সর্বশেষ প্রকাশিত পোস্টসমূহ

৯ম পে-স্কেলের গেজেট প্রকাশে গড়িমসি: ৯ ফেব্রুয়ারি সারা দেশে কঠোর কর্মসূচির ডাক

দ্রব্যমূল্যের লাগামহীন ঊর্ধ্বগতি এবং দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর ৯ম জাতীয় বেতন স্কেলের গেজেট প্রকাশ না হওয়ায় ফুঁসে উঠেছেন প্রজাতন্ত্রের কর্মচারীরা। ‘বাংলাদেশ সরকারি কর্মচারী দাবি আদায় ঐক্য পরিষদ’-এর পক্ষ থেকে আজ এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে আগামী ৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ থেকে সারা দেশে কঠোর আন্দোলনের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।

আন্দোলনের মূল প্রেক্ষাপট

সংগঠনটির নেতৃবৃন্দ অভিযোগ করেছেন যে, বিগত সাত বছর ধরে তারা বেতন বৈষম্য দূরীকরণ এবং নতুন পে-স্কেলের দাবিতে শান্তিপূর্ণ আন্দোলন করে আসছেন। সম্প্রতি জ্বালানি উপদেষ্টার একটি মন্তব্যকে কেন্দ্র করে কর্মচারীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। আন্দোলনকারীদের দাবি, পে-কমিশনের প্রতিবেদন জমা হওয়ার পরও সরকার গেজেট প্রকাশে অহেতুক কালক্ষেপণ করছে, যা কর্মচারীদের চরম আর্থিক সংকটে ঠেলে দিচ্ছে।

ঘোষিত নতুন কর্মসূচি

আজকের সংবাদ সম্মেলনে ঐক্য পরিষদের সদস্য সচিব মো. মাহমুদুল হাসান ও সভাপতি মো. ওয়ারেছ আলী স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে নতুন কর্মসূচির রূপরেখা তুলে ধরা হয়:

  • ১-৩ ফেব্রুয়ারি: সারা দেশের সকল সরকারি, আধা-সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানে প্রতিদিন ২ ঘণ্টার (সকাল ৯টা থেকে ১১টা) অবস্থান ধর্মঘট ও বিক্ষোভ পালন।

  • ৪-৮ ফেব্রুয়ারি: জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রচারপত্র বিলি এবং স্থানীয় প্রশাসনের মাধ্যমে সরকারকে আল্টিমেটাম প্রদান।

  • ৯ ফেব্রুয়ারি: দাবি মানা না হলে সারা দেশে কর্মবিরতিসহ কেন্দ্রীয়ভাবে মহাসমাবেশ ও সচিবালয় ঘেরাওয়ের মতো কঠোর কর্মসূচি।

কর্মচারীদের ৭ দফা দাবি

ঐক্য পরিষদের উত্থাপিত প্রধান দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে: ১. অভিন্ন নিয়োগ বিধিমালা প্রণয়ন এবং ২০টি গ্রেড কমিয়ে ১২-১৫টি গ্রেডে রূপান্তর। ২. সর্বনিম্ন বেতন ৩৫,০০০ টাকা নির্ধারণ করে ৯ম পে-স্কেলের গেজেট প্রকাশ। ৩. আউটসোর্সিং প্রথা বিলুপ্ত করে সরাসরি জনবল নিয়োগ ও কর্মরতদের স্থায়ীকরণ। ৪. ব্লক পোস্ট প্রথা বাতিল করে সকল পদে পদোন্নতির সুযোগ নিশ্চিত করা। ৫. সচিবালয়ের ন্যায় সচিবালয় বহির্ভূত দপ্তর ও প্রতিষ্ঠানের পদবি পরিবর্তন। ৬. শতভাগ পেনশন ও টাইম স্কেল-সিলেকশন গ্রেড পুনর্বহাল। ৭. বাজারদরের সাথে সংগতি রেখে চিকিৎসা, যাতায়াত ও শিক্ষা ভাতা বৃদ্ধি।

নেতাদের হুঁশিয়ারি

সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা বলেন, “আমরা আর কোনো আশ্বাস চাই না, আমরা দৃশ্যমান গেজেট চাই। ১ জানুয়ারি থেকে পে-স্কেল কার্যকর করার যে অঙ্গীকার ছিল, তা রক্ষা করতে হবে। অন্যথায় ৯ ফেব্রুয়ারি থেকে সারা দেশের সরকারি চাকা অচল করে দেওয়া হবে।”

উল্লেখ্য যে, গত কয়েকদিন ধরেই পাবনা, মাগুরা, বরগুনা ও পটুয়াখালীসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় কর্মচারীরা বিক্ষোভ সমাবেশ ও মানববন্ধন করে আসছেন। আজকের এই ঘোষণার পর আন্দোলন আরও বেগবান হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

দ্রব্যমূল্যের লাগামহীন ঊর্ধ্বগতি এবং দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর ৯ম জাতীয় বেতন স্কেলের গেজেট প্রকাশ না হওয়ায় ফুঁসে উঠেছেন প্রজাতন্ত্রের কর্মচারীরা। ‘বাংলাদেশ সরকারি কর্মচারী দাবি আদায় ঐক্য পরিষদ’-এর পক্ষ থেকে আজ এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে আগামী ৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ থেকে সারা দেশে কঠোর আন্দোলনের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।আন্দোলনের মূল প্রেক্ষাপট
সংগঠনটির নেতৃবৃন্দ অভিযোগ করেছেন যে, বিগত সাত বছর ধরে তারা বেতন বৈষম্য দূরীকরণ এবং নতুন পে-স্কেলের দাবিতে শান্তিপূর্ণ আন্দোলন করে আসছেন। সম্প্রতি জ্বালানি উপদেষ্টার একটি মন্তব্যকে কেন্দ্র করে কর্মচারীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। আন্দোলনকারীদের দাবি, পে-কমিশনের প্রতিবেদন জমা হওয়ার পরও সরকার গেজেট প্রকাশে অহেতুক কালক্ষেপণ করছে, যা কর্মচারীদের চরম আর্থিক সংকটে ঠেলে দিচ্ছে।ঘোষিত নতুন কর্মসূচি
আজকের সংবাদ সম্মেলনে ঐক্য পরিষদের সদস্য সচিব মো. মাহমুদুল হাসান ও সভাপতি মো. ওয়ারেছ আলী স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে নতুন কর্মসূচির রূপরেখা তুলে ধরা হয়:১-৩ ফেব্রুয়ারি: সারা দেশের সকল সরকারি, আধা-সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানে প্রতিদিন ২ ঘণ্টার (সকাল ৯টা থেকে ১১টা) অবস্থান ধর্মঘট ও বিক্ষোভ পালন।৪-৮ ফেব্রুয়ারি: জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রচারপত্র বিলি এবং স্থানীয় প্রশাসনের মাধ্যমে সরকারকে আল্টিমেটাম প্রদান।৯ ফেব্রুয়ারি: দাবি মানা না হলে সারা দেশে কর্মবিরতিসহ কেন্দ্রীয়ভাবে মহাসমাবেশ ও সচিবালয় ঘেরাওয়ের মতো কঠোর কর্মসূচি।কর্মচারীদের ৭ দফা দাবি
ঐক্য পরিষদের উত্থাপিত প্রধান দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে: ১. অভিন্ন নিয়োগ বিধিমালা প্রণয়ন এবং ২০টি গ্রেড কমিয়ে ১২-১৫টি গ্রেডে রূপান্তর। ২. সর্বনিম্ন বেতন ৩৫,০০০ টাকা নির্ধারণ করে ৯ম পে-স্কেলের গেজেট প্রকাশ। ৩. আউটসোর্সিং প্রথা বিলুপ্ত করে সরাসরি জনবল নিয়োগ ও কর্মরতদের স্থায়ীকরণ। ৪. ব্লক পোস্ট প্রথা বাতিল করে সকল পদে পদোন্নতির সুযোগ নিশ্চিত করা। ৫. সচিবালয়ের ন্যায় সচিবালয় বহির্ভূত দপ্তর ও প্রতিষ্ঠানের পদবি পরিবর্তন। ৬. শতভাগ পেনশন ও টাইম স্কেল-সিলেকশন গ্রেড পুনর্বহাল। ৭. বাজারদরের সাথে সংগতি রেখে চিকিৎসা, যাতায়াত ও শিক্ষা ভাতা বৃদ্ধি।নেতাদের হুঁশিয়ারি
সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা বলেন, “আমরা আর কোনো আশ্বাস চাই না, আমরা দৃশ্যমান গেজেট চাই। ১ জানুয়ারি থেকে পে-স্কেল কার্যকর করার যে অঙ্গীকার ছিল, তা রক্ষা করতে হবে। অন্যথায় ৯ ফেব্রুয়ারি থেকে সারা দেশের সরকারি চাকা অচল করে দেওয়া হবে।”উল্লেখ্য যে, গত কয়েকদিন ধরেই পাবনা, মাগুরা, বরগুনা ও পটুয়াখালীসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় কর্মচারীরা বিক্ষোভ সমাবেশ ও মানববন্ধন করে আসছেন। আজকের এই ঘোষণার পর আন্দোলন আরও বেগবান হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

admin

আমি একজন সরকারী চাকরিজীবি। দীর্ঘ ১০ বছর যাবৎ চাকুরির সুবাদে সরকারি চাকরি বিধি বিধান নিয়ে পড়াশুনা করছি। বিএসআর ব্লগে সরকারি আদেশ, গেজেট, প্রজ্ঞাপন ও পরিপত্র পোস্ট করা হয়। এ ব্লগের কোন পোস্ট নিয়ে প্রশ্ন থাকলে বা ব্যাখ্যা জানতে পোস্টের নিচে কমেন্ট করুন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *