বেতন । বাড়ি ভাড়া । অন্যান্য ভাতাদি

ঢাকার বাইরে বদলি হলে সরকারি বাসা ছাড়তে হবে ২ মাসে; না ছাড়লে গুনতে হবে দ্বিগুণ ভাড়া

ঢাকা সিটি কর্পোরেশন এলাকায় কর্মরত সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আবাসন সুবিধা ও বদলি-পরবর্তী বাসা সংক্রান্ত জটিলতা নিরসনে কঠোর অবস্থান নিয়েছে সরকারি আবাসন পরিদপ্তর। সম্প্রতি এক অফিস আদেশের মাধ্যমে জানানো হয়েছে যে, ঢাকার বাইরে বদলি বা পদায়ন হওয়ার পর নির্দিষ্ট সময়ের অতিরিক্ত সময় অননুমোদিতভাবে সরকারি বাসা দখলে রাখলে জাতীয় বেতন স্কেল অনুযায়ী প্রাপ্য বাড়ি ভাড়ার দ্বিগুণ হারে জরিমানা বা ভাড়া আদায় করা হবে

আবাসন বিধিমালার কঠোর প্রয়োগ

সরকারি আবাসন পরিদপ্তরের পরিচালক মোঃ আসাদুজ্জামান স্বাক্ষরিত এই নির্দেশনায় ‘বাংলাদেশ বরাদ্দ বিধিমালা ১৯৮২’ এর কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ উপবিধির কথা স্মরণ করিয়ে দেওয়া হয়েছে:

  • বাসা ছাড়ার সময়সীমা: বিধিমালা ১৯৮২-এর ১৫(২) উপবিধি অনুযায়ী, কোনো সরকারি কর্মচারী চাকরি হতে বরখাস্ত, অপসারণ, পদত্যাগ, অবসর গ্রহণ, বদলি কিংবা বিদেশে প্রেষণে নিয়োগ পেলে তাকে উক্ত ঘটনার ২ (দুই) মাসের মধ্যে সরকারি বাসার দখল ত্যাগ করতে হবে

  • বিশেষ ক্ষেত্রে সময় বৃদ্ধি: বিধিমালা ১৫(৩) অনুযায়ী, যদি সংশ্লিষ্ট কর্মচারীর সন্তানের লেখাপড়ার কারণে অবস্থান করা একান্ত আবশ্যক হয়, তবে সরকারের বিশেষ বিবেচনাধীন সেই আবাসন সুবিধা সর্বোচ্চ ৬ (ছয়) মাস পর্যন্ত বহাল রাখা যেতে পারে

দ্বিগুণ ভাড়া ও মওকুফের সীমাবদ্ধতা

পরিদপ্তরের পক্ষ থেকে উদ্বেগ প্রকাশ করে জানানো হয় যে, অনেক ক্ষেত্রে কর্মকর্তারা বদলি হলেও সেই তথ্য পরিদপ্তরে সঠিক সময়ে পৌঁছায় না এবং তারা অননুমোদিতভাবে বাসা দখলে রাখেন । নির্দেশনায় স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে:

  • জরিমানা: ১৯(২) উপবিধি অনুযায়ী, অননুমোদিত দখলের সময়কালের জন্য কর্মচারীর প্রাপ্য বাড়ি ভাড়া ভাতার দ্বিগুণ হারে ভাড়া ধার্য করা হবে

  • মওকুফ অসম্ভব: অনেক কর্মকর্তা দ্বিগুণ ভাড়া মওকুফের আবেদন করলেও, বিদ্যমান বিধি অনুযায়ী অননুমোদিত সময়ের এই সরকারি অর্থ মওকুফ করার কোনো এখতিয়ার আবাসন পরিদপ্তরের নেই

প্রশাসনিক নির্দেশনা

গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ এই পরিদপ্তর সকল মন্ত্রণালয়, বিভাগীয় কমিশনার, জেলা প্রশাসক এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের (ইউএনও) এই বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ ও সংশ্লিষ্টদের সচেতন করার জন্য সবিনয় অনুরোধ জানিয়েছে এছাড়া আইসিটি শাখার মাধ্যমে এই নির্দেশনা ওয়েবসাইট ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচারের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে যাতে ভবিষ্যতে কেউ ‘অবহিত নন’ বলে দাবি করতে না পারেন

ঢাকা সিটি কর্পোরেশন এলাকায় কর্মরত সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আবাসন সুবিধা ও বদলি-পরবর্তী বাসা সংক্রান্ত জটিলতা নিরসনে কঠোর অবস্থান নিয়েছে সরকারি আবাসন পরিদপ্তর। সম্প্রতি এক অফিস আদেশের মাধ্যমে জানানো হয়েছে যে, ঢাকার বাইরে বদলি বা পদায়ন হওয়ার পর নির্দিষ্ট সময়ের অতিরিক্ত সময় অননুমোদিতভাবে সরকারি বাসা দখলে রাখলে জাতীয় বেতন স্কেল অনুযায়ী প্রাপ্য বাড়ি ভাড়ার দ্বিগুণ হারে জরিমানা বা ভাড়া আদায় করা হবে ।
+3আবাসন বিধিমালার কঠোর প্রয়োগ
সরকারি আবাসন পরিদপ্তরের পরিচালক মোঃ আসাদুজ্জামান স্বাক্ষরিত এই নির্দেশনায় ‘বাংলাদেশ বরাদ্দ বিধিমালা ১৯৮২’ এর কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ উপবিধির কথা স্মরণ করিয়ে দেওয়া হয়েছে:
+2বাসা ছাড়ার সময়সীমা: বিধিমালা ১৯৮২-এর ১৫(২) উপবিধি অনুযায়ী, কোনো সরকারি কর্মচারী চাকরি হতে বরখাস্ত, অপসারণ, পদত্যাগ, অবসর গ্রহণ, বদলি কিংবা বিদেশে প্রেষণে নিয়োগ পেলে তাকে উক্ত ঘটনার ২ (দুই) মাসের মধ্যে সরকারি বাসার দখল ত্যাগ করতে হবে ।বিশেষ ক্ষেত্রে সময় বৃদ্ধি: বিধিমালা ১৫(৩) অনুযায়ী, যদি সংশ্লিষ্ট কর্মচারীর সন্তানের লেখাপড়ার কারণে অবস্থান করা একান্ত আবশ্যক হয়, তবে সরকারের বিশেষ বিবেচনাধীন সেই আবাসন সুবিধা সর্বোচ্চ ৬ (ছয়) মাস পর্যন্ত বহাল রাখা যেতে পারে ।দ্বিগুণ ভাড়া ও মওকুফের সীমাবদ্ধতা
পরিদপ্তরের পক্ষ থেকে উদ্বেগ প্রকাশ করে জানানো হয় যে, অনেক ক্ষেত্রে কর্মকর্তারা বদলি হলেও সেই তথ্য পরিদপ্তরে সঠিক সময়ে পৌঁছায় না এবং তারা অননুমোদিতভাবে বাসা দখলে রাখেন । নির্দেশনায় স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে:জরিমানা: ১৯(২) উপবিধি অনুযায়ী, অননুমোদিত দখলের সময়কালের জন্য কর্মচারীর প্রাপ্য বাড়ি ভাড়া ভাতার দ্বিগুণ হারে ভাড়া ধার্য করা হবে ।মওকুফ অসম্ভব: অনেক কর্মকর্তা দ্বিগুণ ভাড়া মওকুফের আবেদন করলেও, বিদ্যমান বিধি অনুযায়ী অননুমোদিত সময়ের এই সরকারি অর্থ মওকুফ করার কোনো এখতিয়ার আবাসন পরিদপ্তরের নেই ।প্রশাসনিক নির্দেশনা
গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ এই পরিদপ্তর সকল মন্ত্রণালয়, বিভাগীয় কমিশনার, জেলা প্রশাসক এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের (ইউএনও) এই বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ ও সংশ্লিষ্টদের সচেতন করার জন্য সবিনয় অনুরোধ জানিয়েছে । এছাড়া আইসিটি শাখার মাধ্যমে এই নির্দেশনা ওয়েবসাইট ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচারের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে যাতে ভবিষ্যতে কেউ ‘অবহিত নন’ বলে দাবি করতে না পারেন ।

admin

আমি একজন সরকারী চাকরিজীবি। দীর্ঘ ১০ বছর যাবৎ চাকুরির সুবাদে সরকারি চাকরি বিধি বিধান নিয়ে পড়াশুনা করছি। বিএসআর ব্লগে সরকারি আদেশ, গেজেট, প্রজ্ঞাপন ও পরিপত্র পোস্ট করা হয়। এ ব্লগের কোন পোস্ট নিয়ে প্রশ্ন থাকলে বা ব্যাখ্যা জানতে পোস্টের নিচে কমেন্ট করুন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *