শ্রান্তি ও বিনোদন ভাতা নতুন পে স্কেলে কোন বেসিকে হবে? গেজেটের নির্দেশনায় পরিষ্কার হলো হিসাব
নতুন জাতীয় বেতনস্কেল ২০২৬ কার্যকর হওয়ার পর সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি আলোচিত প্রশ্নগুলোর একটি হলো—২০২৬ সালের সেপ্টেম্বর বা পরবর্তী সময়ে যাদের শ্রান্তি ও বিনোদন ভাতা প্রাপ্য হবে, তারা কি নতুন পে স্কেলের নতুন মূল বেতনের সমপরিমাণ ভাতা পাবেন, নাকি ৩০ জুন ২০২৬-এর পুরোনো মূল বেতন অনুযায়ী ভাতা পাবেন?
গেজেট ও প্রচলিত বিধান পাশাপাশি বিশ্লেষণ করলে বিষয়টি বেশ পরিষ্কার হয়। বিশেষ করে নতুন পে-স্কেল ২০২৬-এর ১৭ নম্বর অনুচ্ছেদে শ্রান্তি ও বিনোদন ভাতার বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা রয়েছে। সরকারি গেজেটটি ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে প্রকাশিত হয়েছে এবং জাতীয় বেতনস্কেল ২০২৬-এর কার্যকারিতা ধরা হয়েছে ১ জুলাই ২০২৬ থেকে।
শ্রান্তি ও বিনোদন ভাতা আসলে কী?
শ্রান্তি ও বিনোদন ভাতা হলো সরকারি কর্মচারীদের জন্য প্রচলিত একটি বিশেষ সুবিধা, যা সাধারণভাবে প্রতি তিন বছর অন্তর শ্রান্তি ও বিনোদন ছুটির সঙ্গে দেওয়া হয়।
প্রচলিত সরকারি অফিস আদেশগুলোতে দেখা যায়, এ সুবিধার আওতায় সাধারণত ১৫ দিনের শ্রান্তি ও বিনোদন ছুটি এবং এক মাসের মূল বেতনের সমপরিমাণ অর্থ মঞ্জুর করা হয়। ২০২৫ সালের একটি সরকারি অফিস আদেশেও বাংলাদেশ চাকরি (বিনোদন ভাতা) বিধিমালা, ১৯৭৯-এর বিধি-৪ অনুসারে ১৫ দিনের ছুটির সঙ্গে এক মাসের মূল বেতনের সমপরিমাণ শ্রান্তি বিনোদন ভাতা মঞ্জুরের উদাহরণ রয়েছে।
অর্থাৎ সহজভাবে—
শ্রান্তি ও বিনোদন ভাতা = প্রযোজ্য সময়ে এক মাসের মূল বেতনের সমপরিমাণ অর্থ।
তবে এর সঙ্গে একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ শর্ত রয়েছে।
নতুন পে স্কেল ২০২৬-এর গেজেটে কী বলা হয়েছে?
১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ প্রকাশিত চাকরি (বেতন ও ভাতাদি) আদেশ, ২০২৬-এর ১৭ নম্বর অনুচ্ছেদে উৎসব ভাতা এবং শ্রান্তি ও বিনোদন ভাতার বিষয়ে বলা হয়েছে যে, প্রচলিত বিধান এবং Bangladesh Services (Recreation Allowance) Rules, 1979 অনুযায়ী শ্রান্তি ও বিনোদন ভাতা প্রদান করা হবে।
এর পরেই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কথাটি বলা হয়েছে—
একবার শ্রান্তি ও বিনোদন ভাতা উত্তোলন করা হলে পরবর্তীকালে বেতন নির্ধারণজনিত (Pay Fixation) কারণে সংশ্লিষ্ট কর্মচারী কোনো বকেয়া প্রাপ্য হবেন না।
অর্থাৎ, কেউ যদি শ্রান্তি ও বিনোদন ভাতা গ্রহণ করেন এবং পরে নতুন পে স্কেল অনুযায়ী তার বেতন পুনর্নির্ধারণের ফলে মূল বেতন বেড়ে যায়, তাহলে শুধু সেই Pay Fixation-এর কারণে আগে উত্তোলন করা শ্রান্তি বিনোদন ভাতার অতিরিক্ত অংশ দাবি করার সুযোগ নেই।
এই বিধানটি নতুন নয়। জাতীয় বেতনস্কেল ২০১৫-এর গেজেটেও একই নীতি ছিল—একবার শ্রান্তি ও বিনোদন ভাতা উত্তোলন করলে পরবর্তীকালে Pay Fixation-এর কারণে সংশ্লিষ্ট কর্মচারী কোনো বকেয়া পাবেন না।
তাহলে সেপ্টেম্বর ২০২৬-এ শ্রান্তি বিনোদন ভাতা প্রাপ্য হলে কী হবে?
এখানেই বিষয়টির সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পার্থক্য।
ধরা যাক, একজন কর্মচারীর শ্রান্তি ও বিনোদন ভাতা প্রাপ্য হয়েছে সেপ্টেম্বর ২০২৬-এ।
তার ক্ষেত্রে দুটি বিষয় আলাদাভাবে দেখতে হবে—
১. নতুন পে স্কেল কার্যকর হয়েছে
জাতীয় বেতনস্কেল ২০২৬ ১ জুলাই ২০২৬ থেকে কার্যকর হয়েছে। তবে নতুন পে স্কেলের সুবিধা ধাপে ধাপে বাস্তবায়নের বিধান রাখা হয়েছে। ২০২৬ সালের ১ জুলাই থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত নির্ধারিত হারে বেতন পার্থক্য দেওয়া হবে; ১ জানুয়ারি থেকে ৩০ জুন ২০২৭ পর্যন্ত দ্বিতীয় ধাপ এবং ১ জুলাই ২০২৭ থেকে নতুন স্কেলের পূর্ণ বেতন কার্যকর হওয়ার বিধান রয়েছে।
২. কিন্তু ভাতাগুলোর ক্ষেত্রে আলাদা বিধান রয়েছে
নতুন পে-স্কেলের গেজেট অনুযায়ী উৎসব ভাতা, বাংলা নববর্ষ ভাতাসহ অন্যান্য ভাতা ৩০ জুন ২০২৬ তারিখে যে হারে প্রাপ্য ছিল, সেই হারেই ৩১ ডিসেম্বর ২০২৭ পর্যন্ত দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। ১ জানুয়ারি ২০২৮ থেকে নতুন বেতনস্কেল অনুযায়ী নির্ধারিত হারে ভাতাদি দেওয়ার বিধান রয়েছে।
এখানেই অনেকের ভুল বোঝাবুঝি হচ্ছে।
তাহলে কি সেপ্টেম্বরের শ্রান্তি বিনোদন ভাতা পুরোনো বেসিকেই হবে?
নতুন পে-স্কেল ২০২৬-এর গেজেটের ভাতা-সংক্রান্ত সামগ্রিক বিধান অনুযায়ী, ১ জুলাই ২০২৬ থেকে ৩১ ডিসেম্বর ২০২৭ পর্যন্ত ভাতার হার ৩০ জুন ২০২৬-এর প্রাপ্য হারে বহাল রাখা হয়েছে।
তাই শুধু ১ জুলাই ২০২৬ থেকে নতুন পে স্কেল কার্যকর হয়েছে—এই যুক্তিতে সেপ্টেম্বর ২০২৬-এ শ্রান্তি ও বিনোদন ভাতা নতুন পে স্কেলের পূর্ণ নতুন মূল বেতনের সমপরিমাণে পাওয়ার দাবি করা সরাসরি সঠিক নয়।
এখানে আরও একটি বিষয় গুরুত্বপূর্ণ—শ্রান্তি ও বিনোদন ভাতার জন্য আলাদা করে কর্তৃপক্ষের মঞ্জুরি ও প্রাপ্যতার তারিখ বিবেচনা করা হয়।
সরকারি অফিস আদেশগুলোতেও দেখা যায়, শ্রান্তি বিনোদন ভাতা মঞ্জুরের সময় কর্মচারীর বর্তমান মূল বেতন এবং ছুটি ভোগের সময় উল্লেখ করা হয়।
সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ: আগে ভাতা তুলে ফেললে পরে বকেয়া পাওয়া যাবে না
ধরা যাক, কোনো কর্মচারীর ২০২৬ সালের সেপ্টেম্বরে শ্রান্তি বিনোদন ভাতা পাওয়ার কথা।
তিনি যদি প্রচলিত বিধান অনুযায়ী ভাতা উত্তোলন করেন এবং পরে তার নতুন পে-স্কেলের Pay Fixation হয়, তাহলে আগের উত্তোলন করা ভাতার সঙ্গে নতুন বেতনের পার্থক্য দেখিয়ে অতিরিক্ত অর্থ দাবি করা যাবে না।
কারণ গেজেটের ১৭(১)-এর মূল বক্তব্যই হলো—
শ্রান্তি ও বিনোদন ভাতা একবার উত্তোলনের পর পরবর্তীকালের Pay Fixation-এর কারণে কোনো বকেয়া প্রাপ্য হবে না।
এটি খুব গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।
একটি উদাহরণ দিয়ে বিষয়টি বোঝা যাক
ধরা যাক—
৩০ জুন ২০২৬ তারিখে মূল বেতন: ৩০,০০০ টাকা
শ্রান্তি বিনোদন ভাতার সময় প্রযোজ্য পুরোনো বেতনভিত্তিক হিসাব অনুযায়ী ভাতা হলো:
৩০,০০০ টাকা
এখন সেপ্টেম্বর মাসে তিনি শ্রান্তি বিনোদন ভাতা উত্তোলন করলেন।
পরে নতুন পে স্কেলে তার বেতন ফিক্সেশন হয়ে মূল বেতন দাঁড়াল ধরুন:
৪৫,০০০ টাকা
তাহলে তিনি বলতে পারবেন না—
৪৫,০০০ – ৩০,০০০ = ১৫,০০০ টাকা অতিরিক্ত শ্রান্তি বিনোদন ভাতা বকেয়া পাব।
কারণ গেজেটের স্পষ্ট বিধান অনুযায়ী, একবার ভাতা উত্তোলনের পর পরবর্তী Pay Fixation-এর কারণে সেই ভাতার অতিরিক্ত বকেয়া প্রাপ্য হবে না।
আবার উল্টো পরিস্থিতিও গুরুত্বপূর্ণ
ধরা যাক, কোনো কর্মচারী এখনো শ্রান্তি বিনোদন ভাতা উত্তোলন করেননি।
তার প্রাপ্যতার সময় সেপ্টেম্বর ২০২৬।
এক্ষেত্রে শুধু “নতুন পে স্কেল ১ জুলাই থেকে কার্যকর” বলেই সিদ্ধান্ত নেওয়া যাবে না। কারণ নতুন পে স্কেলের গেজেট নিজেই ৩১ ডিসেম্বর ২০২৭ পর্যন্ত অন্যান্য ভাতা ৩০ জুন ২০২৬-এর হারে বহাল রাখার বিধান দিয়েছে।
অর্থাৎ নতুন পে স্কেল কার্যকর হওয়ার তারিখ এবং সব ভাতা নতুন বেসিকে দেওয়ার তারিখ—দুটি একই বিষয় নয়।
এটাই মূল বিষয়টি বুঝতে হবে।
১ জানুয়ারি ২০২৮ কেন গুরুত্বপূর্ণ?
নতুন পে স্কেলের গেজেটের ভাতা-সংক্রান্ত বিধানে বলা হয়েছে, অন্যান্য ভাতা ৩১ ডিসেম্বর ২০২৭ পর্যন্ত ৩০ জুন ২০২৬-এর প্রাপ্য হারে চলবে এবং ১ জানুয়ারি ২০২৮ থেকে নতুন বেতনস্কেল অনুযায়ী নির্ধারিত হারে ভাতাদি দেওয়া হবে।
তাই বর্তমান বিধানকে সময়ের ভিত্তিতে সহজভাবে সাজালে দাঁড়ায়—
| সময়কাল | বেতন | অন্যান্য ভাতার ক্ষেত্রে |
|---|---|---|
| ৩০ জুন ২০২৬ পর্যন্ত | জাতীয় বেতনস্কেল ২০১৫ | পুরোনো বিধান |
| ১ জুলাই–৩১ ডিসেম্বর ২০২৬ | নতুন পে স্কেল ধাপে বাস্তবায়ন | ৩০ জুন ২০২৬-এর প্রাপ্য হার |
| ১ জানুয়ারি–৩০ জুন ২০২৭ | নতুন পে স্কেলের দ্বিতীয় ধাপ | ৩০ জুন ২০২৬-এর প্রাপ্য হার |
| ১ জুলাই–৩১ ডিসেম্বর ২০২৭ | নতুন স্কেল অনুযায়ী পূর্ণ বেতন কাঠামোর দিকে অগ্রগতি | পুরোনো ভাতা-হার বহাল |
| ১ জানুয়ারি ২০২৮ থেকে | জাতীয় বেতনস্কেল ২০২৬ | নতুন স্কেল অনুযায়ী ভাতা |
এখানে শ্রান্তি ও বিনোদন ভাতার ক্ষেত্রে অবশ্যই প্রচলিত Recreation Allowance Rules এবং নির্দিষ্ট প্রাপ্যতার তারিখ বিবেচনা করতে হবে।
“শ্রান্তি বিনোদন ভাতা নতুন বেসিকে অবশ্যই পাবেন”—এই বক্তব্যটি কতটা সঠিক?
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচলিত বক্তব্যটির প্রথম অংশ—
“এটি এক মাসের মূল বেতনের সমপরিমাণ ভাতা”
—সঠিক। সরকারি অফিস আদেশেও এর প্রমাণ রয়েছে।
কিন্তু দ্বিতীয় অংশ—
“১ জুলাই ২০২৬ থেকে নতুন পে স্কেল কার্যকর, তাই সেপ্টেম্বর ২০২৬-এ অবশ্যই নতুন পে স্কেলের পূর্ণ বেসিক অনুযায়ী শ্রান্তি বিনোদন ভাতা হবে”
—এভাবে সরাসরি বলা ঠিক নয়।
কারণ নতুন পে স্কেলের গেজেট একই সঙ্গে ভাতাগুলোর জন্য ৩০ জুন ২০২৬-এর হার ৩১ ডিসেম্বর ২০২৭ পর্যন্ত বহাল রাখার বিধান দিয়েছে।
আর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো—ভাতা একবার উত্তোলনের পর পরবর্তী Pay Fixation-এর কারণে বকেয়া দাবি করা যাবে না।
যারা ১ জুলাইয়ের আগে ভাতা তুলে নিয়েছেন
এক্ষেত্রে বিষয়টি আরও পরিষ্কার।
কোনো কর্মচারী যদি ১ জুলাই ২০২৬-এর আগে শ্রান্তি ও বিনোদন ভাতা পুরোনো মূল বেতনের ভিত্তিতে উত্তোলন করে থাকেন, তাহলে পরে নতুন পে স্কেল অনুযায়ী তার মূল বেতন বেড়ে গেলেও সেই পুরোনো ভাতা এবং নতুন বেতনের পার্থক্য বকেয়া হিসেবে দাবি করার সুযোগ নেই—কারণ গেজেটের Pay Fixation-সংক্রান্ত নিষেধাজ্ঞাটি স্পষ্ট।
তাহলে পুরো বিষয়টির সহজ উত্তর কী?
প্রশ্ন: শ্রান্তি ও বিনোদন ভাতা কী?
উত্তর: সাধারণভাবে প্রতি তিন বছর অন্তর প্রাপ্য ১৫ দিনের শ্রান্তি ও বিনোদন ছুটির সঙ্গে এক মাসের মূল বেতনের সমপরিমাণ ভাতা দেওয়া হয়।
প্রশ্ন: নতুন পে স্কেল কার্যকর হয়েছে বলে কি শ্রান্তি বিনোদন ভাতা সঙ্গে সঙ্গে নতুন পূর্ণ বেসিকে হবে?
উত্তর: এটি সরাসরি বলা যাবে না। নতুন পে-স্কেল ২০২৬-এর গেজেটে অন্যান্য ভাতার জন্য ৩০ জুন ২০২৬-এর প্রাপ্য হার ৩১ ডিসেম্বর ২০২৭ পর্যন্ত বহাল রাখার বিধান রয়েছে।
প্রশ্ন: সেপ্টেম্বর ২০২৬-এ প্রাপ্য হলে কী হবে?
উত্তর: প্রযোজ্য বিধান, ৩০ জুন ২০২৬-এর ভাতা-হার এবং সংশ্লিষ্ট কর্মচারীর শ্রান্তি বিনোদন ছুটির প্রাপ্যতার তারিখ বিবেচনা করে বিল হবে। শুধু নতুন পে স্কেল কার্যকর হয়েছে—এই কারণে পূর্ণ নতুন বেসিক ধরে নেওয়া ঠিক নয়।
প্রশ্ন: আগে ভাতা নিয়ে পরে নতুন পে স্কেলে বেতন ফিক্সেশন হলে পার্থক্য পাওয়া যাবে?
উত্তর: না। গেজেটের ১৭(১) অনুযায়ী একবার শ্রান্তি ও বিনোদন ভাতা উত্তোলনের পর পরবর্তী Pay Fixation-এর কারণে কোনো বকেয়া প্রাপ্য হবে না।
প্রশ্ন: নতুন পে স্কেলের ভাতা কাঠামো কবে থেকে কার্যকর হবে?
উত্তর: বর্তমান গেজেটের সাধারণ ভাতা-সংক্রান্ত বিধান অনুযায়ী ১ জানুয়ারি ২০২৮ থেকে নতুন বেতনস্কেল অনুযায়ী ভাতাদি দেওয়ার বিধান রয়েছে।
সারকথা
“১ জুলাই ২০২৬ থেকে পে স্কেল কার্যকর” এবং “১ জুলাই ২০২৬ থেকেই সব ভাতা নতুন বেসিকে কার্যকর”—এই দুটি বিষয় এক নয়।
নতুন পে স্কেল ২০২৬-এর গেজেট অনুযায়ী বেতন ১ জুলাই ২০২৬ থেকে কার্যকর হলেও অন্যান্য ভাতার ক্ষেত্রে ৩১ ডিসেম্বর ২০২৭ পর্যন্ত পুরোনো হার বহাল রাখা হয়েছে। পাশাপাশি শ্রান্তি ও বিনোদন ভাতা একবার উত্তোলনের পর পরবর্তী Pay Fixation-এর কারণে কোনো বকেয়া পাওয়া যাবে না। তাই সেপ্টেম্বর ২০২৬-এ শ্রান্তি বিনোদন ভাতা প্রাপ্য হলে সেটিকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে নতুন পে স্কেলের পূর্ণ মূল বেতনের সমপরিমাণ ধরে নেওয়া বিধিসম্মত সিদ্ধান্ত নয়।
তবে কোনো নির্দিষ্ট কর্মচারীর ক্ষেত্রে চূড়ান্ত হিসাব করতে তার শ্রান্তি বিনোদন ছুটির প্রাপ্যতার তারিখ, ৩০ জুন ২০২৬-এর মূল বেতন এবং সংশ্লিষ্ট অফিসের মঞ্জুরি আদেশ—এই তিনটি তথ্য একসঙ্গে দেখতে হবে।



