হােটেল-মােটেল ৪ শতাংশ সুদে অর্থায়ন প্রাপ্তির সুযোগ ২০২১

COVID-19-এ ক্ষতিগ্রস্ত পর্যটন খাতের হােটেল/মােটেল/থিম পার্ক-এর কর্মচারীদের বেতন ভাতা পরিশােধের লক্ষ্যে Working Capital under Stimulus Package (Tourism Sector)-এর আওতায় ঋণ/বিনিয়ােগ প্রদানের নিমিত্তে তারল্য সরবরাহ নিশ্চিতকল্পে এ খাতে তফসিলি ব্যাংক কর্তৃক বিতরণকৃত ঋণবিনিয়ােগের ৫০% অর্থ বাংলাদেশ ব্যাংকের নিকট হতে পুনঃঅর্থায়ন হিসেবে গ্রহণ করা যাবে। কোন তফসিলি ব্যাংক হতে ওয়ার্কিং ক্যাপিটাল ঋণ/বিনিয়ােগ সুবিধা ভােগকারী পর্যটন সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানে (হােটেল/মােটেল/থিম পার্ক) বর্তমানে কর্মরত কর্মচারীদের বেতন-ভাতা পরিশােধের লক্ষ্যে ৩১ ডিসেম্বর, ২০২০ তারিখ ভিত্তিতে বিদ্যমান ওয়ার্কিং ক্যাপিটাল সুবিধা বাবদ মঞ্জুরীকৃত/প্রদত্ত সীমার সর্বোচ্চ ৩০% এবং এরূপ ক্ষতিগ্রস্ত যে সকল প্রতিষ্ঠান বর্তমানে ব্যাংক হতে ওয়ার্কিং ক্যাপিটাল ঋণ/বিনিয়ােগ সুবিধা ভােগ করছে না সে সকল প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে ঋণ প্রদান/বিনিয়ােগ সম্পাদনে আগ্রহী ব্যাংকের বিদ্যমান নীতিমালার আওতায় ওয়ার্কিং ক্যাপিটাল সুবিধা বাবদ সম্ভাব্য ঋণ/বিনিয়ােগ প্রাপ্যতার সীমার সর্বোচ্চ ৩০% ধরে সংশ্লিষ্ট ব্যাংক কর্তৃক বিতরণকৃত ঋণের/সম্পাদিত বিনিয়ােগের বিপরীতে উক্ত পুনঃঅর্থায়ন সুবিধা গ্রহণ করা যাবে। 

 

ব্যাংক বাংলাদেশ ব্যাংক

(সেন্ট্রাল ব্যাংক অব বাংলাদেশ)

প্রধান কার্যালয় মতিঝিল, ঢাকা-১০০০

বাংলাদেশ

ডিপার্টমেন্ট অব অফ-সাইট সুপারভিশন

ডিওএস সার্কুলার লেটার নং-৪৫ তারিখ: ২৫ অক্টোবর, ২০২১

ব্যবস্থাপনা পরিচালক/প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা বাংলাদেশে কার্যরত সকল তফসিলি ব্যাংক।

পর্যটন খাতের হােটেল/মােটেল/থিম পার্ক-এর কর্মচারীদের বেতন-ভাতা পরিশােধের লক্ষ্যে ব্যাংক ব্যবস্থার মাধ্যমে ৪ শতাংশ হার সুদমুনাফায় ওয়ার্কিং ক্যাপিটাল ঋণবিনিয়ােগের বিপরীতে পুনঃঅর্থায়ন প্রদান প্রসঙ্গে।

প্রিয় মহােদয়,

উপযুক্ত বিষয়ে ১৫ জুলাই, ২০২১ তারিখে জারিকৃত বিআরপিডি সার্কুলার নং-১৬ এর প্রতি আপনাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করা

যাচ্ছে।

২। উক্ত সার্কুলারের ৯ নং ক্রমিক অনুযায়ী COVID-19-এ ক্ষতিগ্রস্ত পর্যটন খাতের হােটেল/মােটেল/থিম পার্ক-এর কর্মচারীদের বেতন ভাতা পরিশােধের লক্ষ্যে Working Capital under Stimulus Package (Tourism Sector)-এর আওতায় ঋণ/বিনিয়ােগ প্রদানের নিমিত্তে তারল্য সরবরাহ নিশ্চিতকল্পে এ খাতে তফসিলি ব্যাংক কর্তৃক বিতরণকৃত ঋণবিনিয়ােগের ৫০% অর্থ বাংলাদেশ ব্যাংকের নিকট হতে পুনঃঅর্থায়ন হিসেবে গ্রহণ করা যাবে। কোন তফসিলি ব্যাংক হতে ওয়ার্কিং ক্যাপিটাল ঋণ/বিনিয়ােগ সুবিধা ভােগকারী পর্যটন সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানে (হােটেল/মােটেল/থিম পার্ক) বর্তমানে কর্মরত কর্মচারীদের বেতন-ভাতা পরিশােধের লক্ষ্যে ৩১ ডিসেম্বর, ২০২০ তারিখ ভিত্তিতে বিদ্যমান ওয়ার্কিং ক্যাপিটাল সুবিধা বাবদ মঞ্জুরীকৃত/প্রদত্ত সীমার সর্বোচ্চ ৩০% এবং এরূপ ক্ষতিগ্রস্ত যে সকল প্রতিষ্ঠান বর্তমানে ব্যাংক হতে ওয়ার্কিং ক্যাপিটাল ঋণ/বিনিয়ােগ সুবিধা ভােগ করছে না সে সকল প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে ঋণ প্রদান/বিনিয়ােগ সম্পাদনে আগ্রহী ব্যাংকের বিদ্যমান নীতিমালার আওতায় ওয়ার্কিং ক্যাপিটাল সুবিধা বাবদ সম্ভাব্য ঋণ/বিনিয়ােগ প্রাপ্যতার সীমার সর্বোচ্চ ৩০% ধরে সংশ্লিষ্ট ব্যাংক কর্তৃক বিতরণকৃত ঋণের/সম্পাদিত বিনিয়ােগের বিপরীতে উক্ত পুনঃঅর্থায়ন সুবিধা গ্রহণ করা যাবে। এক্ষেত্রে বর্ণিত প্রণােদনার আওতায় ঋণ/বিনিয়ােগ মঞ্জুরী, বিতরণ ও বাংলাদেশ ব্যাংক হতে পুনঃঅর্থায়ন গ্রহণে নিম্নোক্ত নির্দেশনাসমূহ অনুসরণীয় হবেঃ

ক) আলােচ্য প্রণােদনা প্যাকেজের আওতায় ঋণ বিতরণ/বিনিয়ােগ সম্পাদনের বিপরীতে পুনঃঅর্থায়ন গ্রহণের জন্য ০১ নভেম্বর ২০২১ হতে ৩১ অক্টোবর ২০২২ পর্যন্ত সময়ের মধ্যে আবেদন করতে হবে।

খ) আলােচ্য প্রণােদনা প্যাকেজের আওতায় পুনঃঅর্থায়ন গ্রহণে ইচ্ছুক ব্যাংক কর্তৃক ডিপার্টমেন্ট অব অফ-সাইট সুপারভিশন এর সাথে একটি অংশগ্রহণমূলক চুক্তি স্বাক্ষর করতে হবে।

গ) পুনঃঅর্থায়ন গ্রহণের জন্য মহাব্যবস্থাপক, ডিপার্টমেন্ট অব অফ-সাইট সুপারভিশন বরাবর আবেদন (সংযােজনী-ক অনুযায়ী) দাখিল করতে হবে।

ঘ) বিতরণকৃত ঋণ/সম্পাদিত বিনিয়ােগের বিপরীতে পুনঃঅর্থায়ন সুবিধা আলােচ্য প্রণােদনা প্যাকেজের আওতায় চাওয়া হয়েছে মর্মে প্রতিটি আবেদনের সাথে ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রধান নির্বাহী কর্তৃক স্বাক্ষরিত প্রত্যয়ন পত্র (সংযােজনী-খ অনুযায়ী) দাখিল করতে হবে।

ঙ) আলােচ্য প্রণােদনা প্যাকেজের আওতায় প্রতিটি গ্রাহকের (পুরাতননিতুন) অনুকূলে ঋণবিনিয়ােগ সীমা (বিদ্যমান ওয়ার্কিং ক্যাপিটাল সুবিধার অথবা প্রাপ্যতার পরিমাণের সর্বোচ্চ ৩০%) নির্ধারণ সংক্রান্ত হিসাবায়ন নির্ধারিত ছকে (সংযােজনী-গ অনুযায়ী) আবেদনপত্রের সাথে দাখিল করতে হবে এবং এ সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্যাদি বাংলাদেশ ব্যাংকের চাহিদা মােতাবেক সরবরাহের জন্য সংশ্লিষ্ট ব্যাংক কর্তৃক সংরক্ষণ করতে হবে।

চ) বিতরণের প্রকৃতির উপর ভিত্তি করে আলােচ্য প্রণােদনা প্যাকেজের আওতায় পুনঃঅর্থায়ন সুবিধা নিম্ন বর্ণিত শর্ত সাপেক্ষে এককালীন/কিস্তিতে গ্রহণ করা যাবেঃ

(১) বকেয়া বেতন ভাতা পরিশোধের লক্ষ্যে এককালীন অর্থ বরাদ্দের ক্ষেত্রেঃ

i. যে তারিখ/মাস হতে কর্মচারীদের বেতন বকেয়া আছে তার অব্যবহিত পূর্বের ৩ মাসের বেতনের গড় পরিমাণকে ভিত্তি ধরে সকল হিসাবায়ন সম্পন্ন করতে হবে।

ii. বকেয়া বেতন সংশ্লিষ্ট মাসগুলােতে কর্মরত কর্মচারীদের প্রকৃত সংখ্যা অনুসারে পরিশােধযােগ্য বেতনের পরিমাণ হিসাবায়ন করতে হবে। 

iii. অনুচ্ছেদ ১(ii) অনুযায়ী প্রতি মাসের জন্য হিসাবায়িত বেতনের মােট পরিমাণ প্রণােদনা প্যাকেজের আওতায় নির্ধারিত পরিমাণ (সর্বোচ্চ ৩০%) পর্যন্ত এককালীন বিতরণ করা যাবে। বিতরণকৃত অর্থ সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান কর্তৃক সরবরাহকৃত তালিকা অনুসারে সরাসরি সংশ্লিষ্ট কর্মচারীদের ব্যাংক হিসাব/MFS হিসাবে আকলন করতে হবে এবং অর্থ প্রেরণের প্রমাণপত্র সংশ্লিষ্ট ব্যাংক-কে সংরক্ষণ করতে হবে। এরূপ প্রমাণপত্র বাংলাদেশ ব্যাংকের চাহিদা মােতাবেক প্রদর্শন করতে হবে বা নির্দেশিত হলে বাংলাদেশ ব্যাংকে দাখিল করতে হবে।

iv. গ্রাহক ঋণ/বিনিয়ােগ গ্রহণের ১ বছরের মধ্যে যে কোন সময় উক্ত ঋণ/বিনিয়ােগের সম্পূর্ণ/আংশিক আসল পরিশােধ করলে পরিশােধিত অর্থ ফেরত প্রদানের ১০ দিনের মধ্যে বাংলাদেশ ব্যাংককে বিষয়টি অবহিত করতে হবে।

(২) মাসিক ভিত্তিতে বেতন ভাতা পরিশােধের লক্ষ্যে কিস্তিতে অর্থ বরাদ্দের ক্ষেত্রেঃ

i) সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের আবেদনের ভিত্তিতে ব্যাংক প্রকৃত চাহিদার পরিমাণ হিসাবায়নপূর্বক ঋণ/বিনিয়ােগ বিতরণ/সম্পাদন করবে এবং বিতরণকৃত অর্থের সদ্ব্যবহার (কর্মচারীদের ব্যাংক হিসাব/MFS হিসাবে অর্থ স্থানান্তরের প্রমাণ) যাচাইপূর্বক বাংলাদেশ ব্যাংক হতে পুনঃঅর্থায়ন গ্রহণের জন্য আবেদন করবে।

ii. প্রণােদনা প্যাকেজের সময়ের আওতায় প্রতিটি মাসের বেতন প্রদানের নিমিত্তে গৃহীত ঋণ/বিনিয়ােগ পরিশােধের জন্য গ্রাহক ঋণ/বিনিয়ােগ গ্রহণের তারিখ হতে ১ বছর সময় প্রাপ্ত হবেন।

iii. অনুরূপভাবে ব্যাংক কর্তৃক প্রতিটি মাসে গ্রাহকের নতুন ব্যাংক হিসাবে প্রদানকৃত ঋণ/বিনিয়ােগের | বিপরীতে পুনঃঅর্থায়ন গ্রহণ করা হলে তা পরিশােধে ব্যাংক পুনঃঅর্থায়ন গ্রহণের তারিখ হতে ১ বছর সময় প্রাপ্ত হবে।

iv. অনুচ্ছেদ ১(iv) এর অনুরূপ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

ছ) বিআরপিডি সার্কুলার নং-১৬/২০২১ অনুযায়ী পুনঃঅর্থায়ন সুবিধার বিপরীতে সুদের হার হবে ৪% যা পুনঃঅর্থায়নকৃত

অর্থের স্থিতির ভিত্তিতে হিসাবায়নপূর্বক ত্রৈমাসিক ভিত্তিতে (মার্চ, জুন, সেপ্টেম্বর ও ডিসেম্বর) বাংলাদেশ ব্যাংকে রক্ষিত সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের টাকা চলতি হিসাব বিকলনের মাধ্যমে আদায় করা হবে। পুনঃঅর্থায়ন সুবিধার মেয়াদপূর্তীতে সুদসহ সম্পূর্ণ আসল আদায় করা হবে।

জ) পুনঃঅর্থায়নের আবেদনের সাথে নিম্নোক্ত দলিলাদি দাখিল করতে হবেঃ

  1. প্রণােদনা প্যাকেজের আওতায় বিতরণকৃত ঋণ/বিনিয়ােগের বিপরীতে পুনঃঅর্থায়ন সুবিধা চাওয়া হয়েছে। মর্মে ব্যাংকের প্রধান নির্বাহী কর্তৃক স্বাক্ষরিত প্রত্যয়ন পত্র;
  2. গ্রাহকে (পুরাতন(নতুন) অনুকূলে ঋণ/বিনিয়ােগ সীমা (সর্বোচ্চ ৩০%) নির্ধারণ সংক্রান্ত হিসাবায়ন ছক;
  3. পুনঃঅর্থায়ন গ্রহণের পরিমাণ নির্ধারণ সংক্রান্ত হিসাবায়ন ছক (সংযােজনী-ঘ অনুযায়ী);
  4. গ্রাহকের অনুকূলে ঋণ বিতরণ/বিনিয়ােগ প্রদানের মঞ্জুরীপত্র;
  5. গ্রাহকের ঋণ/বিনিয়ােগ হিসাব বিবরণী;
  6. প্রাপ্যতা অনুযায়ী সম্পূর্ণ আসলসহ সম্ভাব্য সুদের পরিমাণের উপর (সংযােজনী-ঙ অনুযায়ী) Demand Promissory Note

৩। পুনঃঅর্থায়ন সংক্রান্ত তথ্যাদি সংযােজনী-ঘ অনুযায়ী প্রতি মাসের ১০ তারিখের মধ্যে অত্র বিভাগে দাখিল করতে হবে। বিআরপিডি সার্কুলার  -১৬/২০২১ এর অন্যান্য শর্ত ও নির্দেশনা অপরিবর্তিত থাকবে। এই নির্দেশনা অবিলম্বে কার্যকর হবে।

আপনাদের বিশ্বস্ত,

(মােঃ আনােয়ার ইসলাম)

মহাব্যবস্থাপক 

ফোনঃ ৯৫৩০০৯৩

 

হােটেল-মােটেল ৪ শতাংশ সুদে অর্থায়ন প্রাপ্তির সুযোগ ২০২১ : ডাউনলোড

Leave a Reply

Your email address will not be published.

close