আইবাস++ । পে ফিক্সেশন । ই-ফাইলিং

New Salary Calculation 2026: ৯ম পে স্কেলে কত টাকা হাতে বেশি পাবেন জেনে নিন

সরকারি চাকরিজীবীদের নতুন বেতন নির্ধারণ, সম্ভাব্য বেতন বৃদ্ধি, বাড়িভাড়া ও অন্যান্য ভাতা এবং সব ধরনের কর্তন হিসাব করার জন্য তৈরি করা হয়েছে ‘নবম জাতীয় পে স্কেল ২০২৬—বেতন হিসাব ফরম’। ফরমটিতে ৩০ জুন ২০২৬ তারিখের মূল বেতন, পুরোনো গ্রেড, নির্বাচিত মাস এবং বিভিন্ন ভাতা-কর্তনের তথ্য দিয়ে সম্ভাব্য নতুন বেতন ও ব্যাংকে প্রাপ্য নিট অর্থের একটি তুলনামূলক হিসাব দেখা যায়।

নবম পে স্কেল – বেতন হিসাব ফরম

তবে ফরমটি বিশ্লেষণ করে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় স্পষ্ট: এটি একটি স্বয়ংক্রিয় হিসাবের টুল, সরকারি বেতন নির্ধারণের চূড়ান্ত আদেশ নয়। এতে ব্যবহৃত বেতনধাপ, বাস্তবায়নের হার, ভাতা ও কর্তনের পরিমাণ এবং হিসাবের সূত্র যাচাই না করে প্রদর্শিত অর্থকে নিশ্চিত সরকারি প্রাপ্য হিসেবে ধরা ঠিক হবে না।

১. বেতন হিসাব ফরমে কী কী তথ্য দিতে হবে?

ফরমটির কাঠামো বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, সঠিক তথ্য দিলে একজন কর্মচারী নিজের বেতনের সম্ভাব্য হিসাব কয়েকটি ধাপে দেখতে পারবেন।

নবম পে স্কেল – বেতন হিসাব ফরম

ফরমে থাকা তথ্যের ভিত্তিতে পূরণ করার ধাপ

ব্যক্তিগত ও দাপ্তরিক তথ্য

নাম, পদবি ও অফিসের নাম লিখতে হবে। এগুলো মূলত হিসাবের ফলাফল শনাক্ত করা এবং প্রিন্ট করা বিবরণীতে তথ্য দেখানোর জন্য ব্যবহৃত হয়।

৩০ জুন ২০২৬ তারিখের মূল বেতন

নির্ধারিত ঘরে ওই তারিখে কার্যকর মূল বেতন লিখতে হবে। এই অঙ্কের সঙ্গে নির্বাচিত পুরোনো গ্রেডের শুরুর বেতনের পার্থক্য ব্যবহার করে নতুন স্কেলের সম্ভাব্য বেতন নির্ধারণ করা হয়।

পুরোনো গ্রেড নির্বাচন

ফরমটিতে ১ম থেকে ২০তম গ্রেডের জন্য আলাদা বেতনধাপ রাখা হয়েছে। মূল বেতন দিয়ে সম্ভাব্য গ্রেড শনাক্ত করার চেষ্টা করা হয়; একাধিক গ্রেডের সঙ্গে মিল পাওয়া গেলে সঠিক গ্রেড নিজে যাচাই করা জরুরি।

হিসাবের মাস নির্বাচন

মাস ও বছর পরিবর্তন করলে ফরমটি সংশ্লিষ্ট সময়ের জন্য নির্ধারিত বাস্তবায়নের হার অনুসারে সম্ভাব্য বেতন দেখানোর চেষ্টা করে।

২. নতুন মূল বেতন কীভাবে হিসাব করা হচ্ছে?

ফরমটির জাভাস্ক্রিপ্ট কোড অনুযায়ী, প্রথমে পুরোনো গ্রেডের প্রারম্ভিক মূল বেতন এবং কর্মচারীর বর্তমান মূল বেতনের ব্যবধান নির্ণয় করা হয়। এরপর নতুন স্কেলের প্রারম্ভিক বেতনের সঙ্গে সেই ব্যবধান যোগ করে একটি লক্ষ্য অঙ্ক তৈরি করা হয়। নতুন স্কেলের তালিকা থেকে লক্ষ্য অঙ্কের সমান বা তার পরের উপযুক্ত বেতনধাপ নির্বাচন করা হয়।

নবম পে স্কেল – বেতন হিসাব ফরম

হিসাবের ধারণাটি হলো:

1. পুরোনো মূল বেতন থেকে পুরোনো স্কেলের প্রারম্ভিক বেতন বাদ দেওয়া।

2. প্রাপ্ত ব্যবধান নতুন স্কেলের প্রারম্ভিক বেতনের সঙ্গে যোগ করা।

3. নতুন স্কেলের বেতনধাপের তালিকা থেকে উপযুক্ত ধাপ নির্বাচন করা।

4. নির্বাচিত ধাপ ও বর্তমান মূল বেতনের পার্থক্য থেকে সম্ভাব্য বেতন বৃদ্ধির অঙ্ক বের করা।

তবে এখানে একটি সতর্কতা রয়েছে। ফরমটির সূত্রকে সরকারি পে-ফিক্সেশনের চূড়ান্ত নিয়ম ধরে নেওয়া যাবে না। বিশেষ করে ইনক্রিমেন্ট, পদোন্নতি, উচ্চতর গ্রেড, বেতন সংরক্ষণ এবং চাকরির বিশেষ পরিস্থিতিতে প্রযোজ্য বিধান আলাদাভাবে যাচাই করতে হবে।

৩. গ্রেডভিত্তিক নতুন বেতনধাপের তালিকা

ফরমে সংরক্ষিত নতুন স্কেলের তালিকায় কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ প্রারম্ভিক বেতন নিচে তুলে ধরা হলো।

নবম পে স্কেল – বেতন হিসাব ফরম.html
গ্রেডফরমে প্রদর্শিত প্রারম্ভিক মূল বেতন
১ম১,৫৬,০০০ টাকা
২য়১,৩২,০০০ টাকা
৩য়১,১৩,০০০ টাকা
৪র্থ১,০০,০০০ টাকা
৫ম৮৬,০০০ টাকা
৬ষ্ঠ৭১,০০০ টাকা
৭ম৫৮,০০০ টাকা
৮ম৪৬,০০০ টাকা
৯ম৪৪,০০০ টাকা
১০ম৩২,০০০ টাকা
১১তম২৫,০০০ টাকা
১২তম২৪,৩০০ টাকা
১৩তম২৪,০০০ টাকা
১৪তম২৩,৫০০ টাকা
১৫তম২২,৮০০ টাকা
১৬তম২১,৯০০ টাকা
১৭তম২১,৪০০ টাকা
১৮তম২১,০০০ টাকা
১৯তম২০,৫০০ টাকা
২০তম২০,০০০ টাকা

গুরুত্বপূর্ণ: এটি আপলোড করা হিসাব ফরমে সংরক্ষিত বেতনধাপের তালিকা, সরকারি গেজেটের সম্পূর্ণ সারণির বিকল্প নয়। নির্দিষ্ট কর্মচারীর বেতন নির্ধারণের আগে অর্থ বিভাগের মূল আদেশের সংশ্লিষ্ট গ্রেড ও ধাপের সঙ্গে মিলিয়ে নেওয়া প্রয়োজন। সরকারি গেজেটের তালিকায় ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে ‘চাকরি (বেতন ও ভাতাদি) আদেশ, ২০২৬’ প্রকাশের তথ্য পাওয়া যায়।

৪. প্রথম ও পরবর্তী পর্যায়ে বেতন বৃদ্ধির হিসাব

ফরমটি নির্বাচিত মাস অনুসারে বাস্তবায়নের বিভিন্ন হার ব্যবহার করে। এতে দেখানো হিসাব অনুযায়ী:

সময়কাল১ম–৯ম গ্রেড১০ম–২০তম গ্রেড
জুলাই–ডিসেম্বর ২০২৬৪০%৫০%
জানুয়ারি–জুন ২০২৭৭০%৭৫%
জুলাই ২০২৭ ও পরবর্তী সময়১০০%১০০%

এগুলো ফরমের কোডে ব্যবহৃত হার।

নবম পে স্কেল – বেতন হিসাব ফরম

সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত গেজেটসংক্রান্ত প্রতিবেদনেও প্রথম দুই পর্যায়ে একই গ্রেডভিত্তিক হার উল্লেখ করা হয়েছে।

এখানে ৪০ বা ৫০ শতাংশ বলতে মোট বেতন-ভাতার ওই পরিমাণ নয়; ফরমের সূত্রে এটি বর্তমান মূল বেতন থেকে নির্ধারিত লক্ষ্য মূল বেতনের ব্যবধানের ওপর প্রয়োগ করা হয়েছে। ফলে বাড়িভাড়া, চিকিৎসা ভাতা ও অন্যান্য উপাদান যোগ হওয়ার পর মোট বেতন বৃদ্ধির শতাংশ আলাদা হতে পারে।

৫. বাড়িভাড়া, চিকিৎসা ও অন্যান্য ভাতা

ফরমটিতে নতুন স্কেলের সম্ভাব্য বেতনের পাশাপাশি পুরোনো স্কেলে ইনক্রিমেন্টসহ বেতনের একটি তুলনামূলক হিসাব তৈরি করা হয়। এতে নিম্নলিখিত ভাতাগুলো রাখা হয়েছে:

  • বাড়িভাড়া ভাতা

  • চিকিৎসা ভাতা

  • টিফিন ভাতা

  • যাতায়াত ভাতা

  • সন্তানপ্রতি শিক্ষা-সহায়ক ভাতা

ফরমের প্রাথমিক সেটিংসে বাড়িভাড়া ৪০ শতাংশ, চিকিৎসা ভাতা ১,৫০০ টাকা, টিফিন ভাতা ২০০ টাকা, যাতায়াত ভাতা শূন্য এবং শিক্ষা-সহায়ক ভাতা হিসেবে একটি সন্তানের জন্য ৫০০ টাকা রাখা হয়েছে। এসব মান পরিবর্তনযোগ্য।

নবম পে স্কেল – বেতন হিসাব ফরম

তবে এই সংখ্যাগুলোকে সবার জন্য প্রযোজ্য সরকারি হার মনে করা যাবে না। বাড়িভাড়ার হার, কর্মস্থল, বেতনসীমা, প্রযোজ্য বিধান এবং ব্যক্তিগত যোগ্যতা অনুযায়ী প্রকৃত প্রাপ্যতা যাচাই করতে হবে। ফরমের নোটে বাড়িভাড়া ৩০ জুন ২০২৬ তারিখের মূল বেতনের ওপর গণনার কথা বলা হয়েছে; এটি চূড়ান্ত হিসাবের ক্ষেত্রে বিশেষভাবে যাচাই করা প্রয়োজন।

৬. কোন কোন কর্তন বাদ দিয়ে নিট বেতন দেখানো হয়?

শুধু মূল বেতন ও ভাতা যোগ করলেই ব্যাংকে জমা হওয়ার প্রকৃত অর্থ পাওয়া যায় না। কর্মচারীর বিভিন্ন কর্তন বাদ দেওয়ার পর নিট বেতন নির্ণয় করতে হয়।

ফরমটিতে পাঁচ ধরনের কর্তনের ঘর রয়েছে:

কর্তনের খাতফরমের প্রাথমিক মান
কল্যাণ১৫০ টাকা
জিপিএফ চাঁদা৪,০০০ টাকা
জিপিএফ অগ্রিম কিস্তি০ টাকা
অন্যান্য কর্তন০ টাকা
স্ট্যাম্প ডিউটি১০ টাকা
নবম পে স্কেল – বেতন হিসাব ফরম

ফরমের হিসাবে মোট বেতন-ভাতা থেকে এসব কর্তন বাদ দিয়ে নিট বেতন দেখানো হয়। কিন্তু বাস্তবে জিপিএফ চাঁদা, ঋণের কিস্তি, আয়কর, কল্যাণ চাঁদা এবং অন্যান্য কর্তন কর্মচারীভেদে ভিন্ন হতে পারে। তাই প্রত্যেক কর্মচারীর প্রকৃত কর্তনের তথ্য দিয়ে হিসাব করা জরুরি।

৭. নতুন ও পুরোনো বেতনের তুলনা কীভাবে বুঝবেন?

ফরমটির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সুবিধা হলো, একই সঙ্গে দুটি সম্ভাব্য হিসাব দেখা যায়:

  • নতুন স্কেল কার্যকর হলে সম্ভাব্য বেতন-ভাতা ও নিট প্রাপ্য।

  • নতুন স্কেল না হলে পুরোনো স্কেলে ইনক্রিমেন্টসহ সম্ভাব্য বেতন-ভাতা ও নিট প্রাপ্য।

এরপর দুই হিসাবের নিট অর্থের পার্থক্য দেখানো হয়। এই পার্থক্য থেকে কর্মচারী আনুমানিকভাবে বুঝতে পারেন, নির্বাচিত মাসে নতুন স্কেলের হিসাব অনুযায়ী তাঁর ব্যাংকে প্রাপ্য অর্থ কতটা বাড়তে বা কমতে পারে।

নবম পে স্কেল – বেতন হিসাব ফরম

তবে এই তুলনা কয়েকটি শর্তের ওপর নির্ভরশীল। পুরোনো স্কেলের ইনক্রিমেন্টের হিসাব, বিশেষ সুবিধার হার, নতুন স্কেলের ধাপ নির্বাচন, ভাতা এবং কর্তনের তথ্য সঠিক না হলে ফলাফলও পরিবর্তিত হবে।

৮. ফরমটির সীমাবদ্ধতা: কেন ফলাফল যাচাই জরুরি?

ফরমটি বিশ্লেষণে কয়েকটি বিষয় বিশেষভাবে লক্ষণীয়।

প্রথমত, এটি আনুমানিক হিসাবের টুল। ফরমের নিচে স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে, চূড়ান্ত বেতন iBAS++ ও হিসাবরক্ষণ অফিসের নির্ধারণ অনুযায়ী হবে।

নবম পে স্কেল – বেতন হিসাব ফরম

দ্বিতীয়ত, মূল বেতন দিয়ে গ্রেড শনাক্ত করার পদ্ধতিতে সীমাবদ্ধতা রয়েছে। কোনো মূল বেতন পুরোনো স্কেলের সংরক্ষিত ধাপের সঙ্গে না মিললে ফরমটি সতর্কবার্তা দেখায় এবং ব্যবহারকারীকে গ্রেড নির্বাচন করতে বলে। ভুল গ্রেড নির্বাচন করলে পুরো হিসাব বদলে যেতে পারে।

তৃতীয়ত, ইনক্রিমেন্টের হিসাব সব পরিস্থিতিতে নির্ভুল নাও হতে পারে। কোডে পুরোনো স্কেলের ইনক্রিমেন্ট এবং নতুন স্কেলের ধাপ নির্ধারণের জন্য নির্দিষ্ট সূত্র ব্যবহার করা হয়েছে। কিন্তু বাস্তব চাকরিজীবনের সব ব্যতিক্রমী পরিস্থিতি এতে অন্তর্ভুক্ত আছে কি না, তা ফরমের তথ্য থেকে নিশ্চিত হওয়া যায় না।

চতুর্থত, ভাতার মান পরিবর্তনযোগ্য। ব্যবহারকারী ভুল হার বা ভুল কর্তনের অঙ্ক রাখলে নিট বেতনও ভুল দেখাবে।

পঞ্চমত, বকেয়া অর্থের পূর্ণাঙ্গ হিসাব এটি নয়। ফরমটি নির্বাচিত মাসের সম্ভাব্য বেতন তুলনা করে। জুলাই থেকে কোনো নির্দিষ্ট মাস পর্যন্ত মোট বকেয়া, ইতিমধ্যে দেওয়া অর্থের সমন্বয় এবং প্রযোজ্য অন্যান্য পাওনা নির্ভুলভাবে নির্ধারণের জন্য মাসভিত্তিক সরকারি হিসাব প্রয়োজন।

৯. সরকারি কর্মচারীদের করণীয়

নতুন বেতন নির্ধারণের আগে কর্মচারীদের কয়েকটি বিষয় নিশ্চিত করা উচিত:

1. ৩০ জুন ২০২৬ তারিখের মূল বেতন সঠিকভাবে সংগ্রহ করা।

2. নিজের পুরোনো গ্রেড ও বেতনধাপ যাচাই করা।

3. পদোন্নতি, উচ্চতর গ্রেড ও ইনক্রিমেন্টের তথ্য সঠিকভাবে বিবেচনা করা।

4. নিজের জন্য প্রযোজ্য ভাতা ও কর্তনের প্রকৃত অঙ্ক ব্যবহার করা।

5. ফরমে পাওয়া ফলাফলের সঙ্গে সরকারি বেতন আদেশ এবং iBAS++-এর নির্ধারিত হিসাব মিলিয়ে দেখা।

6. কোনো অসংগতি থাকলে সংশ্লিষ্ট অফিসের হিসাব শাখা বা দায়িত্বপ্রাপ্ত ডিডিওর মাধ্যমে যাচাই করা।

সরকারি গেজেট ও অর্থ বিভাগের প্রকাশিত নথি যাচাইয়ের জন্য অর্থ বিভাগ, অর্থ মন্ত্রণালয়-এর জাতীয় বেতন স্কেল ২০২৬ পৃষ্ঠা ব্যবহার করা যেতে পারে।

উপসংহার

নবম পে স্কেল ২০২৬-এর বেতন হিসাব ফরমটি সরকারি কর্মচারীদের সম্ভাব্য নতুন মূল বেতন, বিভিন্ন ভাতা, কর্তন এবং ব্যাংকে প্রাপ্য নিট অর্থ সম্পর্কে প্রাথমিক ধারণা পাওয়ার একটি ব্যবহারিক মাধ্যম। বিশেষ করে নতুন ও পুরোনো বেতনের তুলনা করার সুবিধাটি কর্মচারীদের জন্য সহায়ক হতে পারে।

বেতন কত টাকা হাতে বেশি পাবেন?

Calculate Now: নবম পে স্কেল – বেতন হিসাব ফরম

admin

আমি একজন সরকারী চাকরিজীবি। দীর্ঘ ১০ বছর যাবৎ চাকুরির সুবাদে সরকারি চাকরি বিধি বিধান নিয়ে পড়াশুনা করছি। বিএসআর ব্লগে সরকারি আদেশ, গেজেট, প্রজ্ঞাপন ও পরিপত্র পোস্ট করা হয়। এ ব্লগের কোন পোস্ট নিয়ে প্রশ্ন থাকলে বা ব্যাখ্যা জানতে পোস্টের নিচে কমেন্ট করুন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *