বৈষম্য । দাবীর খতিয়ান । পুন:বিবেচনা

৯ম পে-স্কেল ও জ্বালানি উপদেষ্টার বক্তব্য প্রত্যাহার দাবিতে উত্তাল সরকারি অফিস; কাল ঢাকায় মহাসমাবেশ

বিদ্যমান অর্থনৈতিক সংকট ও দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির মধ্যে নবম পে-স্কেল বাস্তবায়ন নিয়ে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের জ্বালানি উপদেষ্টার মন্তব্যে চরম ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে সরকারি কর্মচারীদের মধ্যে। এই বক্তব্য প্রত্যাহার এবং অবিলম্বে পে-স্কেলের গেজেট প্রকাশের দাবিতে আজ দেশের সকল সরকারি, আধা-সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালিত হয়েছে।

আন্দোলনের পটভূমি ও মূল দাবি

বাংলাদেশ সরকারি কর্মচারী দাবি আদায় ঐক্য পরিষদের ব্যানারে এই আন্দোলন শুরু হয়েছে। গত মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) জ্বালানি উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান মন্তব্য করেন যে, বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকার পে-স্কেল বাস্তবায়ন করবে না এবং এটি পরবর্তী নির্বাচিত সরকারের ওপর ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। তাঁর এই মন্তব্যকে নিম্ন বেতনভোগী কর্মচারীরা “অসহায়ত্ব নিয়ে রসিকতা” এবং “আন্দোলন দমানোর কৌশল” হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন।

আন্দোলনকারীদের প্রধান দাবিগুলো হলো:

  • জ্বালানি উপদেষ্টার বিতর্কিত বক্তব্য অবিলম্বে প্রত্যাহার।

  • জাতীয় পে-কমিশনের সুপারিশ অনুযায়ী দ্রুততম সময়ে নবম পে-স্কেলের গেজেট প্রকাশ।

  • দ্রব্যমূল্যের লাগামহীন বাজারের সাথে সংগতি রেখে আগামী ১ জানুয়ারি থেকে নতুন পে-স্কেল কার্যকর করা।

  • টাইম স্কেল ও সিলেকশন গ্রেড পুনর্বহালসহ বেতন বৈষম্য দূরীকরণ।

সারাদেশে বিক্ষোভের চিত্র

আজ বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই দেশের বিভিন্ন জেলায় জেলা প্রশাসক কার্যালয় এবং বিভাগীয় কার্যালয়গুলোর সামনে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

  • খুলনা ও চাঁদপুর: এখানে কয়েক হাজার কর্মচারী রাস্তায় নেমে উপদেষ্টার বক্তব্যের তীব্র নিন্দা জানান।

  • নেত্রকোণা ও পটুয়াখালী: স্থানীয় প্রেসক্লাব ও উপজেলা চত্বরে বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। কর্মচারীরা জানান, গত ১১ বছর ধরে তারা কোনো নতুন পে-স্কেল পাননি, যা তাদের জীবনযাত্রাকে দুর্বিষহ করে তুলেছে।

আগামী দিনের কঠোর কর্মসূচি

সংগঠনের সদস্য সচিব মো. মাহমুদুল হাসান ও মুখ্য সমন্বয়ক মো. ওয়ারেছ আলী স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে পরবর্তী কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়েছে।

“আমরা আলটিমেটাম দিচ্ছি, যদি অবিলম্বে আমাদের দাবি মেনে নেওয়া না হয়, তবে ১ ফেব্রুয়ারি থেকে দেশব্যাপী লাগাতার কর্মবিরতি ও কঠোর আন্দোলন শুরু হবে।”

কর্মসূচি অনুযায়ী, আগামীকাল ৩০ জানুয়ারি সকাল ১০টায় জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে এক বিশাল প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে। রাজধানী ও আশপাশের জেলাগুলো থেকে হাজার হাজার কর্মচারী এই সমাবেশে যোগ দেবেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।

উপদেষ্টার বক্তব্যের প্রতিক্রিয়া

জ্বালানি উপদেষ্টা জানিয়েছিলেন, পে-কমিশন শুধু প্রতিবেদন জমা দিয়েছে এবং এটি বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত বর্তমান সরকারের নয়। তবে কর্মচারী নেতারা পাল্টা দাবি করেছেন যে, বাজেটে পে-স্কেল বাস্তবায়নের জন্য অর্থের সংস্থান রাখা হয়েছে, তাই গেজেট প্রকাশে কোনো বাধা থাকার কথা নয়।

সরকারি কর্মচারীদের এই আলটিমেটামের ফলে আগামী কয়েক দিন প্রশাসনিক কার্যক্রমে স্থবিরতা আসার শঙ্কা তৈরি হয়েছে। এখন দেখার বিষয়, সরকার এই সংকট নিরসনে কোনো নমনীয় পদক্ষেপ নেয় কি না।

বিদ্যমান অর্থনৈতিক সংকট ও দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির মধ্যে নবম পে-স্কেল বাস্তবায়ন নিয়ে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের জ্বালানি উপদেষ্টার মন্তব্যে চরম ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে সরকারি কর্মচারীদের মধ্যে। এই বক্তব্য প্রত্যাহার এবং অবিলম্বে পে-স্কেলের গেজেট প্রকাশের দাবিতে আজ দেশের সকল সরকারি, আধা-সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালিত হয়েছে।আন্দোলনের পটভূমি ও মূল দাবি
বাংলাদেশ সরকারি কর্মচারী দাবি আদায় ঐক্য পরিষদের ব্যানারে এই আন্দোলন শুরু হয়েছে। গত মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) জ্বালানি উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান মন্তব্য করেন যে, বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকার পে-স্কেল বাস্তবায়ন করবে না এবং এটি পরবর্তী নির্বাচিত সরকারের ওপর ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। তাঁর এই মন্তব্যকে নিম্ন বেতনভোগী কর্মচারীরা "অসহায়ত্ব নিয়ে রসিকতা" এবং "আন্দোলন দমানোর কৌশল" হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন।আন্দোলনকারীদের প্রধান দাবিগুলো হলো:জ্বালানি উপদেষ্টার বিতর্কিত বক্তব্য অবিলম্বে প্রত্যাহার।জাতীয় পে-কমিশনের সুপারিশ অনুযায়ী দ্রুততম সময়ে নবম পে-স্কেলের গেজেট প্রকাশ।দ্রব্যমূল্যের লাগামহীন বাজারের সাথে সংগতি রেখে আগামী ১ জানুয়ারি থেকে নতুন পে-স্কেল কার্যকর করা।টাইম স্কেল ও সিলেকশন গ্রেড পুনর্বহালসহ বেতন বৈষম্য দূরীকরণ।সারাদেশে বিক্ষোভের চিত্র
আজ বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই দেশের বিভিন্ন জেলায় জেলা প্রশাসক কার্যালয় এবং বিভাগীয় কার্যালয়গুলোর সামনে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।খুলনা ও চাঁদপুর: এখানে কয়েক হাজার কর্মচারী রাস্তায় নেমে উপদেষ্টার বক্তব্যের তীব্র নিন্দা জানান।নেত্রকোণা ও পটুয়াখালী: স্থানীয় প্রেসক্লাব ও উপজেলা চত্বরে বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। কর্মচারীরা জানান, গত ১১ বছর ধরে তারা কোনো নতুন পে-স্কেল পাননি, যা তাদের জীবনযাত্রাকে দুর্বিষহ করে তুলেছে।আগামী দিনের কঠোর কর্মসূচি
সংগঠনের সদস্য সচিব মো. মাহমুদুল হাসান ও মুখ্য সমন্বয়ক মো. ওয়ারেছ আলী স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে পরবর্তী কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়েছে।"আমরা আলটিমেটাম দিচ্ছি, যদি অবিলম্বে আমাদের দাবি মেনে নেওয়া না হয়, তবে ১ ফেব্রুয়ারি থেকে দেশব্যাপী লাগাতার কর্মবিরতি ও কঠোর আন্দোলন শুরু হবে।"কর্মসূচি অনুযায়ী, আগামীকাল ৩০ জানুয়ারি সকাল ১০টায় জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে এক বিশাল প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে। রাজধানী ও আশপাশের জেলাগুলো থেকে হাজার হাজার কর্মচারী এই সমাবেশে যোগ দেবেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।উপদেষ্টার বক্তব্যের প্রতিক্রিয়া
জ্বালানি উপদেষ্টা জানিয়েছিলেন, পে-কমিশন শুধু প্রতিবেদন জমা দিয়েছে এবং এটি বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত বর্তমান সরকারের নয়। তবে কর্মচারী নেতারা পাল্টা দাবি করেছেন যে, বাজেটে পে-স্কেল বাস্তবায়নের জন্য অর্থের সংস্থান রাখা হয়েছে, তাই গেজেট প্রকাশে কোনো বাধা থাকার কথা নয়।সরকারি কর্মচারীদের এই আলটিমেটামের ফলে আগামী কয়েক দিন প্রশাসনিক কার্যক্রমে স্থবিরতা আসার শঙ্কা তৈরি হয়েছে। এখন দেখার বিষয়, সরকার এই সংকট নিরসনে কোনো নমনীয় পদক্ষেপ নেয় কি না।

admin

আমি একজন সরকারী চাকরিজীবি। দীর্ঘ ১০ বছর যাবৎ চাকুরির সুবাদে সরকারি চাকরি বিধি বিধান নিয়ে পড়াশুনা করছি। বিএসআর ব্লগে সরকারি আদেশ, গেজেট, প্রজ্ঞাপন ও পরিপত্র পোস্ট করা হয়। এ ব্লগের কোন পোস্ট নিয়ে প্রশ্ন থাকলে বা ব্যাখ্যা জানতে পোস্টের নিচে কমেন্ট করুন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *