বেতন সমতাকরণের কাগজপত্র যেভাবে রেডি করবেন।

সরকারি কর্মচারীগণ ২০১৫ সালের পে স্কেল জারি হওয়ার পর বেতন সমতাকরণ হতে বঞ্চিত হয়েছে। জাতীয় বেতন স্কেল ২০১৫ জারি হওয়ার পর অকার্যকর হয়ে গেছে বেতন সমতাকরণ বিধান।

কিন্তু বর্তমানেও ২০১৫ সালের পূর্ব পর্যন্ত সময়ে কারও বেতন অসম থাকলে তা সমতাকরণ করা যাচ্ছে। অর্থাৎ বকেয়া বেতন সমতাকরণ কার্যকর রয়েছে। নিম্ন পদ্ধতি ও সংযোজনী অনুসরণ করে বেতন সমতাকরণ করা যাচ্ছে।

প্রথমত,

নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষ বরাবর আবেদন করতে হবে। সাথে দপ্তর প্রধান বরাবর একটি আবেদন পত্রও দাখিল করতে হবে। কিভাবে নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষ বরাবর আবেদন করবেন এবং দপ্তর প্রধান বরাবর আবেদন করবেন তার নমুনা নিচে সংযুক্ত করে দেওয়া হলো।

দ্বিতীয়ত,

যার সাথে সমতাকরণ করতে চাচ্ছেন তার এবং আপনার চাকুরীর তুলনামূলক বিবরণী তৈরি করতে হবে। যেখানে প্রথম যোগদান, জ্যেষ্ঠতা তালিকায় অবস্থান, বার্ষিক বেতন বৃদ্ধির তারিখ, টাইমস্কেল ও সিলেকশন গ্রেড সংক্রান্ত তথ্য ইত্যাদি সন্নিবেশিত করতে হবে। নমুনা সংযুক্ত।

তৃতীয়ত,

তুলনামূলক বিবরণীর রেফারেন্স হিসাব আবেদনপত্রের সাথে কিছু সংযোজনী দাখিল করতে হবে। যেমন, প্রথম নিয়োগপত্র, পদোন্নতি কপি, টাইমস্কেল সিলেকশন গ্রেড কপি, দুজনের সার্ভিস বুক ইত্যাদি।

চতুর্থত,

কর্তৃপক্ষের আদেশ জারির পর বেতন নির্ধারণী ফরমে বেতন নির্ধারণ করতে হবে। এ সংক্রান্ত একটি ছক নিচে যুক্ত করে দেওয়া হলো। হিসাব রক্ষণ অফিস হতে প্রতিপাদন করে বকেয়া বিল করতে হবে।

পঞ্চমত,

সার্ভিসবুকে এন্ট্রিকরত: সংস্থাপন কর্মচারীদের বেতন বিল ফরমে বকেয়া বিল দাখিল পূর্বক আর্থিক সুবিধা প্রাপ্য অর্থ তুলতে হবে।

বেতন সমতাকরণের কাগজপত্র যেভাবে রেডি করবেন তার সংযুক্তি নমুনা ডেমো সংগ্রহ করুন: ডাউনলোড

admin

এই ব্লগের কোন পোস্ট নিয়ে বিস্তারিত জানতে বা কোন তথ্য যুক্ত করতে বা সংশোধন করতে চাইলে অথবা কোন আদেশ, গেজেট পেতে এই admin@bdservicerules.info ঠিকানায় মেইল করতে পারেন।

2 thoughts on “বেতন সমতাকরণের কাগজপত্র যেভাবে রেডি করবেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published.