পে স্কেল ২০২৬ গেজেট pdf: ১ম থেকে ২০তম গ্রেডের নতুন পে স্কেল চার্ট যেভাবে পাবেন, জানুন বেতন নির্ধারণ ও বকেয়ার হিসাব
বাংলাদেশের সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য নতুন জাতীয় বেতন স্কেল ২০২৬ কার্যকর হওয়ার পর এখন সবচেয়ে বেশি আগ্রহ তৈরি হয়েছে গ্রেডভিত্তিক বেতন চার্ট, নতুন মূল বেতন, পে ফিক্সেশন এবং বকেয়া বেতন নিয়ে। বিশেষ করে ১ম থেকে ২০তম গ্রেডের কর্মচারীরা জানতে চাইছেন, নতুন বেতন কাঠামোয় তাঁদের মূল বেতন কত হবে এবং সরকারি ওয়েবসাইট থেকে কীভাবে পূর্ণাঙ্গ পে স্কেল চার্ট সংগ্রহ করা যাবে।
গত ১৭ সেপ্টেম্বর অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগ থেকে ‘চাকরি (বেতন ও ভাতাদি) আদেশ, ২০২৬’ জারি করা হয়। বাংলাদেশ সরকারি মুদ্রণালয়ের গেজেট আর্কাইভে এটি এস.আর.ও. নং ৩৪৭-আইন/২০২৬ হিসেবে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। ১৯ সেপ্টেম্বর অর্থ বিভাগের ওয়েবসাইটেও আদেশটি প্রকাশ করা হয়। নতুন বেতন কাঠামো ১ জুলাই ২০২৬ থেকে কার্যকর বলে গণ্য হবে।
নতুন বেতন স্কেলে বিদ্যমান ২০টি গ্রেড বহাল রাখা হয়েছে। ১ম গ্রেডের মূল বেতন ১ লাখ ৫৬ হাজার টাকা এবং ২০তম গ্রেডের প্রারম্ভিক মূল বেতন ২০ হাজার টাকা নির্ধারণের তথ্য প্রকাশিত হয়েছে। তবে প্রত্যেক কর্মচারী প্রথম মাস থেকেই নতুন স্কেলের শতভাগ মূল বেতন পাবেন না। সরকার পর্যায়ক্রমে বেতন বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
জাতীয় বেতন স্কেল ২০২৬-এর চার্ট কোথায় পাওয়া যাবে?
সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা অর্থ বিভাগের ওয়েবসাইট এবং বাংলাদেশ সরকারি মুদ্রণালয়ের গেজেট আর্কাইভ থেকে নতুন বেতন স্কেলের মূল আদেশ ও সংযুক্ত বেতন চার্ট সংগ্রহ করতে পারবেন।
পূর্ণাঙ্গ চার্টে প্রতিটি গ্রেডের প্রারম্ভিক মূল বেতন, বার্ষিক বেতন বৃদ্ধির ধাপ এবং সর্বশেষ ধাপের তথ্য দেখতে হবে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত কোনো চার্টের পরিবর্তে সরকারি গেজেটের সঙ্গে তথ্য মিলিয়ে নেওয়া জরুরি।
সরকারি বেতন চার্ট সংগ্রহের জন্য নিচের দুটি ওয়েবসাইট ব্যবহার করা যাবে।
অর্থ বিভাগের ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে সংশ্লিষ্ট আদেশের সংযুক্ত ফাইল ডাউনলোড করতে হবে। অন্যদিকে সরকারি মুদ্রণালয়ের আর্কাইভে ১৭ সেপ্টেম্বরের এস.আর.ও. নং ৩৪৭-আইন/২০২৬ খুঁজে সংশ্লিষ্ট গেজেট সংগ্রহ করা যাবে।
সরকারি প্রতিষ্ঠানের ধরন অনুযায়ী পৃথক বেতন আদেশও প্রকাশিত হয়েছে। স্বশাসিত ও রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান, ব্যাংক-বিমা ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান, বাংলাদেশ পুলিশ এবং বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের জন্য সংশ্লিষ্ট আদেশ দেখে বেতন নির্ধারণ করতে হবে।
নতুন বেতন স্কেল ২০২৬: গুরুত্বপূর্ণ তথ্য একনজরে
| বিষয় | বিস্তারিত |
|---|---|
| বেতন কাঠামো | জাতীয় বেতন স্কেল ২০২৬ |
| গেজেটের তারিখ | ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ |
| গেজেট নম্বর | এস.আর.ও. ৩৪৭-আইন/২০২৬ |
| কার্যকর তারিখ | ১ জুলাই ২০২৬ |
| মোট গ্রেড | ২০টি |
| ১ম গ্রেডের মূল বেতন | ১,৫৬,০০০ টাকা |
| ২০তম গ্রেডের প্রারম্ভিক মূল বেতন | ২০,০০০ টাকা |
| বেতন নির্ধারণ | iBAS++ Pay Fixation |
| পূর্ণ মূল বেতন কার্যকর | ১ জুলাই ২০২৭ |
| নতুন হারে ভাতা কার্যকর | ১ জানুয়ারি ২০২৮ |
উল্লিখিত তথ্যের পাশাপাশি প্রতিটি গ্রেডের মধ্যবর্তী বেতন ধাপ জানতে মূল গেজেটের সংযুক্ত বেতনসূচি অনুসরণ করতে হবে।
তিন ধাপে কার্যকর হচ্ছে নতুন বেতন স্কেল
নতুন বেতন কাঠামোর একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, মূল বেতনের বৃদ্ধি একবারে কার্যকর না করে তিন ধাপে বাস্তবায়নের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।
প্রকাশিত বেতন আদেশ অনুযায়ী, ৯ম গ্রেড ও তদূর্ধ্ব এবং ১০ম থেকে ২০তম গ্রেডের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য বেতন বৃদ্ধির হার পৃথকভাবে নির্ধারণ করা হয়েছে।
নতুন স্কেলে নির্ধারিত মূল বেতন এবং পুরোনো মূল বেতনের পার্থক্যের একটি নির্দিষ্ট অংশ প্রথম দুই ধাপে দেওয়া হবে। তৃতীয় ধাপে কার্যকর হবে সম্পূর্ণ নতুন মূল বেতন।
| বাস্তবায়নের সময় | ১ম–৯ম গ্রেড | ১০ম–২০তম গ্রেড |
|---|---|---|
| জুলাই–ডিসেম্বর ২০২৬ | পার্থক্যের ৪০% | পার্থক্যের ৫০% |
| জানুয়ারি–জুন ২০২৭ | পার্থক্যের ৭০% | পার্থক্যের ৭৫% |
| জুলাই ২০২৭ থেকে | পূর্ণ নতুন মূল বেতন | পূর্ণ নতুন মূল বেতন |
অর্থাৎ প্রথম ধাপে পুরোনো বেতনের সঙ্গে নতুন ও পুরোনো বেতনের পার্থক্যের নির্ধারিত অংশ যুক্ত হবে। পরবর্তী ধাপে এই অংশ বাড়বে এবং শেষ ধাপে নতুন স্কেল অনুযায়ী শতভাগ মূল বেতন কার্যকর হবে।
পে স্কেল চার্ট দেখে নিজের নতুন বেতন হিসাব করবেন যেভাবে
নতুন বেতন স্কেলের চার্টে একটি গ্রেডের প্রারম্ভিক মূল বেতন দেওয়া থাকলেও একই গ্রেডে কর্মরত সব কর্মকর্তা-কর্মচারীর মূল বেতন সমান হবে না।
কারণ, চাকরিতে যোগদানের তারিখ, পূর্ববর্তী মূল বেতন, বার্ষিক ইনক্রিমেন্ট, পদোন্নতি এবং উচ্চতর গ্রেড পাওয়ার মতো বিষয়গুলো নতুন বেতন নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ।
ধরা যাক, একজন কর্মচারীর পুরোনো মূল বেতন ২০ হাজার টাকা এবং নতুন স্কেলে তাঁর মূল বেতন ৩০ হাজার টাকা নির্ধারিত হয়েছে। সে ক্ষেত্রে দুই বেতনের পার্থক্য ১০ হাজার টাকা।
এই উদাহরণে কর্মচারী ১০ম থেকে ২০তম গ্রেডের অন্তর্ভুক্ত হলে তাঁর বেতন বৃদ্ধির হিসাব হবে নিম্নরূপ।
| সময়কাল | উদাহরণ অনুযায়ী মূল বেতন |
|---|---|
| পুরোনো মূল বেতন | ২০,০০০ টাকা |
| জুলাই–ডিসেম্বর ২০২৬ | ২৫,০০০ টাকা |
| জানুয়ারি–জুন ২০২৭ | ২৭,৫০০ টাকা |
| জুলাই ২০২৭ থেকে | ৩০,০০০ টাকা |
এটি কেবল বেতন নির্ধারণের পদ্ধতি বোঝানোর একটি কাল্পনিক উদাহরণ। প্রকৃত বেতন নির্ধারণের ক্ষেত্রে সরকারি গেজেট, প্রযোজ্য ইনক্রিমেন্ট এবং iBAS++-এ অনুমোদিত হিসাব অনুসরণ করতে হবে।
iBAS++-এ পে ফিক্সেশন শুরু, শেষ করার লক্ষ্য ২০ অক্টোবর
নতুন জাতীয় বেতন স্কেল বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে আজ সোমবার, ৫ অক্টোবর থেকে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের পে ফিক্সেশন কার্যক্রম শুরু হওয়ার কথা রয়েছে।
বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থার (বাসস) ৪ অক্টোবরের প্রতিবেদন অনুযায়ী, অর্থ বিভাগ ২০ অক্টোবরের মধ্যে বেতন নির্ধারণের কার্যক্রম সম্পন্ন করার নির্দেশ দিয়েছে।
নতুন বেতন নির্ধারণ করা হবে iBAS++-এর Pay Fixation মডিউলের মাধ্যমে। এ জন্য কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ব্যক্তিগত ও চাকরিসংক্রান্ত তথ্য যাচাই করতে হবে।
বিশেষ করে জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্য, জন্মতারিখ, বর্তমান পদ ও গ্রেড, চাকরিতে যোগদানের তারিখ এবং বিদ্যমান মূল বেতনের তথ্য সঠিক থাকতে হবে।
যাঁরা চাকরিজীবনে পদোন্নতি, টাইম স্কেল, সিলেকশন গ্রেড বা উচ্চতর গ্রেড পেয়েছেন, তাঁদের সংশ্লিষ্ট আদেশ ও পূর্ববর্তী বেতন নির্ধারণের তথ্যও প্রয়োজন হতে পারে।
বেতন নির্ধারণের কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে সংশ্লিষ্ট হিসাবরক্ষণ কার্যালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অনলাইন প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে।
অক্টোবরের বেতনের সঙ্গে তিন মাসের বকেয়া পাওয়ার কথা
নতুন বেতন স্কেল ১ জুলাই ২০২৬ থেকে কার্যকর বলে গণ্য হওয়ায় সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বকেয়া বেতনের বিষয়টিও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
বাসসের ৪ অক্টোবরের প্রতিবেদন অনুযায়ী, অক্টোবরের বেতনের সঙ্গে প্রায় তিন মাসের বকেয়া বা এরিয়ার পাওয়ার কথা রয়েছে। তবে প্রত্যেক কর্মচারীর বকেয়ার পরিমাণ এক হবে না।
পুরোনো ও নতুন মূল বেতনের পার্থক্য, সংশ্লিষ্ট গ্রেড, বেতন বৃদ্ধির কার্যকর হার এবং আগে পরিশোধিত অর্থের ওপর বকেয়ার হিসাব নির্ভর করবে।
এ ছাড়া ১ জুলাই ২০২৬ থেকে গেজেট জারির আগপর্যন্ত পাওয়া বিশেষ সুবিধার অর্থ নতুন বেতন স্কেলের আওতায় প্রাপ্য বকেয়ার সঙ্গে সমন্বয় করার বিধান রয়েছে। ফলে শুধু নতুন ও পুরোনো মূল বেতনের পার্থক্যকে মাসের সংখ্যা দিয়ে গুণ করলেই প্রত্যেকের চূড়ান্ত বকেয়া পাওয়া যাবে না।
বাড়িভাড়া, চিকিৎসা ও অন্যান্য ভাতা কবে বাড়বে?
নতুন বেতন স্কেলে মূল বেতন বৃদ্ধির পাশাপাশি বাড়িভাড়া, চিকিৎসা, যাতায়াত, উৎসব ও অন্যান্য ভাতা নিয়েও সরকারি চাকরিজীবীদের মধ্যে আগ্রহ রয়েছে।
প্রকাশিত বেতন আদেশ অনুযায়ী, উৎসব ভাতা ও বাংলা নববর্ষ ভাতাসহ অন্যান্য ভাতা ৩১ ডিসেম্বর ২০২৭ পর্যন্ত পূর্বের প্রযোজ্য হারেই দেওয়া হবে। নতুন বেতন কাঠামোয় নির্ধারিত হারে ভাতা কার্যকর হবে ১ জানুয়ারি ২০২৮ থেকে।
অর্থাৎ নতুন মূল বেতন কার্যকর হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে সব ধরনের ভাতা নতুন হারে পাওয়া যাবে না। এ ক্ষেত্রে গেজেটের সংশ্লিষ্ট বিধান অনুসরণ করতে হবে।
পেনশনভোগীদের জন্যও নতুন বেতন স্কেলে সুবিধা
নতুন বেতন কাঠামোর আওতায় পেনশনভোগীদের জন্যও পর্যায়ক্রমে বর্ধিত সুবিধার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।
প্রকাশিত আদেশ অনুযায়ী, বিদ্যমান নিট পেনশনের পরিমাণ বিবেচনায় প্রথম ধাপে পেনশন বৃদ্ধির ৪০ থেকে ৫০ শতাংশ এবং দ্বিতীয় ধাপে ৭০ থেকে ৭৫ শতাংশ কার্যকর হবে।
২০২৭ সালের ১ জুলাই থেকে নতুন কাঠামো অনুযায়ী পূর্ণ হারে নিট পেনশন দেওয়ার বিধান রয়েছে। অবসরপ্রাপ্ত ও আজীবন পারিবারিক পেনশনভোগীদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য শর্ত অনুযায়ী বকেয়া পাওয়ার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।
মোবাইল ফোনে পে স্কেল ২০২৬-এর PDF ডাউনলোড করবেন যেভাবে
যাঁরা মোবাইল ফোন ব্যবহার করেন, তাঁরাও সহজে নতুন বেতন স্কেলের সরকারি গেজেট সংগ্রহ করতে পারবেন।
প্রথমে মোবাইলের ইন্টারনেট ব্রাউজার থেকে বাংলাদেশ সরকারি মুদ্রণালয়ের ওয়েবসাইটে প্রবেশ করতে হবে। এরপর গেজেট আর্কাইভে গিয়ে ২০২৬ সালের সেপ্টেম্বর মাস নির্বাচন করতে হবে।
সেখানে ১৭ সেপ্টেম্বর তারিখের ‘চাকরি (বেতন ও ভাতাদি) আদেশ, ২০২৬’ শিরোনামের গেজেটটি খুঁজে বের করতে হবে। সংশ্লিষ্ট নথি খুলে PDF ডাউনলোডের সুবিধা থাকলে সেটি মোবাইলে সংরক্ষণ করা যাবে।
একইভাবে অর্থ বিভাগের ওয়েবসাইট থেকেও সংশ্লিষ্ট বেতন আদেশের সংযুক্ত ফাইল সংগ্রহ করা সম্ভব।
ডাউনলোড করা PDF-এ নিজের গ্রেডের বেতনসূচি খুঁজে দেখতে হবে। তবে শুধু চার্ট দেখে চূড়ান্ত বেতন ধরে না নিয়ে পে ফিক্সেশনের মাধ্যমে নির্ধারিত বেতনের সঙ্গে মিলিয়ে নেওয়া প্রয়োজন।
নতুন পে স্কেল নিয়ে সরকারি কর্মচারীদের করণীয়
নতুন বেতন কাঠামো বাস্তবায়নের এই পর্যায়ে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কাজ হচ্ছে নিজেদের চাকরিসংক্রান্ত তথ্য সঠিক রাখা।
বিশেষ করে ৩০ জুন ২০২৬ তারিখের মূল বেতন, বার্ষিক ইনক্রিমেন্ট, পদোন্নতি, উচ্চতর গ্রেড এবং পূর্ববর্তী বেতন নির্ধারণের আদেশ যাচাই করা প্রয়োজন।
পে ফিক্সেশনে কোনো তথ্যের অসংগতি দেখা দিলে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা অথবা হিসাবরক্ষণ কার্যালয়ের মাধ্যমে তা সংশোধনের উদ্যোগ নিতে হবে।
সবশেষে বলা যায়, জাতীয় বেতন স্কেল ২০২৬ সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন ও অবসরকালীন সুবিধার ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন। নতুন বেতন কাঠামোর সুফল সঠিকভাবে পেতে সরকারি গেজেটের বেতন চার্ট সংগ্রহ, চাকরির তথ্য যাচাই এবং নির্ভুল পে ফিক্সেশন নিশ্চিত করা জরুরি।
তথ্যসূত্র: অর্থ বিভাগ, অর্থ মন্ত্রণালয়; বাংলাদেশ সরকারি মুদ্রণালয়ের ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬-এর গেজেট; বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থার ৪ অক্টোবর ২০২৬-এর প্রতিবেদন এবং প্রকাশিত বেতন আদেশসংক্রান্ত সংবাদ।



