বৈষম্যমুক্ত ৯ম পে-স্কেলসহ ৭ দফা দাবিতে সোচ্চার ১১-২০ গ্রেড সরকারি চাকুরিজীবী ফোরাম, প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে দোয়া ও আলোচনা সভা
ঢাকা, ১৯ জুলাই ২০২৬: বৈষম্যমুক্ত ৯ম পে-স্কেল প্রণয়ন, ১১-২০ গ্রেডের সরকারি চাকুরিজীবীদের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিতকরণ এবং দীর্ঘদিনের বিভিন্ন দাবি বাস্তবায়নের প্রত্যয়ে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে দোয়া ও আলোচনা সভার আয়োজন করেছে ১১-২০ গ্রেড সরকারি চাকুরিজীবী ফোরাম।
সংগঠনটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, রবিবার বিকেল ৫টায় জাতীয় জাদুঘর কর্মচারী ইউনিয়ন কার্যালয়ে এ সভা অনুষ্ঠিত হবে। এতে ফোরামের কেন্দ্রীয় পরিষদ ও ঢাকা মহানগরের নেতৃবৃন্দ, বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠানের ১১-২০ গ্রেডভুক্ত চাকুরিজীবী প্রতিনিধি এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার আমন্ত্রিত অতিথিরা অংশ নেবেন।
আয়োজকদের মতে, আলোচনা সভার মূল প্রতিপাদ্য হবে সরকারি চাকরিতে বিদ্যমান বেতন ও সুযোগ-সুবিধার বৈষম্য দূর করা এবং ১১-২০ গ্রেডের কর্মচারীদের ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠা। একই সঙ্গে বৈষম্যমুক্ত ৯ম পে-স্কেলসহ ফোরামের ঘোষিত ৭ দফা দাবি বাস্তবায়নের প্রয়োজনীয়তা ও করণীয় বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হবে।
ফোরামের নেতারা মনে করেন, দেশের সরকারি প্রশাসন সচল রাখতে ১১-২০ গ্রেডের কর্মচারীদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অথচ দীর্ঘদিন ধরে বেতন কাঠামো, পদোন্নতি, ভাতা ও অন্যান্য সুবিধার ক্ষেত্রে তারা বিভিন্ন ধরনের বৈষম্যের মুখোমুখি হচ্ছেন। এসব সমস্যা সমাধানে একটি যুগোপযোগী ও বৈষম্যহীন বেতন কাঠামো প্রণয়ন জরুরি বলে তারা দাবি করছেন।
এছাড়া অনুষ্ঠানে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সংগঠনের অতীত কার্যক্রম, ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা এবং সরকারি চাকুরিজীবীদের স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়েও আলোচনা হবে। সভার শুরুতে দেশ, জাতি এবং সরকারি চাকুরিজীবীদের কল্যাণ কামনায় বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।
ফোরামের নেতারা জানিয়েছেন, তাদের ঘোষিত ৭ দফা দাবির মধ্যে বৈষম্যমুক্ত ৯ম পে-স্কেল বাস্তবায়ন অন্যতম প্রধান দাবি। পাশাপাশি সরকারি চাকুরিজীবীদের মর্যাদা, আর্থিক নিরাপত্তা এবং কর্মপরিবেশ উন্নয়নের বিষয়েও তারা গুরুত্বারোপ করবেন।
সংগঠনটির আশা, আলোচনা সভার মাধ্যমে সরকারি চাকুরিজীবীদের যৌক্তিক দাবিগুলো আরও সুসংগঠিতভাবে তুলে ধরা সম্ভব হবে এবং সংশ্লিষ্ট নীতিনির্ধারকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করা যাবে।
তবে উল্লেখ্য, বৈষম্যমুক্ত ৯ম পে-স্কেলসহ ৭ দফা দাবি ১১-২০ গ্রেড সরকারি চাকুরিজীবী ফোরামের দাবি ও অবস্থান। এ বিষয়ে সরকারের আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত বা অনুমোদনের বিষয়টি সংশ্লিষ্ট সরকারি কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভরশীল।



