আইবাস++ । পে ফিক্সেশন । ই-ফাইলিং

ইএফটি (EFT) আসেনি? ব্যাংকে না গিয়েই সোনালী ব্যাংক একাউন্টের ব্যালেন্স চেক করার সহজ উপায়

সরকারি চাকুরিজীবীদের মাসের প্রথম ৩ কার্যদিবসের মধ্যে ইএফটির (EFT) মাধ্যমে বেতন হওয়ার নিয়ম থাকলেও অনেক সময় কারিগরি কারণে মোবাইলে মেসেজ আসতে দেরি হয়। বেতন একাউন্টে জমা হয়েছে কি না, তা নিয়ে অনেকেই দুশ্চিন্তায় পড়েন। তবে এই দুশ্চিন্তা দূর করতে এখন আর ব্যাংকে যাওয়ার প্রয়োজন নেই। সোনালী ব্যাংকের গ্রাহকরা ঘরে বসেই কয়েকটি সহজ পদ্ধতিতে তাদের একাউন্ট ব্যালেন্স এবং বেতনের তথ্য যাচাই করতে পারেন।

নিচে ব্যাংকে না গিয়ে ব্যালেন্স চেক করার কার্যকরী উপায়গুলো আলোচনা করা হলো:

১. এসএমএস (SMS) সার্ভিসের মাধ্যমে

সবচেয়ে সহজ পদ্ধতি হলো মোবাইল মেসেজের মাধ্যমে ব্যালেন্স জানা। এর জন্য আপনার ব্যাংকে নিবন্ধিত মোবাইল নম্বর থেকে মেসেজ অপশনে গিয়ে লিখতে হবে: SBL BAL এবং পাঠিয়ে দিতে হবে ২৬৯৬৯ নম্বরে। ফিরতি মেসেজে আপনাকে বর্তমান ব্যালেন্স জানিয়ে দেওয়া হবে।

২. সোনালী ই-ওয়ালেট (Sonali e-Wallet) অ্যাপ

আপনার স্মার্টফোনে যদি সোনালী ই-ওয়ালেট অ্যাপটি সচল থাকে, তবে আপনি খুব সহজেই লগইন করে ‘Check Balance’ অপশন থেকে বর্তমান টাকা এবং ‘Statement’ অপশন থেকে সর্বশেষ লেনদেনের তথ্য দেখে নিতে পারেন। এটি আপনার বেতনের তথ্য নিশ্চিত করার সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য মাধ্যম।

৩. বিকাশ অ্যাপের মাধ্যমে (Add Money)

আপনার যদি একই মোবাইল নম্বর দিয়ে বিকাশ একাউন্ট খোলা থাকে এবং সোনালী ব্যাংক একাউন্টটি সেখানে লিঙ্ক করা থাকে, তবে আপনি ‘Add Money’ অপশনটি ব্যবহার করতে পারেন। ব্যাংক থেকে মাত্র ৫০ টাকা বিকাশে ট্রান্সফার করলেই লেনদেন শেষে ফিরতি মেসেজে আপনার ব্যাংক একাউন্টের অবশিষ্ট ব্যালেন্স দেখতে পাবেন।

৪. কার্ড ও অন্যান্য ব্যাংকিং সেবা

যাদের একাউন্টের বিপরীতে ভিসা (Visa) বা ডেবিট কার্ড রয়েছে, তারা নিকটস্থ যেকোনো এটিএম বুথ ব্যবহার করতে পারেন। এছাড়া কার্ডের তথ্য ব্যবহার করে বিকাশ বা নগদে সামান্য টাকা ট্রানজেকশন করলেও মেসেজে ব্যালেন্স আপডেট পাওয়া যায়।

৫. ফান্ড ট্রান্সফার পদ্ধতি

আপনার যদি অন্য কোনো ব্যাংকে একাউন্ট বা অ্যাপ থাকে, তবে সেই একাউন্ট থেকে নিজের সোনালী ব্যাংক একাউন্টে মাত্র ২০ টাকা পাঠালেও আপনার মোবাইলে একটি ক্রেডিট মেসেজ আসবে। এই মেসেজে আপনার একাউন্টের সর্বশেষ মোট ব্যালেন্স উল্লেখ থাকে, যা থেকে আপনি বুঝতে পারবেন বেতন হয়েছে কি না।


সতর্কতা: যদি ওপরের কোনো পদ্ধতিতেই ব্যালেন্স চেক করা সম্ভব না হয়, তবে সর্বশেষ উপায় হিসেবে ব্যাংকের কাউন্টারে যোগাযোগ করে হিসাব নম্বর প্রদানের মাধ্যমে তথ্য নিশ্চিত করতে হবে। তবে প্রযুক্তির এই যুগে ঘরে বসে ডিজিটাল মাধ্যমগুলো ব্যবহার করাই সবচেয়ে সুবিধাজনক ও সময় সাশ্রয়ী।

admin

আমি একজন সরকারী চাকরিজীবি। দীর্ঘ ১০ বছর যাবৎ চাকুরির সুবাদে সরকারি চাকরি বিধি বিধান নিয়ে পড়াশুনা করছি। বিএসআর ব্লগে সরকারি আদেশ, গেজেট, প্রজ্ঞাপন ও পরিপত্র পোস্ট করা হয়। এ ব্লগের কোন পোস্ট নিয়ে প্রশ্ন থাকলে বা ব্যাখ্যা জানতে পোস্টের নিচে কমেন্ট করুন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *