আইবাস++ । পে ফিক্সেশন । ই-ফাইলিং

১২ হাজার ২৪০ টাকার বেতন ২০২৭ সালের জুলাইয়ে ২৬ হাজার ৯০০ টাকা

২০তম গ্রেডে নতুন পে-ফিকেশনের উদাহরণ, ১ জুলাই ২০২৬ থেকে ৫০%, জানুয়ারি ২০২৭ থেকে ৭৫% এবং জুলাই ২০২৭ থেকে শতভাগ সুবিধা

ঢাকা, ৬ অক্টোবর: জাতীয় বেতনস্কেল-২০২৬ কার্যকর হওয়ার পর সরকারি কর্মচারীদের বেতন কাঠামোয় বড় পরিবর্তন এসেছে। নতুন স্কেলে ২০তম গ্রেডের প্রারম্ভিক মূল বেতন নির্ধারণ করা হয়েছে ২০ হাজার টাকা এবং এই গ্রেডের বেতনসীমা ২০ হাজার থেকে ৪৮ হাজার ৪০০ টাকা।

এরই মধ্যে ২০তম গ্রেডের একজন কর্মচারীর পে-ফিকেশনসংক্রান্ত একটি হিসাব সামনে এসেছে। ওই হিসাব অনুযায়ী, ৩০ জুন ২০২৬ তারিখে যাঁর মূল বেতন ছিল ১২ হাজার ২৪০ টাকা, নতুন স্কেলে তাঁর নির্ধারিত মূল বেতন দাঁড়িয়েছে ২৪ হাজার ৪০০ টাকা। তবে নতুন স্কেলের পুরো বর্ধিত অংশ একসঙ্গে কার্যকর হচ্ছে না। ১০ম থেকে ২০তম গ্রেডের জন্য সরকার বর্ধিত মূল বেতনের সুবিধা তিন ধাপে—৫০ শতাংশ, ৭৫ শতাংশ এবং শেষ ধাপে ১০০ শতাংশ—কার্যকর করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

এই নির্দিষ্ট উদাহরণে হিসাব অনুযায়ী, ২০২৭ সালের ১ জুলাই থেকে পূর্ণ সুবিধা কার্যকর হলে মূল বেতন দাঁড়াবে ২৫ হাজার ৬০০ টাকা। এর সঙ্গে ১ হাজার ৩০০ টাকার বার্ষিক ইনক্রিমেন্ট যুক্ত হলে মোট প্রাপ্য বেতন হবে ২৬ হাজার ৯০০ টাকা।

২০তম গ্রেডে নতুন বেতনসীমা কত

২০১৫ সালের জাতীয় বেতনস্কেলে ২০তম গ্রেডের বেতনসীমা ছিল ৮ হাজার ২৫০ থেকে ২০ হাজার ১০ টাকা। নতুন জাতীয় বেতনস্কেল-২০২৬-এ এই গ্রেডের বেতনসীমা হয়েছে ২০ হাজার থেকে ৪৮ হাজার ৪০০ টাকা। গেজেটভিত্তিক প্রকাশিত স্কেলেও ২০তম গ্রেডের ধাপগুলো ২০,০০০, ২১,০০০, ২২,১০০, ২৩,২০০, ২৪,৪০০, ২৫,৬০০, ২৬,৯০০ টাকা থেকে শুরু করে পর্যায়ক্রমে ৪৮,৪০০ টাকা পর্যন্ত দেখানো হয়েছে।

অর্থাৎ নতুন স্কেলে ২০তম গ্রেডের প্রারম্ভিক বেতন আগের ৮ হাজার ২৫০ টাকা থেকে বেড়ে ২০ হাজার টাকা হয়েছে। শতাংশের হিসাবে এটি প্রায় ১৪২ শতাংশ বৃদ্ধি। সরকারও নতুন বেতনস্কেল অনুমোদনের সময় সর্বনিম্ন গ্রেডে ১৪২ শতাংশ বৃদ্ধির কথা জানিয়েছে।

১২,২৪০ টাকা থেকে ২৪,৪০০ টাকা কীভাবে হলো

এখানে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো নতুন স্কেলে বেতন নির্ধারণের পদ্ধতি।

৩০ জুন ২০২৬ তারিখে সংশ্লিষ্ট কর্মচারীর মূল বেতন ছিল—

১২,২৪০ টাকা।

পুরোনো ২০তম গ্রেডের প্রারম্ভিক বেতন ছিল—

৮,২৫০ টাকা।

তাই প্রারম্ভিক বেতনের ওপর তাঁর অতিরিক্ত বেতন ছিল—

১২,২৪০ − ৮,২৫০ = ৩,৯৯০ টাকা।

এরপর নতুন স্কেলের ২০তম গ্রেডের প্রারম্ভিক বেতন ২০ হাজার টাকার সঙ্গে এই অতিরিক্ত অংশ যোগ করলে পাওয়া যায়—

২০,০০০ + ৩,৯৯০ = ২৩,৯৯০ টাকা।

নতুন স্কেলের নির্ধারিত ধাপ অনুযায়ী ২৩ হাজার ৯৯০ টাকার সমান বা তার পরবর্তী ধাপ হিসেবে ২৪ হাজার ৪০০ টাকা নির্ধারিত হয়।

অর্থাৎ ১ জুলাই ২০২৬ থেকে সংশ্লিষ্ট কর্মচারীর নতুন স্কেলে নির্ধারিত মূল বেতন হচ্ছে ২৪ হাজার ৪০০ টাকা।

এখানে একটি গুরুত্বপূর্ণ পার্থক্য মনে রাখতে হবে—২৪ হাজার ৪০০ টাকা হলো নতুন স্কেলে নির্ধারিত মূল বেতন; এটি প্রথম দিন থেকেই পুরোপুরি হাতে পাওয়া বেতন নয়। কারণ বর্ধিত অংশ পর্যায়ক্রমে কার্যকর করার সিদ্ধান্ত হয়েছে।

মোট বেতন কত বাড়ল

পুরোনো মূল বেতন ছিল—

১২,২৪০ টাকা

নতুন স্কেলে নির্ধারিত মূল বেতন—

২৪,৪০০ টাকা

সুতরাং নতুন স্কেলে মোট বর্ধিত অংশ—

২৪,৪০০ − ১২,২৪০ = ১২,১৬০ টাকা।

এই ১২ হাজার ১৬০ টাকাই তিন ধাপে কার্যকর হবে।

১০ম থেকে ২০তম গ্রেডের জন্য প্রথম ধাপে বর্ধিত অংশের ৫০ শতাংশ, দ্বিতীয় ধাপে মোট ৭৫ শতাংশ এবং তৃতীয় ধাপে ১০০ শতাংশ কার্যকর করার সরকারি কাঠামো নির্ধারিত হয়েছে।

১ জুলাই ২০২৬: প্রথম ধাপে ৫০ শতাংশ সুবিধা

মোট বর্ধিত অংশের ৫০ শতাংশ—

১২,১৬০ × ৫০% = ৬,০৮০ টাকা।

অর্থাৎ পুরোনো ১২ হাজার ২৪০ টাকার সঙ্গে প্রথম ধাপের ৬ হাজার ৮০ টাকা যোগ করলে পাওয়া যায়—

১২,২৪০ + ৬,০৮০ = ১৮,৩২০ টাকা।

এর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট হিসাব বিবরণীতে ১ হাজার ২০০ টাকার বার্ষিক ইনক্রিমেন্ট যুক্ত করে প্রাপ্য বেতন দেখানো হয়েছে—

১৮,৩২০ + ১,২০০ = ১৯,৫২০ টাকা।

অর্থাৎ প্রথম ধাপে সংশ্লিষ্ট কর্মচারীর প্রাপ্য অঙ্ক ১৯ হাজার ৫২০ টাকা পর্যন্ত দাঁড়ানোর হিসাব রয়েছে।

১ জানুয়ারি ২০২৭: মোট ৭৫ শতাংশ সুবিধা

দ্বিতীয় ধাপে বর্ধিত অংশের আরও ২৫ শতাংশ কার্যকর হবে। ফলে মোট সুবিধা দাঁড়াবে ৭৫ শতাংশ।

১২ হাজার ১৬০ টাকার ২৫ শতাংশ—

১২,১৬০ × ২৫% = ৩,০৪০ টাকা।

প্রথম ধাপের ৫০ শতাংশের সঙ্গে আরও ৩ হাজার ৪০ টাকা যোগ হলে বর্ধিত অংশের মোট কার্যকর অংশ দাঁড়ায়—

৬,০৮০ + ৩,০৪০ = ৯,১২০ টাকা।

অর্থাৎ ১২ হাজার ২৪০ টাকার সঙ্গে ৯ হাজার ১২০ টাকা যোগ করলে পাওয়া যায়—

২১,৩৬০ টাকা।

তবে প্রদর্শিত পে-ফিকেশন বিবরণীতে ১ জানুয়ারি ২০২৭ থেকে প্রাপ্য বেতন ২২ হাজার ৫৬০ টাকা দেখানো হয়েছে। ফলে এখানে ইনক্রিমেন্ট/ধাপ প্রয়োগের সুনির্দিষ্ট পদ্ধতিটি চূড়ান্ত পে-ফিকেশন নথির সঙ্গে মিলিয়ে দেখা প্রয়োজন।

১ জুলাই ২০২৭: পূর্ণ ১০০ শতাংশ সুবিধা

তৃতীয় ধাপে নতুন স্কেলে নির্ধারিত বর্ধিত মূল বেতনের শতভাগ কার্যকর হবে।

এই পর্যায়ে সংশ্লিষ্ট কর্মচারীর মূল বেতন দেখানো হয়েছে—

২৫ হাজার ৬০০ টাকা।

২০তম গ্রেডের নতুন স্কেলের ধাপগুলোতেও ২৫ হাজার ৬০০ টাকার পরবর্তী ধাপ ২৬ হাজার ৯০০ টাকা।

এর সঙ্গে ১ জুলাই ২০২৭-এর বার্ষিক ইনক্রিমেন্ট ১ হাজার ৩০০ টাকা যুক্ত হলে—

২৫,৬০০ + ১,৩০০ = ২৬,৯০০ টাকা।

ফলে ২০২৭ সালের জুলাইয়ে ইনক্রিমেন্টসহ মোট প্রাপ্য বেতন দাঁড়াবে ২৬ হাজার ৯০০ টাকা—এটাই এই উদাহরণের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অঙ্ক।

এক নজরে পুরো বেতন হিসাব

সময়সুবিধাহিসাব অনুযায়ী বেতন
৩০ জুন ২০২৬পুরোনো স্কেল১২,২৪০ টাকা
১ জুলাই ২০২৬নতুন স্কেলে নির্ধারিত মূল বেতন২৪,৪০০ টাকা
১ জুলাই ২০২৬৫০% সুবিধা১৮,৩২০ টাকা
১ জুলাই ২০২৬ইনক্রিমেন্টসহ১৯,৫২০ টাকা
১ জানুয়ারি ২০২৭মোট ৭৫% সুবিধা২২,৫৬০ টাকা (নথিভুক্ত হিসাব)
১ জুলাই ২০২৭১০০% সুবিধা২৫,৬০০ টাকা
১ জুলাই ২০২৭ইনক্রিমেন্টসহ২৬,৯০০ টাকা

১২,২৪০ থেকে ২৬,৯০০—মোট কত টাকা বাড়ছে

৩০ জুন ২০২৬-এ বেতন ছিল ১২ হাজার ২৪০ টাকা।

২০২৭ সালের জুলাইয়ে ইনক্রিমেন্টসহ প্রাপ্য অঙ্ক হচ্ছে ২৬ হাজার ৯০০ টাকা।

অর্থাৎ মোট পার্থক্য—

২৬,৯০০ − ১২,২৪০ = ১৪,৬৬০ টাকা।

শতাংশের হিসাবে—

১৪,৬৬০ ÷ ১২,২৪০ × ১০০ ≈ ১১৯.৮%।

অর্থাৎ প্রায় ১২০ শতাংশ বৃদ্ধি।

তবে এই ১২০ শতাংশকে পুরোপুরি ‘নতুন পে-স্কেলে মূল বেতন বৃদ্ধি’ বলা ঠিক হবে না। কারণ ২৬ হাজার ৯০০ টাকার অঙ্কের মধ্যে নতুন স্কেলের বেতন বৃদ্ধির পাশাপাশি বার্ষিক ইনক্রিমেন্টও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

