সরকারি চাকরিজীবীদের ভবিষ্য তহবিলে ‘সুদ’-এর পরিবর্তে ‘মুনাফা’ শব্দ যুক্ত করার নির্দেশ
সরকারি চাকরিজীবীদের সাধারণ ভবিষ্য তহবিলের (জিপিএফ) ক্ষেত্রে ‘সুদ’ শব্দটির ব্যবহার বিলুপ্ত করে এর পরিবর্তে ‘মুনাফা’ শব্দটি ব্যবহারের নির্দেশ প্রদান করেছে অর্থ মন্ত্রণালয়। সম্প্রতি অর্থ বিভাগের প্রবিধি অনুবিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত একটি নির্দেশনা জারি করা হয়েছে।
নির্দেশনার প্রেক্ষাপট ও বিস্তারিত: অর্থ মন্ত্রণালয়ের প্রবিধি অনুবিভাগের প্রজ্ঞাপনে দেখা যায়, সরকারি কর্মচারী পেনশনের সহজীকরণ আদেশ, ২০২০-এর ২.০৫(খ) এবং ২.০৬(ঘ) অনুচ্ছেদের বিধান অনুযায়ী, চাকরিজীবীদের ভবিষ্য তহবিলের মুনাফাসহ জমা অন্তর্ভুক্ত করার নির্দেশনা রয়েছে। পূর্বে জারীকৃত পেনশন সহজীকরণ আদেশ, ২০০৯-এ ভবিষ্য তহবিলের আয়ের ক্ষেত্রে ‘সুদ’ শব্দটি ব্যবহৃত হলেও, নতুন আদেশে সেটিকে ‘মুনাফা’ হিসেবে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।
এই পরিবর্তনের মূল উদ্দেশ্য হলো বিদ্যমান ভবিষ্য তহবিলের হিসাব সংক্রান্ত ফরম ও অন্যান্য সকল নথিপত্রে অভিন্ন শব্দ ব্যবহার নিশ্চিত করা। এর আগে অর্থ বিভাগের ১৯ অক্টোবর ২০০৯ তারিখের এস.আর.ও নং-২৩৪-আইন/২০০৯ অনুযায়ী ‘জেনারেল প্রভিডেন্ট ফান্ড রুলস, ১৯৭৯’-এ ‘Interest’ শব্দের পরিবর্তে ‘Interest or increment’ শব্দগুলি প্রতিস্থাপন করা হয়েছিল। এরই ধারাবাহিকতায় বর্তমান নির্দেশের মাধ্যমে সকল সংশ্লিষ্ট হিসাবরক্ষণ অফিসকে এখন থেকে ‘সুদ/ইনক্রিমেন্ট’-এর পরিবর্তে শুধুমাত্র ‘মুনাফা’ শব্দটি ব্যবহারের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
সারসংক্ষেপ: সরকারি চাকরিজীবীদের ভবিষ্য তহবিলের সাথে সংশ্লিষ্ট বিদ্যমান সকল ফরম ও নথিপত্রে এখন থেকে আর ‘সুদ’ বা ‘ইনক্রিমেন্ট’ শব্দগুলো ব্যবহার করা হবে না। এর পরিবর্তে সরকারি পরিপত্র অনুযায়ী ‘মুনাফা’ শব্দটি ব্যবহারের বাধ্যবাধকতা আরোপ করা হয়েছে, যা কার্যকর করার জন্য সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোকে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে বলা হয়েছে।


