সরকারি কর্মচারী হাসপাতালের সেবায় মুগ্ধ ডাক বিভাগের কর্মচারী: উন্নত চিকিৎসার নতুন আস্থার প্রতীক
বর্তমান সময়ে সাধারণ মানুষের মাঝে সরকারি হাসপাতালের সেবা নিয়ে নানা দ্বিধা থাকলেও, সেই ধারণা বদলে দিচ্ছে ঢাকার ‘সরকারি কর্মচারী হাসপাতাল’। সম্প্রতি এই হাসপাতালের সেবায় সন্তোষ প্রকাশ করে অন্য সরকারি চাকরিজীবীদেরও এখানে চিকিৎসা নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন বাংলাদেশ ডাক বিভাগের এক কর্মচারী।
ডাক অধিদপ্তরের (আগারগাঁও) কর্মরত মোঃ জামাল হোসেন জানান, প্রায় চার মাস আগে তার স্ত্রীর সন্তান প্রসবের (সিজারিয়ান অপারেশন) জন্য তিনি এই হাসপাতালে শরণাপন্ন হন। সেখানে তিনি যে অভিজ্ঞতা অর্জন করেছেন, তা কোনো নামী-দামী বেসরকারি হাসপাতালের চেয়ে কম নয়।
উন্নত সেবা ও দক্ষ জনবল জামাল হোসেনের মতে, হাসপাতালের ডাক্তার, নার্স এবং সাপোর্টিং স্টাফদের ব্যবহার ও কর্মতৎপরতা অত্যন্ত প্রশংসনীয়। তিনি বলেন, “সেখানকার চিকিৎসক ও নার্সরা অত্যন্ত আন্তরিক। সিজারিয়ান অপারেশনের শুরু থেকে পরবর্তী যত্ন পর্যন্ত তারা সার্বক্ষণিক তদারকি করেছেন।” বিশেষ করে হাসপাতালের পরিচ্ছন্ন পরিবেশ এবং আধুনিক চিকিৎসা সরঞ্জাম তাকে মুগ্ধ করেছে।
সাশ্রয়ী মূল্যে আধুনিক চিকিৎসা বেসরকারি হাসপাতালগুলোতে যেখানে প্রসূতি সেবার নামে ‘টাকার পাহাড়’ খরচ করতে হয়, সেখানে সরকারি কর্মচারী হাসপাতালে অত্যন্ত সামান্য খরচে সিজারিয়ান বা নরমাল ডেলিভারির মতো গুরুত্বপূর্ণ সেবা পাওয়া যাচ্ছে। জামাল হোসেন বলেন, “নামী-দামী হাসপাতালে অযথা লাখ লাখ টাকা নষ্ট না করে সরকারি চাকরিজীবী ভাইদের উচিত এই হাসপাতালের সুবিধা গ্রহণ করা। এখানে খুবই কম খরচে ভিআইপি মানের সেবা নিশ্চিত করা হয়।”
অন্যদের জন্য পরামর্শ সরকারি কর্মচারী হিসেবে নিজের অধিকার ও সুযোগ-সুবিধা সম্পর্কে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি আরও বলেন, সরকারি কর্মকর্তাদের জন্য ডেডিকেটেড এই হাসপাতালটি এখন সেবার মানে অনন্য উচ্চতায় পৌঁছেছে। নিরাপদ মাতৃত্ব এবং মানসম্মত চিকিৎসার জন্য এটি একটি নির্ভরযোগ্য স্থান।
উল্লেখ্য, বাংলাদেশ ডাক বিভাগের আগারগাঁওস্থ ডাক অধিদপ্তরে কর্মরত মোঃ জামাল হোসেন তার এই ইতিবাচক অভিজ্ঞতার কথা জানিয়ে হাসপাতালের সকল স্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন। তার এই প্রশংসা অন্যান্য সরকারি কর্মচারীদের মাঝেও এই হাসপাতালের প্রতি আস্থা বাড়াবে বলে আশা করা হচ্ছে।


