Govt. Grade of Post Position 2026 : গ্রেডভিত্তিক নতুন বেতন, ভাতা ও সরকারি চাকরির পূর্ণাঙ্গ তালিকা
সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা ও আর্থিক সুবিধার ক্ষেত্রে নবম জাতীয় বেতন স্কেল-২০২৬ নতুন করে আলোচনায় এসেছে। নতুন কাঠামোয় বিভিন্ন গ্রেডের মূল বেতন, বাড়িভাড়া, চিকিৎসা, শিক্ষা সহায়তা, টিফিনসহ অন্যান্য সুবিধা বিবেচনায় একজন সরকারি কর্মীর প্রকৃত মাসিক প্রাপ্তি শুধু মূল বেতনের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে না।
নতুন বেতন কাঠামো ১ জুলাই ২০২৬ থেকে কার্যকর ধরা হয়েছে এবং পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়নের কারণে অনেক কর্মীর ক্ষেত্রে নতুন বেতন নির্ধারণ বা পে-ফিক্সেশন সম্পন্ন হওয়ার পর প্রকৃত বেতন কাঠামো স্পষ্ট হবে।
নবম পে স্কেলে গ্রেডভিত্তিক বেতন
নতুন বেতন কাঠামোয় সরকারি চাকরির ক্ষেত্রে গ্রেড অনুযায়ী মূল বেতন নির্ধারিত হবে। তবে কোনো নির্দিষ্ট পদের বেতন নির্ধারণের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট পদটির নিয়োগবিধি, পদমর্যাদা এবং সংশ্লিষ্ট প্রজ্ঞাপনই চূড়ান্ত ভিত্তি হিসেবে বিবেচিত হবে।
গ্রেডভিত্তিক সম্ভাব্য মূল বেতনের চিত্র
| গ্রেড | নবম পে স্কেলে প্রারম্ভিক মূল বেতন | গুরুত্বপূর্ণ পদ/শ্রেণির উদাহরণ |
|---|---|---|
| ১ম | ১,৩০,০০০ টাকা | সর্বোচ্চ পর্যায়ের সরকারি পদ |
| ২য় | নির্ধারিত স্কেল অনুযায়ী | উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা |
| ৩য় | নির্ধারিত স্কেল অনুযায়ী | অতিরিক্ত সচিব/সমপর্যায়ের পদ |
| ৪র্থ | নির্ধারিত স্কেল অনুযায়ী | যুগ্ম সচিব/সমপর্যায়ের পদ |
| ৫ম–৮ম | নির্ধারিত স্কেল অনুযায়ী | বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা |
| ৯ম | ২২,০০০ টাকা থেকে নতুন কাঠামো অনুযায়ী | বিসিএস/সমপর্যায়ের কর্মকর্তা |
| ১০ম | নতুন স্কেল অনুযায়ী | বিভিন্ন কারিগরি ও প্রশাসনিক পদ |
| ১১–১৫ | নতুন স্কেল অনুযায়ী | বিভিন্ন কর্মকর্তা-কর্মচারী পদ |
| ১৬–২০ | নতুন স্কেল অনুযায়ী | মাঠপর্যায়ের কর্মচারীসহ বিভিন্ন পদ |
গুরুত্বপূর্ণ: নবম পে স্কেলের চূড়ান্ত গ্রেডভিত্তিক বেতন নির্ধারণের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট গেজেটের স্কেল অনুসরণ করতে হবে। শুধু পুরোনো ২০১৫ সালের স্কেলের অঙ্ক দিয়ে নতুন বেতন হিসাব করা ঠিক হবে না।
৯ম গ্রেডের কর্মকর্তাদের বেতন ও সুযোগ-সুবিধা
বিসিএস ক্যাডার, মেডিকেল অফিসার, প্রভাষকসহ বিভিন্ন পদ ৯ম গ্রেডে নিয়োগ পেতে পারে। তবে পদভেদে নিয়োগের যোগ্যতা ও পদায়ন ভিন্ন হতে পারে।
নবম পে স্কেলের আগে ৯ম গ্রেডের প্রচলিত প্রারম্ভিক মূল বেতন ছিল ২২,০০০ টাকা। নতুন বেতন কাঠামোয় এই গ্রেডের কর্মীদের বেতন নির্ধারণ হবে নতুন স্কেলের ধাপ এবং পে-ফিক্সেশন পদ্ধতি অনুযায়ী।
মূল বেতনের বাইরে সাধারণত যেসব সুবিধা প্রযোজ্য হতে পারে—
- বাড়িভাড়া ভাতা
- চিকিৎসা ভাতা
- শিক্ষা সহায়তা/শিক্ষা-সংক্রান্ত সুবিধা
- উৎসবভাতা
- বাংলা নববর্ষ ভাতা
- প্রযোজ্য ক্ষেত্রে অন্যান্য সরকারি ভাতা
- চাকরির ধরন ও কর্মস্থল অনুযায়ী বিশেষ সুবিধা
ফলে একজন কর্মকর্তার মোট মাসিক প্রাপ্তি শুধু মূল বেতন দিয়ে নির্ধারণ করা যাবে না।
কর্মচারীদের বেতনও বাড়বে
সরকারি দপ্তরের ১১ থেকে ২০ গ্রেডের কর্মচারীরাও নতুন পে স্কেলের আওতায় আসবেন। অফিস সহায়ক, নিরাপত্তা প্রহরী, চালক, ডাটা এন্ট্রি অপারেটরসহ বিভিন্ন পদে কর্মরতদের মূল বেতন নতুন গ্রেড কাঠামো অনুযায়ী পুনর্নির্ধারণ করা হবে।
এ ক্ষেত্রে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো পে-ফিক্সেশন।
কোনো কর্মচারীর বর্তমান মূল বেতন, অর্জিত ইনক্রিমেন্ট, পদোন্নতি, উচ্চতর গ্রেড এবং নতুন স্কেলের সংশ্লিষ্ট ধাপ বিবেচনা করে নতুন মূল বেতন নির্ধারণ হতে পারে।
অর্থাৎ শুধু পদটির পুরোনো গ্রেড দেখে নতুন বেতন নির্ধারণ করা যাবে না।
পদভিত্তিক গ্রেড ও শিক্ষাগত যোগ্যতা
চাকরিপ্রার্থীদের সুবিধার জন্য প্রচলিত কয়েকটি পদের উদাহরণ নিচে দেওয়া হলো। তবে এগুলো নবম পে স্কেলের চূড়ান্ত পদভিত্তিক তালিকা নয়; সংশ্লিষ্ট নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ও নিয়োগবিধিই চূড়ান্ত।
| পদের নাম | প্রচলিত গ্রেডের উদাহরণ | সাধারণ শিক্ষাগত যোগ্যতা |
|---|---|---|
| বিসিএস ক্যাডার কর্মকর্তা | ৯ম | স্নাতক/স্নাতকোত্তর |
| মেডিকেল অফিসার | ৯ম | MBBS |
| প্রভাষক | ৯ম | সংশ্লিষ্ট বিষয়ে স্নাতকোত্তর/নিয়োগবিধি অনুযায়ী |
| উপ-সহকারী প্রকৌশলী | ১০ম | ডিপ্লোমা/প্রাসঙ্গিক যোগ্যতা |
| পুলিশ সাব-ইন্সপেক্টর | পদভেদে | নিয়োগবিধি অনুযায়ী |
| কম্পিউটার অপারেটর | পদভেদে | স্নাতক/প্রাসঙ্গিক যোগ্যতা |
| অডিটর | পদভেদে | স্নাতক |
| প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক | নির্ধারিত গ্রেড | নিয়োগবিধি অনুযায়ী |
| উচ্চমান সহকারী | পদভেদে | স্নাতক |
| ইউনিয়ন পরিষদ সচিব | সংশ্লিষ্ট বিধি অনুযায়ী | স্নাতক |
| সার্ভেয়ার | নির্ধারিত গ্রেড | এসএসসি/ডিপ্লোমা/নিয়োগবিধি |
| অফিস সহকারী | নির্ধারিত গ্রেড | এসএসসি/এইচএসসি |
| ডাটা এন্ট্রি অপারেটর | নির্ধারিত গ্রেড | নিয়োগবিধি অনুযায়ী |
| চালক | নির্ধারিত গ্রেড | লাইসেন্সসহ প্রয়োজনীয় যোগ্যতা |
| সিপাহি | নির্ধারিত গ্রেড | নিয়োগবিধি অনুযায়ী |
| অফিস সহায়ক | নির্ধারিত গ্রেড | অষ্টম শ্রেণি/নিয়োগবিধি অনুযায়ী |
একই পদের গ্রেড সব জায়গায় এক নয়
চাকরিপ্রার্থীদের জন্য এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। একটি পদ এক দপ্তরে যে গ্রেডে রয়েছে, অন্য দপ্তরে একই নামের পদ একই গ্রেডে নাও থাকতে পারে।
যেমন—হিসাবরক্ষক, অফিস সহকারী, কম্পিউটার অপারেটর বা অন্যান্য প্রশাসনিক পদ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান বা সংস্থায় ভিন্ন গ্রেডে থাকতে পারে।
তাই চাকরির বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখিত গ্রেড ও বেতন স্কেলই চূড়ান্ত হিসেবে বিবেচনা করতে হবে।
মূল বেতনের সঙ্গে কী কী ভাতা পাওয়া যায়?
সরকারি চাকরিতে একজন কর্মীর প্রকৃত আয় নির্ধারণের ক্ষেত্রে মূল বেতনের পাশাপাশি বিভিন্ন ভাতা গুরুত্বপূর্ণ।
সাধারণভাবে প্রযোজ্য সুবিধার মধ্যে রয়েছে—
১. বাড়িভাড়া ভাতা
কর্মস্থল ও সরকারি বিধিমালা অনুযায়ী মূল বেতনের নির্দিষ্ট হারে বাড়িভাড়া ভাতা দেওয়া হয়। রাজধানী, সিটি করপোরেশন, জেলা বা অন্যান্য এলাকার ক্ষেত্রে হার ভিন্ন হতে পারে।
২. চিকিৎসা ভাতা
সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা বিধি অনুযায়ী চিকিৎসা সুবিধা বা চিকিৎসা ভাতা পেয়ে থাকেন।
৩. শিক্ষা সহায়তা
সন্তানদের শিক্ষার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য বিধি অনুযায়ী শিক্ষা-সংক্রান্ত সহায়তা পাওয়া যেতে পারে। নবম পে স্কেল-সংক্রান্ত আলোচনায় শিক্ষা সহায়ক ভাতাও গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়।
৪. টিফিন ভাতা
নির্দিষ্ট শ্রেণির কর্মচারী ও নির্ধারিত শর্ত পূরণকারী কর্মীদের জন্য টিফিন ভাতা প্রযোজ্য হতে পারে।
৫. যাতায়াত/অন্যান্য ভাতা
পদ, কর্মস্থল ও দায়িত্বের ধরন অনুযায়ী বিভিন্ন ধরনের ভাতা প্রযোজ্য হতে পারে।
৬. উৎসব ভাতা
সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা প্রচলিত বিধি অনুযায়ী উৎসব ভাতা পেয়ে থাকেন।
৭. বাংলা নববর্ষ ভাতা
প্রযোজ্য সরকারি বিধি অনুযায়ী বাংলা নববর্ষ উপলক্ষে ভাতাও প্রদান করা হয়।
পে-ফিকেশন কেন গুরুত্বপূর্ণ?
নবম পে স্কেল কার্যকর হওয়ার পর প্রত্যেক কর্মীর নতুন বেতন একই অঙ্কে বাড়বে—এমনটি নয়।
একজন কর্মীর নতুন মূল বেতন নির্ধারণের ক্ষেত্রে বিবেচনায় আসতে পারে—
বর্তমান মূল বেতন → ১ জুলাইয়ের ইনক্রিমেন্ট → বর্তমান গ্রেড → উচ্চতর গ্রেড/পদোন্নতি → নতুন পে স্কেলের সংশ্লিষ্ট ধাপ → পে-ফিকেশন।
এ কারণে একই গ্রেডের দুই কর্মীর চাকরির মেয়াদ বা পূর্ববর্তী বেতনধাপ ভিন্ন হলে নতুন মূল বেতনও ভিন্ন হতে পারে।
নতুন পে স্কেলে ইনক্রিমেন্টের প্রভাব
নতুন বেতন কাঠামোয় মূল বেতন নির্ধারণের পর প্রতিবছর নিয়ম অনুযায়ী ইনক্রিমেন্ট যুক্ত হবে। তবে নতুন স্কেলে একজন কর্মী কোন ধাপে অবস্থান করবেন, তা নির্ভর করবে তার পে-ফিকেশনের ওপর।
এ কারণে কর্মচারীদের জন্য iBAS++-এ পে-ফিকেশন বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ।
পে-ফিকেশন সম্পন্ন হলে কর্মী তার নতুন—
- মূল বেতন
- বেতনধাপ
- ইনক্রিমেন্ট
- কার্যকর তারিখ
- বকেয়া পাওনা
ইত্যাদি সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা পাবেন।
অবসর সুবিধা: শুধু পেনশন নয়
সরকারি চাকরিতে অবসর গ্রহণের পর একজন কর্মী শুধু মাসিক পেনশনই পান না। চাকরির ধরন, চাকরির মেয়াদ, শেষ বেতন এবং প্রযোজ্য বিধিমালা অনুযায়ী বিভিন্ন অবসরকালীন সুবিধা নির্ধারিত হয়।
এর মধ্যে থাকতে পারে—
- মাসিক পেনশন
- এককালীন আনুতোষিক
- জিপিএফের অর্থ
- ছুটির নগদায়ন
- অন্যান্য প্রাপ্য সুবিধা
তাই “৯ম গ্রেডে চাকরি করলে অবসরে ঠিক ৭০–৮০ লাখ টাকা” অথবা “প্রতি মাসে ৩৫–৪০ হাজার টাকা পেনশন”—এ ধরনের নির্দিষ্ট অঙ্ক সবার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য বলা ঠিক হবে না।
কারণ অবসর সুবিধা নির্ভর করে সংশ্লিষ্ট কর্মীর চাকরির মেয়াদ, শেষ মূল বেতন, পেনশনযোগ্য চাকরিকাল এবং তৎকালীন বিধিমালার ওপর।
একজন নতুন ডাক্তার কত বেতন পাবেন?
এমবিবিএস পাস করে সরকারি চাকরিতে ৯ম গ্রেডে নিয়োগ পাওয়া মেডিকেল অফিসারের মূল বেতন সংশ্লিষ্ট নবম পে স্কেলের ৯ম গ্রেডের নির্ধারিত ধাপ অনুযায়ী হবে।
এর সঙ্গে প্রযোজ্য বাড়িভাড়া, চিকিৎসা, শিক্ষা সহায়তা, উৎসব ও অন্যান্য ভাতা যুক্ত হলে মোট প্রাপ্তি মূল বেতনের চেয়ে বেশি হবে।
তবে নতুন যোগদানকারী এবং দীর্ঘদিন চাকরিরত একই গ্রেডের কর্মকর্তার মোট বেতন এক হবে না, কারণ ইনক্রিমেন্ট ও পে-ফিকেশনের কারণে বেতনধাপ পরিবর্তিত হয়।
প্রকৌশলীদের বেতন ও পদোন্নতি
সরকারি প্রকৌশলীদের ক্ষেত্রে সহকারী প্রকৌশলী থেকে শুরু করে বিভিন্ন পর্যায়ে পদোন্নতির সুযোগ রয়েছে। পদোন্নতির সঙ্গে গ্রেড ও মূল বেতন পরিবর্তিত হতে পারে।
তবে প্রধান প্রকৌশলী সব ক্ষেত্রেই ৩য় গ্রেডে ৫৬,৫০০ টাকা—এমন পুরোনো তথ্যকে নবম পে স্কেলের চূড়ান্ত তথ্য হিসেবে ব্যবহার করা উচিত নয়।
নতুন পে স্কেলে সংশ্লিষ্ট পদ ও গ্রেডের নির্ধারিত স্কেল এবং পদোন্নতির পর পে-ফিকেশন অনুযায়ী বেতন নির্ধারণ হবে।
চাকরিপ্রার্থীদের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ৫টি বিষয়
১. শুধু মূল বেতন দেখে চাকরি নির্বাচন করবেন না।
বাড়িভাড়া, চিকিৎসা, শিক্ষা সহায়তা, উৎসব ভাতা এবং অন্যান্য সুবিধাও হিসাব করতে হবে।
২. নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির গ্রেড যাচাই করুন।
একই নামের পদ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে ভিন্ন গ্রেডে থাকতে পারে।
৩. পুরোনো ২০১৫ সালের বেতন স্কেলের তথ্যের সঙ্গে ২০২৬ সালের স্কেল গুলিয়ে ফেলবেন না।
৪. পে-ফিকেশন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
একই গ্রেডে কর্মরত হলেও চাকরির মেয়াদ ও পূর্ববর্তী বেতনধাপ অনুযায়ী নতুন বেতন ভিন্ন হতে পারে।
৫. অবসর সুবিধার নির্দিষ্ট অঙ্ক সবার জন্য একই নয়।
পেনশন ও আনুতোষিকের হিসাব ব্যক্তিভেদে পরিবর্তিত হয়।
শেষ কথা
নবম জাতীয় বেতন স্কেল-২০২৬ বাস্তবায়নের ফলে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন নির্ধারণে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হয়ে উঠেছে নতুন বেতন স্কেল, পে-ফিকেশন, ইনক্রিমেন্ট এবং প্রযোজ্য ভাতা। বিশেষ করে ১ জুলাই ২০২৬ থেকে কার্যকর নতুন কাঠামোর পর কর্মীদের প্রকৃত বেতন বুঝতে হলে শুধু গ্রেডের প্রারম্ভিক মূল বেতন দেখলে হবে না; সংশ্লিষ্ট কর্মীর পূর্ববর্তী বেতন, ইনক্রিমেন্ট, পদোন্নতি ও উচ্চতর গ্রেডের তথ্যও বিবেচনায় নিতে হবে।
সতর্কতা: উপরোক্ত পদগুলোর গ্রেড ও যোগ্যতার উদাহরণ সাধারণ তথ্যের জন্য দেওয়া হয়েছে। কোনো চাকরিতে আবেদন করার আগে অবশ্যই সংশ্লিষ্ট নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি, নিয়োগবিধি এবং নবম জাতীয় বেতন স্কেল-২০২৬-এর সরকারি গেজেটে উল্লেখিত তথ্য অনুসরণ করতে হবে।



