সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি পুনর্গঠন ২০২৬ । অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীকে আহ্বায়ক করে?
দেশের সরকারি ক্রয় প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে এবং উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে গতিশীলতা আনতে ‘সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি’ পুনর্গঠন করেছে সরকার। নবগঠিত এই কমিটির আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী।
মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত একটি বিশেষ প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। একই দিনে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক) এবং অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটিও পুনর্গঠন করা হয়।
কমিটির কাঠামো ও সদস্যবৃন্দ
পুনর্গঠিত এই ক্রয় কমিটিতে আহ্বায়ক ছাড়াও গুরুত্বপূর্ণ বেশ কয়েকটি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রীদের সদস্য হিসেবে রাখা হয়েছে। কমিটির সদস্যরা হলেন:
স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী
পররাষ্ট্রমন্ত্রী
শিল্পমন্ত্রী
বস্ত্র ও পাট মন্ত্রী
বাণিজ্যমন্ত্রী
আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী
এছাড়া, যখন যে মন্ত্রণালয়ের ক্রয় প্রস্তাব আলোচিত হবে, সংশ্লিষ্ট সেই মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীও কমিটির সদস্য হিসেবে সভায় উপস্থিত থাকবেন।
সহায়তাকারী ও সাচিবিক দায়িত্ব
কমিটিকে সাচিবিক সহায়তা প্রদানের দায়িত্ব পালন করবে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। প্রশাসনিক ও কারিগরি সহায়তাকারী হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন:
মন্ত্রিপরিষদ সচিব।
প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব।
অর্থ বিভাগের সচিব।
সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সচিববৃন্দ।
কমিটির গুরুত্ব ও কার্যপরিধি
সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি হলো দেশের রাষ্ট্রীয় কোষাগারের অর্থ ব্যবহারের মাধ্যমে সম্পাদিত বড় বড় ক্রয় বা প্রকল্প অনুমোদনের সর্বোচ্চ কর্তৃপক্ষ। সাধারণত মন্ত্রণালয় বা বিভাগের আর্থিক সীমার (বর্তমানে ১০০ কোটি টাকার উপরে) বাইরের প্রস্তাবগুলো এই কমিটির অনুমোদনের জন্য পাঠানো হয়।
বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন সরকারের অধীনে এই কমিটি পুনর্গঠনের ফলে গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো নির্মাণ, জ্বালানি আমদানি এবং বড় ধরনের যন্ত্রপাতি ক্রয়ের ক্ষেত্রে দীর্ঘসূত্রিতা কমবে এবং জবাবদিহিতা নিশ্চিত হবে।
প্রেক্ষাপট
উল্লেখ্য যে, একই প্রজ্ঞাপনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে সভাপতি এবং বিএনপির মহাসচিব ও স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে বিকল্প সভাপতি করে ‘একনেক’ কমিটিও পুনর্গঠন করা হয়েছে। এর ফলে দেশের নীতিনির্ধারণী পর্যায় থেকে শুরু করে মাঠ পর্যায়ের বাস্তবায়ন পর্যন্ত একটি সুসংগঠিত প্রশাসনিক কাঠামো তৈরি হলো বলে মনে করছে সংশ্লিষ্ট মহল।
দ্রষ্টব্য: এই প্রতিবেদনটি আপনার দেওয়া তথ্যের ওপর ভিত্তি করে একটি নিউজ ফরম্যাটে তৈরি করা হয়েছে। আপনি কি এই সংবাদটির কোনো বিশেষ অংশ (যেমন কমিটির আর্থিক ক্ষমতা বা সুনির্দিষ্ট কোনো প্রকল্পের প্রভাব) নিয়ে আরও বিস্তারিত জানতে চান? বললেই আমি লিখে দিতে পারি।