কেন ২৪,৪০০ টাকা নির্ধারণ হলেও প্রথমে ১৮,৩২০ টাকা পাওয়া যাচ্ছে

এখানেই অনেকের মধ্যে বিভ্রান্তি তৈরি হতে পারে।

নতুন স্কেলে কর্মচারীর নির্ধারিত মূল বেতন হচ্ছে ২৪ হাজার ৪০০ টাকা। কিন্তু সরকার বাজেটের আর্থিক চাপ বিবেচনায় বর্ধিত অংশ একবারে পুরোপুরি কার্যকর না করে ধাপে ধাপে কার্যকর করছে।

সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ১০ম থেকে ২০তম গ্রেডে—

  • ১ জুলাই ২০২৬: বর্ধিত অংশের ৫০%
  • ১ জানুয়ারি ২০২৭: বর্ধিত অংশের মোট ৭৫%
  • ১ জুলাই ২০২৭: বর্ধিত অংশের মোট ১০০%

কার্যকর হবে।

অর্থাৎ পে-ফিকেশনে নতুন মূল বেতন নির্ধারণ করা এবং সেই বেতনের পুরো আর্থিক সুবিধা হাতে পাওয়া—দুটি বিষয় আলাদা।

২০তম গ্রেডের জন্য কেন এটি গুরুত্বপূর্ণ

জাতীয় বেতনস্কেল-২০২৬ বাস্তবায়নে সরকার নিম্ন বেতনধারীদের অগ্রাধিকার দিয়েছে। ১০ম থেকে ২০তম গ্রেডের কর্মচারীদের প্রথম ধাপেই বর্ধিত মূল বেতনের ৫০ শতাংশ সুবিধা দেওয়া হয়েছে।

এর ফলে ২০তম গ্রেডের মতো নিম্নতম গ্রেডের কর্মচারীদের জন্য নতুন স্কেলের প্রভাব তুলনামূলকভাবে দ্রুত দৃশ্যমান হচ্ছে।

তবে বেতন বাড়লেও নতুন কাঠামোর অন্যান্য ভাতা একই সময়ে পুরোপুরি কার্যকর হচ্ছে না। প্রকাশিত কাঠামো অনুযায়ী নতুন হারে বিভিন্ন ভাতা ১ জানুয়ারি ২০২৮ থেকে কার্যকর হওয়ার কথা রয়েছে।

শুধু ২০তম গ্রেডের ক্ষেত্রেই এই হিসাব প্রযোজ্য নয়

এখানে যে হিসাবটি দেখানো হয়েছে, সেটি একজন নির্দিষ্ট কর্মচারীর পে-ফিকেশন উদাহরণ। অন্য কর্মচারীর ক্ষেত্রে একই অঙ্ক প্রযোজ্য হবে না।

কারণ পে-ফিকেশনের সময় বিবেচনায় আসতে পারে—

  • বর্তমান মূল বেতন;
  • পুরোনো বেতনস্কেলের ধাপ;
  • নতুন বেতনস্কেলের সংশ্লিষ্ট ধাপ;
  • বার্ষিক ইনক্রিমেন্ট;
  • চাকরিতে যোগদানের তারিখ;
  • পদোন্নতি;
  • উচ্চতর গ্রেড;
  • বেতন নির্ধারণের বিশেষ বিধান;
  • ইতোমধ্যে পাওয়া বিশেষ সুবিধা বা অন্যান্য প্রাপ্য অর্থ।

তাই ১২ হাজার ২৪০ টাকা থেকে ২৬ হাজার ৯০০ টাকার এই হিসাবকে ২০তম গ্রেডের একটি বাস্তব উদাহরণ হিসেবে দেখা উচিত, সবার জন্য একই বেতন হিসাব হিসেবে নয়।

পে-ফিকেশন নথি যাচাই কেন জরুরি

প্রদর্শিত বিবরণীতে ‘মাই রানিং ফিক্সেশন (জিওবি স্টাফ)’ সিস্টেম থেকে তৈরি হিসাবের উল্লেখ রয়েছে। নথিতে গোপনীয় ব্যক্তিগত তথ্য বাদ দেওয়া হয়েছে এবং ভেরিফিকেশন নম্বরের ঘরে ‘খসড়া’ থাকার কথাও উল্লেখ করা হয়েছে।

এ কারণে সংবাদে থাকা অঙ্কগুলো নতুন জাতীয় বেতনস্কেলের প্রকাশিত ধাপের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ হলেও সংশ্লিষ্ট কর্মচারীর চূড়ান্ত অনুমোদিত পে-ফিকেশন কপি দিয়ে প্রতিটি ধাপ যাচাই করা গুরুত্বপূর্ণ।

বিশেষ করে ১ জানুয়ারি ২০২৭-এর ২২ হাজার ৫৬০ টাকা কীভাবে নির্ধারিত হয়েছে এবং কোন ইনক্রিমেন্ট/ধাপ এতে অন্তর্ভুক্ত হয়েছে—এটি চূড়ান্ত নথি ছাড়া নিশ্চিতভাবে সাধারণীকরণ করা উচিত নয়।

সার্বিক বিশ্লেষণ

জাতীয় বেতনস্কেল-২০২৬-এর ২০তম গ্রেডে প্রারম্ভিক মূল বেতন ২০ হাজার টাকা এবং সর্বোচ্চ ধাপ ৪৮ হাজার ৪০০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

এই কাঠামোয় ৩০ জুন ২০২৬ তারিখে ১২ হাজার ২৪০ টাকা মূল বেতন পাওয়া একজন কর্মচারীর ক্ষেত্রে পে-ফিকেশন করে ২৪ হাজার ৪০০ টাকা নতুন মূল বেতন নির্ধারণের উদাহরণটি দেখাচ্ছে, কিন্তু ওই বর্ধিত বেতন ধাপে ধাপে কার্যকর হচ্ছে।

প্রথমে ৫০ শতাংশ, এরপর মোট ৭৫ শতাংশ এবং ১ জুলাই ২০২৭ থেকে শতভাগ সুবিধা কার্যকর হবে। সরকারি সিদ্ধান্তের এই ধাপভিত্তিক কাঠামো মূল বেতন বাস্তবায়নের আর্থিক চাপকে পর্যায়ক্রমে সামাল দেওয়ার উদ্দেশ্যে নেওয়া হয়েছে।

এই নির্দিষ্ট উদাহরণে ২০২৭ সালের জুলাইয়ে মূল বেতন ২৫ হাজার ৬০০ টাকা এবং ১ হাজার ৩০০ টাকা ইনক্রিমেন্ট যোগ করে মোট প্রাপ্য বেতন ২৬ হাজার ৯০০ টাকা হওয়ার হিসাব দেখানো হয়েছে।

অর্থাৎ ৩০ জুন ২০২৬-এর ১২ হাজার ২৪০ টাকা থেকে ২০২৭ সালের জুলাইয়ে ২৬ হাজার ৯০০ টাকা—মোট ১৪ হাজার ৬৬০ টাকা বেশি। শতাংশের হিসাবে এটি প্রায় ১২০ শতাংশ বৃদ্ধি।

তবে চূড়ান্ত বেতন নির্ধারণের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট কর্মচারীর অনুমোদিত পে-ফিকেশন, সার্ভিস বুক এবং প্রযোজ্য সরকারি বিধানই হবে চূড়ান্ত ভিত্তি।

পে ফিক্সেশন ২০২৬ ২০ তম গ্রেডে

admin

আমি একজন সরকারী চাকরিজীবি। দীর্ঘ ১০ বছর যাবৎ চাকুরির সুবাদে সরকারি চাকরি বিধি বিধান নিয়ে পড়াশুনা করছি। বিএসআর ব্লগে সরকারি আদেশ, গেজেট, প্রজ্ঞাপন ও পরিপত্র পোস্ট করা হয়। এ ব্লগের কোন পোস্ট নিয়ে প্রশ্ন থাকলে বা ব্যাখ্যা জানতে পোস্টের নিচে কমেন্ট করুন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *