Refundable GPF Advance Rules 2025 । জিপিএফ হতে গৃহীত অগ্রিম একসাথে জমা দেয়ার কোন সুযোগ আছে কি?
সরকারী কর্মচারীগণ জিপিএফ (সাধারণ ভবিষ্য তহবিল) থেকে নিজ প্রয়োজনে অর্থ অগ্রিম গ্রহণ করে থাকে। এটি একটি বাধ্যতামূলক চাঁদা কর্তন তহবিল হওয়ায় ব্যক্তির বয়স ৫২ বছর পূর্ণ হওয়ার পূর্ব পর্যন্ত কোন অর্থ অগ্রিম গ্রহণ করলে তা কিস্তির মাধ্যমে ফেরত প্রদান করতে হয়-Refundable GPF Advance Rules 2025
গৃহীত অগ্রিম কি এক কিস্তিতে ফেরত দেয়া যায়? না। গৃহীত অগ্রিমের মাধ্যমে চাহিদা কাজের সমাপ্তি হইলে অনেক কর্মচারীই চায় সেই অগ্রিম গৃহীত ৫০ হাজার বা ১ লক্ষ টাকা এক সাথে জিপিএফ ফান্ডে ফেরত দিতে। অগ্রিম গ্রহণের সময় হয়তো একটি নির্দিষ্ট হারে অগ্রিম পরিশোধের মঞ্জুরী নিয়ে থাকে পরবর্তীতে তারা ফেরত দিতে গিয়ে দ্বিগুন বা তিন গুন হারে কেউ বা পুরো টাকাটা একসাথে বা একবারে ফেরত দিতে ইচ্ছা প্রকাশ করেন। এই টাকা সর্বোচ্চ কত টাকা হারে কাটাতে পারবে বা দ্বিগুন তিনগুন হারে কর্তন করা যাবে কিনা সে প্রশ্নেরই উত্তর আজ দেব।
- জাতীয় বেতনস্কেল ২০২৬-এর ডেমো গেজেট ফাঁস: ১ জুলাই থেকে কার্যকর, তিন ধাপে নতুন বেতন; ২০২৭ থেকে শতভাগ সুবিধা
- সরকারি কর্মচারীর পালক সন্তানের শিক্ষা সহায়তা নিয়ে অর্থ বিভাগের নতুন ব্যাখ্যা
- নতুন জাতীয় বেতন কাঠামো ২০২৬: ইনক্রিমেন্টে বড় পরিবর্তন, বাড়িভাতা কমলেও বাড়বে টাকার অঙ্ক
- নতুন পে স্কেলে বড় পরিবর্তন: ঊর্ধ্বতনদের ইনক্রিমেন্ট কমছে, কমছে বাড়িভাড়ার হারও
- এক সরকারি চাকরি ছেড়ে আরেক সরকারি চাকরিতে যোগ দিলেও আগের চাকরিকাল হারাবে না, মিলল বড় দৃষ্টান্ত
ইচ্ছা করলে ২টি করে কিস্তি কি পরিশোধ করা যাবে? না। জিপিএফ এর অর্থ একবারে বা এক কিস্তিতে পরিশোধ করার সুযোগ নেই। কারণ টিআর জারির মাধ্যমে জিপিএফ অগ্রিমের টাকা পরিশোধ রহিত করা হয়েছে। তবে বেতন থেকে প্রতি মাসে চাঁদা অগ্রিমসহ মুলবেতনের সমপরিমান পর্যন্ত কর্তন করা যাবে (সেক্ষেত্রে অবশ্যই মঞ্জুরকারী কর্তৃপক্ষের লিখিত অনুমতি নিয়ে চাঁদার হার পরিবর্তন করে নিতে হবে)। তবে একটি বিষয়ও আরও লক্ষ্যনীয় যে, মাসিক জমা কর্তন ও কিস্তির কর্তনসহ মূল বেতনের অধিক হবে না। একাধিক কিস্তি পরিশোধ করতে চাইলে পুনরায় মঞ্জুরী নিতে হবে।
জিপিএফ অগ্রিম নেওয়ার সুবিধা কি? সাধারণত জিপিএফ অগ্রিম নেওয়ার পদ্ধতি অনেক সহজ। বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকে লোন নেওয়ার চেয়ে জিপিএফ অগ্রিমের সুদ অনেক কম। যেহেতু টাকা নিজের জিপিএফ অ্যাকাউন্ট থেকে নেওয়া হয়, তাই অন্য কোথাও গ্যারান্টির প্রয়োজন হয় না। জিপিএফ অগ্রিম নেওয়ার জন্য কিছু নির্দিষ্ট শর্তাবলী থাকে। সেগুলো অবশ্যই জেনে নিতে হবে। নেওয়া অগ্রিম নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে কিস্তিতে পরিশোধ করতে হয়। অগ্রিমের উপর সুদ দিতে হয়। অগ্রিম নেওয়ার জন্য কিছু দলিলপত্র জমা দিতে হয়।
কোথায় জিপিএফ অগ্রিমের জন্য আবেদন করতে হয়? আপনি যার অধীনে চাকরি করেন, সেই দপ্তরের হিসাব বিভাগে জিপিএফ অগ্রিমের জন্য আবেদন করতে হবে।

এ বিষয়ে আরও বিস্তারিত জানতে সাধারণ ভবিষ্য তহবিল বিধিমালা দেখে নিন: ডাউনলোড
জিপিএফ অগ্রিম কি? জিপিএফ অগ্রিম হলো সাধারণ ভবিষ্য তহবিল (General Provident Fund – GPF) থেকে যে কোনো জরুরি প্রয়োজনে টাকা আগামে নেওয়া। এটা এক ধরনের লোন যা সরকারি কর্মচারীরা তাদের নিজস্ব জিপিএফ অ্যাকাউন্ট থেকে নিতে পারেন। কোনো ধরনের অসুস্থতা, ঘর বাড়ি মেরামত, বাচ্চার বিয়ে, শিক্ষা ইত্যাদি জরুরি প্রয়োজনে জিপিএফ অগ্রিম নেওয়া হয়। কোনো বড় কাজ করার জন্য যেমন বাড়ি তৈরি, গাড়ি কেনা ইত্যাদির জন্যও জিপিএফ অগ্রিম নেওয়া যেতে পারে।



