Bank Account Maintenance Fee বছরে ০১ বার কর্তন করিতে হইবে!!

করোনাভাইরাস সংক্রমণজণিত কারণে সৃষ্টি অর্থনৈতিক পরিস্থিতির প্রেক্ষিতে ক্ষুদ্র আমানতকারীগণকে আর্থিক প্রণোদনা প্রদান ও আমানত বৃদ্ধিতে উৎসাহিত করার লক্ষ্যে ১০.০০ লক্ষ টাকা পর্যন্ত গড় আমানত স্থিতি বিশিষ্ট সঞ্চয়ী হিসাবের বিপরীতে বছরে দুইবারের পরিবর্তে একবার Account Maintenance Fee আদায় করার জন্য ব্যাংক সমূহকে নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে।

ব্যাংকিং প্রবিধি ও নীতি বিভাগ

বাংলাদেশ ব্যাংক

প্রধান কার্যালয়

ঢাকা।

বিআরপিডি সার্কুলার লেটার নং-২১; তারিখ: ১১ এপ্রিল ২০২১

ব্যবস্থাপনা পরিচালনক/ প্রধান নির্বাহী

বাংলাদেশে কার্যরত সকল তফসিলি ব্যাংক

প্রিয় মহোদয়,

Master Circular on Schedule of Charges

শিরোনামোক্ত বিষয়ে ৩১ অক্টোবর ২০১৯ তারিখের পিআরপিডি সাকুলার নং-০৭ এর প্রতি আপনাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করা যাচ্ছে।

০২। বিআরপিডি সার্কুলার নং-০৭/২০১৯ এর মাধ্যমে ব্যাংকিং খাতে আমানত বৃদ্ধি এবং ক্ষুদ্র আমানতকারীদেরকে ব্যাংকমূখী করার লক্ষ্যে গড় আমানত স্থিতির উপর ভিত্তি করে সঞ্চয়ী হিসাবের বিপরীতে রক্ষণাবেক্ষণ ফি (Account Maintenance Fee) যোক্তিকীকরণপূর্বক পুন: নির্ধারণ করা দেয়া হয়। উক্ত পুন:নির্ধারিত হার অনুযায়ী ব্যাংক সমূহ প্রতি ষান্মাসিকে একবার অর্থাৎ বছর দুইবার একটি হিসাব হতে Account Maintenance Fee আদায় করতে পারে।

০৩। এক্ষণে, করোনাভাইরাস সংক্রমণজণিত কারণে সৃষ্টি অর্থনৈতিক পরিস্থিতির প্রেক্ষিতে ক্ষুদ্র আমানতকারীগণকে আর্থিক প্রণোদনা প্রদান ও আমানত বৃদ্ধিতে উৎসাহিত করার লক্ষ্যে ১০.০০ লক্ষ টাকা পর্যন্ত গড় আমানত স্থিতি বিশিষ্ট সঞ্চয়ী হিসাবের বিপরীতে বছরে দুইবারের পরিবর্তে একবার Account Maintenance Fee আদায় করার জন্য ব্যাংক সমূহকে নির্দেশনা প্রদান করা যাচ্ছে।

০৪। এ নির্দেশনা শুধুমাত্র ২০২১ পঞ্জিকা বছরের জন্য প্রযোজ্য হবে।

ব্যাংক কোম্পানী আইন, ১৯৯১ এর ৪৫ ধারায় প্রদত্ত ক্ষমতাবলে এ নির্দেশনা জারি করা হলো।

আপনাদের বিশ্বস্ত,

(মো: নজরুল ইসলাম)

মহাব্যবস্থাপক

ফোন: ৯৫৩০২৫২

Bank Account Maintenance Fee বছরে ০১ বার কর্তন করিতে হইবে: ডাউনলোড

সরকারি কর্মচারীদের মধ্যে যারা প্রশাসন শাখা বা হিসাব শাখায় কাজ করেন তারাই কেবল চাকরি সম্পর্কিত বিধি বিধানগুলো সম্পর্কে ভাল ধারণা রাখেন। অবশিষ্ট ৮০% কর্মকর্তা/ কর্মচারীই সরকারি চাকরির বিধানাবলীবাংলাদেশ সার্ভিস রুলস, হালনাগাদ পেনশন রুলসভ্রমণ বিধি ও প্রাপ্যতা , উৎসব ভাতার প্রাপ্যতা, সরকারি কর্মচারীদের বিনামূল্যে চিকিৎসা সুবিধা বা চিকিৎসা শেষে ব্যয় উত্তোলন, বিভিন্ন ভাতাদির প্রাপ্যতা, বিভিন্ন ধরনের অগ্রিম সুবিধা গ্রহণ, নিয়োগ ও বদলি নীতিমালা, বিভিন্ন ধরনের ছুটি কিভাবে নিতে হয়, বাসা বরাদ্দ বা বাড়ি ভাড়া প্রাপ্যতা, শিক্ষা সহায়ক ভাতা বা রেশন সুবিধা ইত্যাদি সর্ম্পকে ভাল ধারনা রাখেন না। এই ওয়েবসাইটটিতে উপরোক্ত বিষয়গুলো সহজ ভাবে তুলে ধরা হয়েছে। সরল ও প্রাঞ্জল ভাষায় ব্যাখ্যা করা হয়েছে। সাধারণ কর্মচারী যাতে সহজেই ব্যাপার গুলো বুঝতে পারে এবং যদি কোন বিধি বুঝতে সমস্যা হয় তা নিয়ে সরাসরি প্রশ্ন করতে পারেন সে ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। কেউ যদি কোন বিধি বা নীতিমালা বুঝতে অসমর্থ হয় তবে আমাদের ফেসবুক পেইজগ্রুপ এবং ইমেইল ঠিকানায় যোগাযোগ করতে পারেন।

প্রতিটি পোস্টের রেফারন্স পোস্টের শেষে “ডাউনলোড” নামের যে লিংক দেওয়া আছে সেখান থেকে সংগ্রহ করে নিতে পারেন। ডাউনলোড ফাইল Google Drive or Box.com এ স্টোর করা আছে। কারও যদি ফাইলটি ডাউনলোড করতে সমস্যা হয় তবে আপনি আপনার নিজের gmail Account এ Login করে নিন। লগইন করার পর ঠিকই ফাইলটি ডাউনলোড হবে। তবুও যদি আপনি রেফারেন্স ফাইল ডাউনলোডে সমস্যায় পড়ে তবে আপনি এডমিনকে alaminmia.tangail@gmail.com এ ফাইলের নাম দিয়ে নক করুন। এডমিন আপনার ইমেইলের উত্তর দিবে।

কিছু কর্মকর্তা/ কর্মচারীদের কাছে সরকারি চাকরির বিধি বিধানের কিছু বইও হয়তো সংগ্রহে আছে কিন্তু তা মূলত সংগ্রহেই মাত্র বের করে পড়ার সময় বা সুযোগ নেই। কারও সময় বা সুযোগ থাকলেও বের করে পড়া পর্যন্ত হয় না। আবার দেখা যায় যে, অসংখ্য বইয়ের মধ্যে একটি সামারি বই চাকরির বিধানাবলীই শুধুমাত্র সংগ্রহ রয়েছে। সরকারি চাকরি সংক্রান্ত অসংখ্যা বই রয়েছে যেগুলো আবার প্রতি বছরই আপডেট হয়ে থাকে আপনি যদি শুধুমাত্র এই ওয়েবসাইটের সাথে যুক্ত থাকেন তবে আপনি সকল আপডেট তথ্যই পেয়ে যাবেন। ব্লগটি ভিজিট করার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।

admin

এই ব্লগের কোন পোস্ট নিয়ে বিস্তারিত জানতে বা কোন তথ্য যুক্ত করতে বা সংশোধন করতে চাইলে অথবা কোন আদেশ, গেজেট পেতে এই admin@bdservicerules.info ঠিকানায় মেইল করতে পারেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published.