পল্লী সঞ্চয় ব্যাংকে সর্বপ্রথম নবম পে-স্কেল কার্যকর, ৪৫ পদের বেতন পুনর্নির্ধারণ
নবম জাতীয় পে-স্কেল ২০২৬ বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে দৃশ্যমান প্রাতিষ্ঠানিক পদক্ষেপ নিয়েছে পল্লী সঞ্চয় ব্যাংক। ব্যাংকটির কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নতুন বেতন কাঠামো অনুযায়ী মূল বেতন নির্ধারণ করে ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে ‘কর্মী সংক্রান্ত ঘোষণা’ জারি করা হয়েছে। প্রকাশিত নথিতে বিভিন্ন পদে কর্মরত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ২০২৬ সালের জাতীয় বেতন স্কেল অনুযায়ী প্রাপ্য মূল বেতন, বেতন বৃদ্ধির পরিমাণ এবং ধাপে ধাপে প্রাপ্য বেতন নির্ধারণের হিসাব তুলে ধরা হয়েছে।
প্রাপ্ত নথি বিশ্লেষণে দেখা যায়, পল্লী সঞ্চয় ব্যাংকের অন্তত ৪৫টি পদ/পদমর্যাদার জন্য নতুন বেতন নির্ধারণের হিসাব করা হয়েছে। ফলে নবম পে-স্কেল নিয়ে এতদিনের আলোচনা এখন বাস্তব বেতন নির্ধারণের পর্যায়ে পৌঁছেছে।
২৩ সেপ্টেম্বরের আদেশে যা বলা হয়েছে
পল্লী সঞ্চয় ব্যাংকের প্রধান কার্যালয় থেকে জারি করা ঘোষণায় বলা হয়েছে, ব্যাংকে কর্মরত নির্ধারিত পদগুলোর কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জাতীয় বেতন স্কেল ২০২৬ অনুযায়ী প্রাপ্য মূল বেতন নির্ধারণ করা হয়েছে।
নথিতে প্রতিটি পদের ক্ষেত্রে একাধিক ধাপে হিসাব দেখানো হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে—
- ২০১৫ সালের জাতীয় বেতন স্কেল অনুযায়ী মূল বেতন;
- ৩০ জুন ২০২৬ তারিখে প্রাপ্ত/নির্ধারিত মূল বেতন;
- বেতন বৃদ্ধির পরিমাণ;
- জাতীয় বেতন স্কেল ২০২৬ অনুযায়ী নির্ধারিত মূল বেতন;
- ২০২৬ সালের নতুন বেতন কাঠামো অনুযায়ী ধাপে ধাপে প্রাপ্য বেতন;
- ১ জুলাই ২০২৬ থেকে প্রযোজ্য বেতন;
- ২০২৬ সালের অবশিষ্ট সময়ের হিসাব;
- ২০২৭ সালে পরবর্তী ধাপে প্রাপ্য বেতন এবং
- ২০২৭ সালের পরবর্তী পর্যায়ে পূর্ণ বেতন বাস্তবায়নের হিসাব।
অর্থাৎ, শুধু নতুন একটি মূল বেতন নির্ধারণ করা হয়নি; বরং পুরোনো বেতন, বেতন বৃদ্ধির পার্থক্য এবং নতুন পে-স্কেলের ধাপভিত্তিক বাস্তবায়ন—সবকিছুর সমন্বিত হিসাব করা হয়েছে।
১ জুলাই ২০২৬ থেকেই পে-স্কেল কার্যকর ধরা হয়েছে
নথির সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোর একটি হলো—জাতীয় বেতন স্কেল ২০২৬ কার্যকরের তারিখ ১ জুলাই ২০২৬ ধরা হয়েছে। জাতীয় পর্যায়েও নতুন পে-স্কেলের প্রজ্ঞাপন ১ জুলাই ২০২৬ থেকে কার্যকর করা হয়েছে এবং ধাপে ধাপে মূল বেতন বাস্তবায়নের কথা বলা হয়েছে।
পল্লী সঞ্চয় ব্যাংকের নিজস্ব বেতন নির্ধারণী হিসাবেও সেই কার্যকর তারিখকে ভিত্তি হিসেবে নেওয়া হয়েছে।
ফলে ব্যাংকের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ক্ষেত্রে শুধু সামনে থেকে নতুন বেতন দেওয়ার বিষয় নয়; ১ জুলাই ২০২৬ থেকে প্রাপ্য পার্থক্য বা বকেয়া হিসাবও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
বিশেষ সুবিধা নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা
নথিতে জাতীয় বেতন স্কেল ২০২৬-এর সংশ্লিষ্ট বিধান অনুসারে বিশেষ সুবিধা সমন্বয়ের বিষয়টি স্পষ্ট করা হয়েছে।
অর্থাৎ, নতুন পে-স্কেল কার্যকর হওয়ার তারিখ থেকে বিশেষ সুবিধা বিলুপ্ত/সমন্বয়যোগ্য হিসেবে গণ্য হবে। ১ জুলাই ২০২৬ থেকে পল্লী সঞ্চয় ব্যাংকের এই আদেশ জারির তারিখ পর্যন্ত কোনো কর্মকর্তা-কর্মচারী বিশেষ সুবিধা পেয়ে থাকলে, সেই অর্থ পরবর্তী সময়ে প্রাপ্য বকেয়ার সঙ্গে সমন্বয় করতে হবে।
এ কারণে নতুন বেতন নির্ধারণের পর প্রত্যেক কর্মচারীর হাতে পাওয়া অর্থ সরাসরি ‘বেসিক বৃদ্ধি’ দিয়ে হিসাব করলে হবে না; আগে পাওয়া বিশেষ সুবিধা এবং নতুন বেতন কাঠামোর বকেয়া—দুটিই সমন্বয় করতে হবে।
বাড়িভাড়া ভাতায় তাৎক্ষণিক পরিবর্তন নয়
পল্লী সঞ্চয় ব্যাংকের আদেশের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো বাড়িভাড়া ভাতা।
নথিতে বলা হয়েছে, জাতীয় বেতন স্কেল ২০২৬-এর সংশ্লিষ্ট বিধান অনুযায়ী ৩০ জুন ২০২৬ তারিখে যে হারে বাড়িভাড়া ভাতা প্রাপ্য ছিল, সেই হার ৩১ ডিসেম্বর ২০২৭ পর্যন্ত বহাল থাকবে।
এরপর ১ জানুয়ারি ২০২৮ থেকে জাতীয় বেতন স্কেল ২০২৬-এ নির্ধারিত হারে বাড়িভাড়া ভাতা প্রদান করা হবে।
অর্থাৎ নতুন পে-স্কেল কার্যকর হলেও সব ভাতা একই সঙ্গে নতুন হারে কার্যকর হচ্ছে না। মূল বেতন এবং ভাতার ক্ষেত্রে আলাদা বাস্তবায়ন সময়সূচি রাখা হয়েছে।
উৎসব ও বাংলা নববর্ষ ভাতাতেও রয়েছে দুই ধাপ
নথিতে অন্যান্য ভাতার বিষয়েও স্পষ্ট নির্দেশনা রয়েছে।
উৎসব ভাতা ও বাংলা নববর্ষ ভাতাসহ অন্যান্য সংশ্লিষ্ট ভাতা ৩০ জুন ২০২৬ তারিখ পর্যন্ত যে হারে প্রাপ্য ছিল, সেই হারে ৩১ ডিসেম্বর ২০২৭ পর্যন্ত দেওয়ার কথা বলা হয়েছে।
এরপর ১ জানুয়ারি ২০২৮ থেকে জাতীয় বেতন স্কেল ২০২৬ অনুযায়ী নির্ধারিত হারে এসব ভাতা দেওয়ার কথা বলা হয়েছে।
অর্থাৎ পল্লী সঞ্চয় ব্যাংকের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য নতুন পে-স্কেলের বাস্তবায়নকে মোটামুটি দুই ভাগে দেখা যায়—
| বিষয় | ১ জুলাই ২০২৬–৩১ ডিসেম্বর ২০২৭ | ১ জানুয়ারি ২০২৮ থেকে |
|---|---|---|
| নতুন মূল বেতন | নতুন স্কেলের ধাপে ধাপে বাস্তবায়ন | পূর্ণ নির্ধারিত হার |
| বাড়িভাড়া ভাতা | পুরোনো প্রযোজ্য হার | নতুন স্কেলের হার |
| উৎসব ভাতা | পুরোনো প্রযোজ্য হার | নতুন স্কেলের হার |
| বাংলা নববর্ষ ভাতা | পুরোনো প্রযোজ্য হার | নতুন স্কেলের হার |
| অন্যান্য ভাতা | সংশ্লিষ্ট বিধান অনুযায়ী | জাতীয় বেতন স্কেল ২০২৬ অনুযায়ী |
বিভিন্ন পদের বেতন পুনর্নির্ধারণ
পল্লী সঞ্চয় ব্যাংকের প্রকাশিত তালিকায় ব্যবস্থাপনা পরিচালক থেকে শুরু করে বিভিন্ন গ্রেডের কর্মকর্তা, কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং সহায়ক পর্যায়ের পদ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
নথির প্রথম দিকের তালিকায় দেখা যায়, ব্যবস্থাপনা পরিচালক (গ্রেড-১) পদের ক্ষেত্রে ২০১৫ সালের স্কেলের ৭৮ হাজার টাকা মূল বেতনকে ভিত্তি ধরে নতুন কাঠামোয় ১ লাখ ৫৬ হাজার টাকা পর্যন্ত মূল বেতনের হিসাব দেখানো হয়েছে।
একইভাবে উপব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক, বিভিন্ন পর্যায়ের উপমহাব্যবস্থাপক, সহকারী মহাব্যবস্থাপক, সিনিয়র প্রিন্সিপাল অফিসার, প্রিন্সিপাল অফিসার, সিনিয়র অফিসার, অফিসারসহ বিভিন্ন পদে আলাদা আলাদা হিসাব দেওয়া হয়েছে।
নিচের দিকের পদগুলোর ক্ষেত্রেও নতুন স্কেল অনুযায়ী মূল বেতন পুনর্নির্ধারণ করা হয়েছে। ফলে এটি শুধু শীর্ষ কর্মকর্তাদের জন্য নয়; ব্যাংকের বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীই নতুন বেতন কাঠামোর আওতায় আসছেন।
উদাহরণ হিসেবে কয়েকটি স্তর
| পদ/গ্রেড | পুরোনো স্কেলের ভিত্তি | নতুন স্কেলে নির্ধারিত মূল বেতন* |
|---|---|---|
| ব্যবস্থাপনা পরিচালক, গ্রেড-১ | ৭৮,০০০ টাকা | ১,৫৬,০০০ টাকা |
| উপব্যবস্থাপনা পরিচালক, গ্রেড-২ | ৬৬,০০০ টাকা | নতুন স্কেল অনুযায়ী পুনর্নির্ধারিত |
| মহাব্যবস্থাপক, গ্রেড-২ | ৬৬,০০০ টাকা | নতুন স্কেল অনুযায়ী পুনর্নির্ধারিত |
| বিভিন্ন গ্রেডের কর্মকর্তা | পদভেদে ভিন্ন | ধাপে ধাপে পুনর্নির্ধারিত |
| নিম্ন গ্রেডের কর্মী | বিদ্যমান বেতনভিত্তিক | নতুন স্কেল অনুযায়ী পুনর্নির্ধারিত |
*উপরের উদাহরণগুলো নথিতে দৃশ্যমান বেতন-নির্ধারণী হিসাবের ভিত্তিতে উপস্থাপন করা হয়েছে; ব্যক্তিভেদে ৩০ জুন ২০২৬-এর প্রকৃত মূল বেতন, ইনক্রিমেন্ট ও পদভিত্তিক ধাপের কারণে চূড়ান্ত প্রাপ্য ভিন্ন হতে পারে।
শুধু নতুন বেসিক নয়, বকেয়াও গুরুত্বপূর্ণ
পল্লী সঞ্চয় ব্যাংকের এই আদেশের পর কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন হবে—১ জুলাই ২০২৬ থেকে কত টাকা বকেয়া পাওয়া যাবে?
এর উত্তর নির্ভর করবে প্রত্যেক কর্মচারীর—
- ৩০ জুন ২০২৬ তারিখের মূল বেতন,
- নতুন স্কেলে নির্ধারিত মূল বেতন,
- ১ জুলাই ২০২৬ থেকে কার্যকর ধাপ,
- ইতোমধ্যে পাওয়া বিশেষ সুবিধা,
- প্রযোজ্য অন্যান্য ভাতা এবং
- সংশ্লিষ্ট সময়ের চাকরির অবস্থানের ওপর।
অতএব, একই পদে থাকা দুই কর্মচারীরও ইনক্রিমেন্ট বা ৩০ জুনের বেসিক ভিন্ন হলে বকেয়ার পরিমাণ একই নাও হতে পারে।
২০২৭ ও ২০২৮ সালের পরিবর্তন কেন গুরুত্বপূর্ণ?
নথির নির্দেশনা অনুযায়ী, পল্লী সঞ্চয় ব্যাংকের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য মূল বেতন এবং ভাতার বাস্তবায়ন একই সময়ে শতভাগ হচ্ছে না।
মূল বেতনের নতুন কাঠামো ধাপে ধাপে কার্যকর হবে। অন্যদিকে বাড়িভাড়া, উৎসব ভাতা, বাংলা নববর্ষ ভাতাসহ উল্লেখযোগ্য কিছু ভাতা ৩১ ডিসেম্বর ২০২৭ পর্যন্ত পুরোনো প্রযোজ্য হারে চলবে।
এর ফলে ২০২৬ সালের জুলাই থেকে নতুন বেতন কাঠামোর সুবিধা শুরু হলেও ২০২৮ সালের ১ জানুয়ারি থেকে বেতন-ভাতার কাঠামো আরও পূর্ণাঙ্গভাবে নতুন হারে কার্যকর হওয়ার চিত্র পাওয়া যাচ্ছে।
৪৫টি পদে আলাদা হিসাব—কর্মীদের জন্য কেন গুরুত্বপূর্ণ?
পল্লী সঞ্চয় ব্যাংকের নথিতে ধারাবাহিকভাবে বিভিন্ন পদকে অন্তর্ভুক্ত করে বেতন নির্ধারণ করা হয়েছে। তালিকাটি দেখায়, পে-স্কেল বাস্তবায়ন এখন শুধু সরকারি প্রজ্ঞাপন পর্যায়ে সীমাবদ্ধ নেই; প্রতিষ্ঠানভিত্তিক কর্মীদের ব্যক্তিগত বেতন নির্ধারণের হিসাবও তৈরি হচ্ছে।
এর ফলে অন্যান্য ব্যাংক, আর্থিক প্রতিষ্ঠান ও স্বায়ত্তশাসিত/রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানের কর্মীদের মধ্যেও নতুন করে প্রত্যাশা তৈরি হতে পারে যে, সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোও নিজেদের জনবলের জন্য একইভাবে বেতন নির্ধারণী আদেশ জারি করবে।
ভুল-ত্রুটি হলে পরবর্তী নিরীক্ষায় সমন্বয়
পল্লী সঞ্চয় ব্যাংকের ঘোষণায় ভবিষ্যৎ নিরীক্ষার বিষয়টিও উল্লেখ করা হয়েছে। অভ্যন্তরীণ নিরীক্ষা, বাণিজ্যিক নিরীক্ষা, বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিদর্শন অথবা অন্য কোনো নিরীক্ষায় বেতন নির্ধারণে ভুল, ত্রুটি বা আপত্তি ধরা পড়লে তা বিধি অনুযায়ী নিষ্পত্তি/সমন্বয়ের বিষয়টি বিবেচনায় থাকবে।
এ কারণে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য নিজ নিজ বেতন নির্ধারণের হিসাব, ৩০ জুন ২০২৬-এর মূল বেতন, ইনক্রিমেন্ট এবং বকেয়া—সবকিছু যাচাই করে রাখা গুরুত্বপূর্ণ।
পল্লী সঞ্চয় ব্যাংকের ঘোষণার তাৎপর্য
নবম জাতীয় পে-স্কেল ২০২৬ নিয়ে দীর্ঘ সময় ধরে আলোচনা ও অপেক্ষার পর এখন বাস্তব পর্যায়ে বেতন নির্ধারণ শুরু হয়েছে। পল্লী সঞ্চয় ব্যাংকের ২৩ সেপ্টেম্বরের ঘোষণা সেই বাস্তবায়নের একটি গুরুত্বপূর্ণ উদাহরণ।
বিশেষ করে নথিটি থেকে তিনটি বিষয় পরিষ্কারভাবে সামনে আসে—
প্রথমত, নতুন পে-স্কেল অনুযায়ী কর্মীদের মূল বেতন পুনর্নির্ধারণ করা হয়েছে।
দ্বিতীয়ত, ১ জুলাই ২০২৬ থেকে কার্যকর ধাপ অনুযায়ী বেতন ও সম্ভাব্য বকেয়ার হিসাব তৈরি করা হয়েছে।
তৃতীয়ত, সব ভাতা একই সঙ্গে নতুন হারে কার্যকর হচ্ছে না; বাড়িভাড়া, উৎসব ভাতা ও বাংলা নববর্ষ ভাতার মতো বিষয়গুলো ২০২৭ সালের শেষ পর্যন্ত পুরোনো প্রযোজ্য কাঠামোয় এবং ২০২৮ সালের ১ জানুয়ারি থেকে নতুন হারে দেওয়ার বিধান রাখা হয়েছে।
জাতীয় পর্যায়ের নতুন বেতন কাঠামোতেও মূল বেতন ধাপে ধাপে বাস্তবায়ন এবং পরবর্তী সময়ে ভাতা কার্যকরের সময়সূচি রাখা হয়েছে।
শেষ কথা
পল্লী সঞ্চয় ব্যাংকের ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬-এর কর্মী সংক্রান্ত ঘোষণা নবম পে-স্কেল বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক। এতে প্রতিষ্ঠানটির বিভিন্ন পদের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নতুন বেতন নির্ধারণের পাশাপাশি বেতন বৃদ্ধি, ধাপভিত্তিক প্রাপ্যতা, বিশেষ সুবিধা সমন্বয় এবং ভাতা প্রদানের সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে।
তবে কোনো কর্মচারী ঠিক কত টাকা বেতন ও বকেয়া পাবেন, তা জানতে শুধু পদ বা গ্রেড জানা যথেষ্ট নয়। ৩০ জুন ২০২৬ তারিখের প্রকৃত মূল বেতন, ইনক্রিমেন্ট, নতুন স্কেলের সংশ্লিষ্ট ধাপ এবং ইতোমধ্যে পাওয়া বিশেষ সুবিধা মিলিয়ে ব্যক্তিভিত্তিক হিসাব করতে হবে।



