নবম পে-স্কেলের গেজেট প্রকাশ এবং ২০২৬ সালের প্রথমার্ধে অবসরে যাওয়া চাকরিজীবীদের অন্তর্ভুক্তির জোরালো দাবি
সরকারি চাকরিজীবীদের দীর্ঘ প্রতীক্ষিত নবম জাতীয় পে-স্কেলের গেজেট অবিলম্বে প্রকাশের দাবি জোরালো হয়ে উঠেছে। একই সঙ্গে ২০২৬ সালের জানুয়ারি থেকে জুন মাস পর্যন্ত পূর্ণ অবসরে যাওয়া সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নবম পে-স্keলের আওতাভুক্ত করার দাবি জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। তাদের মূল বেতন (बेसिक), লাম্প গ্রান্ট এবং গ্রাচুইটি নবম পে-স্কেলের আলোকে পুনঃনির্ধারণের জোর দাবি জানানো হয়েছে।
অবসরপ্রাপ্তদের প্রধান দাবি ও আশঙ্কা
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, যারা চলতি বছরের প্রথমার্ধে (জানুয়ারি থেকে জুন মাস পর্যন্ত) সরকারি চাকরি থেকে অবসর গ্রহণ করেছেন, তারা নতুন পে-স্কেলের বাইরে থাকলে মারাত্মক আর্থিক বৈষম্যের শিকার হবেন। বর্ধিত সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত হলে তারা জীবিকা নির্বাহে এবং ভবিষ্যতে আর্থিকভাবে ভীষণ ক্ষতিগ্রস্ত হবেন। তাই এই সংকট নিরসনে অতি দ্রুত সরকারের নীতিগত সিদ্ধান্তে তাদের নবম পে-স্কেলের সুবিধাভোগী হিসেবে যুক্ত করার দাবি জানানো হয়েছে।
বর্তমান পে-স্কেল পরিস্থিতি ও আন্দোলন
দীর্ঘ এক দশকেরও বেশি সময় পর সরকারি কর্মচারীদের জন্য নতুন বেতন কাঠামোর রূপরেখা তৈরি হয়েছে। বিভিন্ন মহলের দাবি ও আন্দোলন এবং পে কমিশনের সুপারিশের পর এখন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের পক্ষ থেকে গেজেট প্রকাশের প্রস্তুতি চলছে। এমতাবস্থায়, দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আন্দোলনরত ও সোচ্চার সংগ্রামী নেতৃবৃন্দের প্রতি কৃতজ্ঞতা ও ফুলেল শুভেচ্ছা জানিয়েছেন ভুক্তভোগী অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারীরা। তাদের আহ্বান, নেতৃবৃন্দ যেন অবিলম্বে এই যৌক্তিক দাবিটি সরকারের উচ্চপর্যায়ে জোরালোভাবে উপস্থাপন করেন।
সংশ্লিষ্ট মহলের প্রত্যাশা
চলমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতি ও মূল্যস্ফীতির চাপে সাধারণ চাকরিজীবীদের পাশাপাশি অবসরপ্রাপ্ত প্রবীণ ব্যক্তিরাও বিপর্যস্ত। তাই নবম জাতীয় পে-স্কেলের গেজেট প্রকাশের মাধ্যমেই কেবল এই দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটতে পারে। একই সঙ্গে গেজেট জারির প্রজ্ঞাপনে ২০২৬ সালের প্রথমার্ধের অবসরপ্রাপ্তদের অন্তর্ভুক্ত করার বিষয়ে সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা থাকবে—এমনটাই এখন সকলের প্রত্যাশা।



