বের পদোন্নতি, উচ্চতর গ্রেড, টাইম স্কেল, সিলেকশন গ্রেড ও বেতন নির্ধারণের ইতিহাস সঠিকভাবে যাচাই করা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে পে-ফিক্সেশনের সময় এসব পূর্ববর্তী তথ্য যাচাইয়ের বিষয়টি গুরুত্ব পেয়েছে।

অর্থাৎ তৃতীয় উচ্চতর গ্রেডের আবেদন করার আগে নিজের পুরোনো বেতন-সংক্রান্ত আদেশগুলো মিলিয়ে দেখা জরুরি। কোনো পূর্ববর্তী গ্রেডের তারিখ ভুল থাকলে পরবর্তী উচ্চতর গ্রেডের হিসাবেও প্রভাব পড়তে পারে।


কর্মচারীদের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বার্তা

তৃতীয় উচ্চতর গ্রেডের আবেদন করতে গিয়ে সবচেয়ে বড় ভুল হতে পারে শুধু চাকরির মোট বয়স দেখে আবেদন করা। এখানে মূল হিসাব করতে হবে দ্বিতীয় উচ্চতর গ্রেড পাওয়ার তারিখ থেকে।

একই সঙ্গে নিশ্চিত হতে হবে—

  • পদটি ব্লকড বা পদোন্নতিবিহীন কি না;
  • প্রথম ও দ্বিতীয় উচ্চতর গ্রেড যথাযথভাবে গণনাযোগ্য কি না;
  • দ্বিতীয় উচ্চতর গ্রেড পাওয়ার পর ৮ বছর পূর্ণ হয়েছে কি না;
  • চাকরি সন্তোষজনক কি না;
  • পূর্বে পাওয়া টাইম স্কেল/সিলেকশন গ্রেড নতুন বিধানের অধীনে কীভাবে বিবেচিত হবে;
  • ১ জুলাই ২০২৬-এর পর প্রাপ্যতার বিধান প্রযোজ্য কি না।

কারণ জাতীয় বেতনস্কেল-২০২৬-এ পূর্বে পাওয়া উচ্চতর স্কেল/টাইম স্কেল/সিলেকশন গ্রেডের হিসাব নিয়েও পৃথক বিধান রয়েছে। ফলে প্রত্যেক কর্মচারীর ক্ষেত্রে একই হিসাব প্রযোজ্য হবে না।

সারসংক্ষেপ

জাতীয় বেতনস্কেল-২০২৬-এর উচ্চতর গ্রেডের বিধান দীর্ঘদিন একই পদে কর্মরত এবং পদোন্নতির সুযোগ থেকে বঞ্চিত কর্মচারীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ তৈরি করেছে। প্রথম উচ্চতর গ্রেডের জন্য ৮ বছর, পরবর্তীটির জন্য ৬ বছর এবং বিশেষ ক্ষেত্রে দ্বিতীয় উচ্চতর গ্রেডের পর আরও ৮ বছর পূর্তিতে তৃতীয় উচ্চতর গ্রেডের সুযোগ—এই কাঠামোটি এখন কর্মচারীদের বেতন-সুবিধা নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

তাই যারা মনে করছেন দ্বিতীয় উচ্চতর গ্রেড পাওয়ার পর ৮ বছর পূর্ণ হয়েছে, তারা নিজেদের সার্ভিস রেকর্ড ও পূর্বের গ্রেডের আদেশ যাচাই করে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন করতে পারেন। সামনে আসা আবেদনপত্রটি এ ক্ষেত্রে একটি ব্যবহারযোগ্য নমুনা হিসেবে বিবেচনা করা যেতে পারে; তবে আবেদন করার আগে নিজের চাকরির তথ্য ও প্রযোজ্য বিধান অবশ্যই মিলিয়ে নেওয়া উচিত।

৩য় উচ্চতর গ্রেড পেতে যেভাবে আবেদন করবেন

admin

আমি একজন সরকারী চাকরিজীবি। দীর্ঘ ১০ বছর যাবৎ চাকুরির সুবাদে সরকারি চাকরি বিধি বিধান নিয়ে পড়াশুনা করছি। বিএসআর ব্লগে সরকারি আদেশ, গেজেট, প্রজ্ঞাপন ও পরিপত্র পোস্ট করা হয়। এ ব্লগের কোন পোস্ট নিয়ে প্রশ্ন থাকলে বা ব্যাখ্যা জানতে পোস্টের নিচে কমেন্ট করুন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *