ঢাকায় কোন হাসপাতালে কত টাকায় পরীক্ষা? রক্ত, কিডনি, ডায়াবেটিসসহ বিভিন্ন পরীক্ষার খরচ জানুন
ঢাকায় চিকিৎসা নিতে গিয়ে রোগীদের বড় একটি অংশকে বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষার খরচ নিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়তে হয়। চিকিৎসকের পরামর্শে রক্ত পরীক্ষা, ডায়াবেটিস, থাইরয়েড, কিডনি, লিভার, হৃদ্রোগ কিংবা হরমোনসংক্রান্ত পরীক্ষা করাতে গিয়ে মোট ব্যয় কত হবে, তা অনেকেরই আগে থেকে জানা থাকে না। সরকারি হাসপাতাল ও বেসরকারি ডায়াগনস্টিক সেন্টারের মধ্যে খরচের পার্থক্য থাকায় চিকিৎসার বাজেট নির্ধারণ করাও কঠিন হয়ে পড়ে।
এই পরিস্থিতিতে ঢাকার বিভিন্ন চিকিৎসাপ্রতিষ্ঠানে করা যায়—এমন বিভিন্ন পরীক্ষার নাম, সম্ভাব্য খরচ এবং কোন ধরনের স্বাস্থ্য সমস্যায় কোথায় পরীক্ষা করানো যেতে পারে, তা নিয়ে একটি পরীক্ষার খরচের গাইড তৈরি করা হয়েছে। এতে রোগী ও স্বজনেরা প্রয়োজনীয় পরীক্ষা নির্বাচন করে সম্ভাব্য ব্যয়ের একটি প্রাথমিক হিসাব পেতে পারেন। তবে তালিকায় দেওয়া সব মূল্য বর্তমান হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে যাচাই করা নয়; তাই চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের আগে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যোগাযোগ করা জরুরি।
সরকারি হাসপাতালে পরীক্ষার খরচের হিসাব
গাইডটিতে ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব ল্যাবরেটরি মেডিসিন অ্যান্ড রেফারেল সেন্টার (NILMRC)-এর পরীক্ষার মূল্যকে প্রধান ভিত্তি হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটি ঢাকার শেরেবাংলা নগরে অবস্থিত।
গাইড অনুযায়ী, CBC বা কমপ্লিট ব্লাড কাউন্ট পরীক্ষার মূল্য ১৫০ টাকা, সিরাম ক্রিয়েটিনিন ৫০ টাকা, রক্তে গ্লুকোজ পরীক্ষা ৬০ টাকা এবং সিরাম ক্যালসিয়াম পরীক্ষার মূল্য ৮০ টাকা ধরা হয়েছে। এ ছাড়া সিরাম TSH পরীক্ষার মূল্য ২০০ টাকা, ভিটামিন বি১২ পরীক্ষার মূল্য ৫০০ টাকা এবং ভিটামিন ডি পরীক্ষার মূল্য ১ হাজার টাকা উল্লেখ করা হয়েছে।
তবে এসব মূল্যকে সব সরকারি হাসপাতালের অভিন্ন মূল্য হিসেবে ধরে নেওয়া যাবে না। গাইডে কিছু পরীক্ষার মূল্য রসিদ থেকে যাচাইকৃত হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে, অন্যগুলো আনুমানিক। ফলে নির্দিষ্ট পরীক্ষা করানোর আগে সংশ্লিষ্ট হাসপাতালের বর্তমান মূল্যতালিকা যাচাই করা প্রয়োজন।
বিভিন্ন রক্ত পরীক্ষার সম্ভাব্য মূল্য
শরীরের বিভিন্ন রোগ শনাক্ত করতে রক্ত পরীক্ষার প্রয়োজন হয়। রোগীর উপসর্গ ও চিকিৎসকের মূল্যায়ন অনুযায়ী পরীক্ষা নির্বাচন করা হয়। গাইডে উল্লেখ করা কয়েকটি পরীক্ষার মূল্য নিচে দেওয়া হলো।
| পরীক্ষার নাম | গাইডে উল্লেখিত মূল্য |
|---|---|
| CBC বা কমপ্লিট ব্লাড কাউন্ট | ১৫০ টাকা |
| সিরাম ফেরিটিন | ৪০০ টাকা |
| ভিটামিন ডি | ১,০০০ টাকা |
| ভিটামিন বি১২ | ৫০০ টাকা |
| সিরাম TSH | ২০০ টাকা |
| সিরাম ক্যালসিয়াম | ৮০ টাকা |
| সিরাম ম্যাগনেসিয়াম | ১৫০ টাকা |
| সিরাম ক্রিয়েটিনিন | ৫০ টাকা |
| SGPT বা ALT | ৭০ টাকা |
| রক্তে গ্লুকোজ (RBS/FBS) | ৬০ টাকা |
| HbA1c | ৫০০ টাকা |
| লিপিড প্রোফাইল | ৪০০ টাকা |
এখানে উল্লেখিত মূল্যগুলো গাইডের তথ্য অনুযায়ী দেওয়া হয়েছে। সব মূল্য একইভাবে যাচাইকৃত নয় এবং সময়ের সঙ্গে পরিবর্তিত হতে পারে।
ডায়াবেটিস পরীক্ষায় কত টাকা লাগতে পারে?
ডায়াবেটিস রোগীদের ক্ষেত্রে রক্তে গ্লুকোজ, HbA1c এবং কিডনির কার্যকারিতা মূল্যায়নের মতো পরীক্ষা প্রয়োজন হতে পারে। গাইডে রক্তে গ্লুকোজ পরীক্ষার মূল্য ৬০ টাকা এবং HbA1c পরীক্ষার মূল্য ৫০০ টাকা উল্লেখ করা হয়েছে। সিরাম ক্রিয়েটিনিনের সম্ভাব্য মূল্য ৫০ টাকা এবং ইউরিন ACR বা অ্যালবুমিন পরীক্ষার মূল্য ৩০০ টাকা ধরা হয়েছে।
তবে প্রত্যেক রোগীর জন্য একই পরীক্ষার তালিকা প্রযোজ্য নয়। রোগীর বয়স, শারীরিক অবস্থা, পূর্ববর্তী রিপোর্ট এবং চিকিৎসকের পরামর্শের ভিত্তিতে পরীক্ষা নির্ধারণ করতে হবে।
গাইডে ডায়াবেটিসসংক্রান্ত পরীক্ষার সম্ভাব্য প্রতিষ্ঠান হিসেবে বারডেম (BIRDEM), NILMRC, পপুলার ডায়াগনস্টিক ও বারাকাহ জেনারেল হাসপাতালের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। যাওয়ার আগে প্রয়োজনীয় পরীক্ষা সেখানে করা হয় কি না এবং বর্তমান মূল্য কত, তা নিশ্চিত হওয়া উচিত।
কিডনি ও লিভারের পরীক্ষার খরচ
কিডনির কার্যকারিতা যাচাইয়ের জন্য চিকিৎসক সিরাম ক্রিয়েটিনিন, ইউরিয়া, ইলেকট্রোলাইট, প্রস্রাব পরীক্ষা কিংবা ইউরিন ACR-এর মতো পরীক্ষা দিতে পারেন। গাইডে সিরাম ক্রিয়েটিনিনের মূল্য ৫০ টাকা, সিরাম ইউরিয়ার মূল্য ১০০ টাকা, ইউরিন R/E-এর মূল্য ৬০ টাকা এবং সিরাম ইলেকট্রোলাইটের মূল্য ৩০০ টাকা উল্লেখ করা হয়েছে।
লিভারের সমস্যায় SGPT বা ALT, SGOT বা AST, বিলিরুবিন, ALP এবং প্রয়োজন অনুযায়ী হেপাটাইটিসের পরীক্ষা করানো হতে পারে। গাইডে SGPT-এর মূল্য ৭০ টাকা, SGOT-এর মূল্য ৭০ টাকা, বিলিরুবিনের মূল্য ৮০ টাকা এবং ALP-এর মূল্য ১০০ টাকা ধরে হিসাব দেওয়া হয়েছে।
কিডনি পরীক্ষার সম্ভাব্য প্রতিষ্ঠান হিসেবে গাইডে কিডনি ফাউন্ডেশন হাসপাতালসহ কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের উল্লেখ রয়েছে। লিভারের পরীক্ষার ক্ষেত্রে NILMRC, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (BSMMU), ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এবং বেসরকারি ডায়াগনস্টিক সেন্টারের নাম রয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠানে নির্দিষ্ট পরীক্ষা ও সেবা পাওয়া যাচ্ছে কি না, তা আগে যাচাই করতে হবে।
থাইরয়েড, দুর্বলতা ও রক্তস্বল্পতার পরীক্ষা
দীর্ঘদিনের দুর্বলতা, ক্লান্তি কিংবা রক্তস্বল্পতার কারণ অনুসন্ধানে চিকিৎসক CBC, সিরাম ফেরিটিন, ভিটামিন বি১২, ভিটামিন ডি এবং থাইরয়েডের পরীক্ষা দিতে পারেন।
গাইডে থাইরয়েডের TSH পরীক্ষার মূল্য ২০০ টাকা এবং FT4 পরীক্ষার মূল্য ৪৫০ টাকা উল্লেখ করা হয়েছে। সিরাম ফেরিটিনের মূল্য ৪০০ টাকা এবং ভিটামিন ডি পরীক্ষার মূল্য ১ হাজার টাকা ধরা হয়েছে।
তবে দুর্বলতা বা ক্লান্তি হলেই সব পরীক্ষা করাতে হবে, এমন নয়। উপসর্গ ও চিকিৎসকের মূল্যায়ন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় পরীক্ষা নির্বাচন করাই যুক্তিযুক্ত।
এক্স-রে, আলট্রাসনোগ্রাম ও হৃদ্রোগের পরীক্ষা
বিভিন্ন রোগ নির্ণয়ের জন্য রক্ত পরীক্ষার পাশাপাশি এক্স-রে, আলট্রাসনোগ্রাম, ইসিজি এবং অন্যান্য পরীক্ষা প্রয়োজন হতে পারে। গাইডে কয়েকটি পরীক্ষার সম্ভাব্য মূল্য উল্লেখ করা হয়েছে।
| পরীক্ষার নাম | গাইডে উল্লেখিত মূল্য |
|---|---|
| USG Whole Abdomen | ৭০০ টাকা |
| X-ray KUB | ২৫০ টাকা |
| X-ray Chest | ২৫০ টাকা |
| ECG | ১৫০ টাকা |
| Echocardiogram | ১,৫০০ টাকা |
| TMT | ২,০০০ টাকা |
| Upper GI Endoscopy | ২,৫০০ টাকা |
| DEXA Scan | ২,০০০ টাকা |
এগুলো গাইডে উল্লেখিত মূল্য; বর্তমান হাসপাতালভিত্তিক মূল্য নিশ্চিত না করে চূড়ান্ত ব্যয় ধরে নেওয়া ঠিক হবে না।
হৃদ্রোগের পরীক্ষার সম্ভাব্য প্রতিষ্ঠান হিসেবে গাইডে জাতীয় হৃদ্রোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতাল (NICVD), ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন এবং বেসরকারি হাসপাতালের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। বুকে তীব্র ব্যথা বা হার্ট অ্যাটাকের সন্দেহ হলে খরচের হিসাবের জন্য অপেক্ষা না করে দ্রুত জরুরি চিকিৎসা নেওয়া প্রয়োজন।
পপুলার ও বারাকাহ হাসপাতালে খরচের তুলনা
গাইডে পপুলার ডায়াগনস্টিক ও বারাকাহ জেনারেল হাসপাতালের সম্ভাব্য পরীক্ষার ব্যয় হিসাব করার জন্য NILMRC-এর হিসাবের তুলনায় প্রায় ৪.০৫ থেকে ৪.৭৩ গুণ গুণক ব্যবহার করা হয়েছে।
তবে এই তুলনা কোনো পূর্ণাঙ্গ, যাচাইকৃত হাসপাতালভিত্তিক মূল্যতালিকার ওপর প্রতিষ্ঠিত নয়। গাইডে উল্লেখিত একটি প্যাকেজের মূল্য এবং সরবরাহ করা অনুপাতের ভিত্তিতে এটি অনুমান করা হয়েছে। তাই এই হিসাবকে পপুলার বা বারাকাহ হাসপাতালের প্রকৃত মূল্য হিসেবে প্রকাশ করা যাবে না।
সঠিক খরচ জানতে সংশ্লিষ্ট শাখায় ফোন করে পরীক্ষার নাম অনুযায়ী মূল্য জেনে নেওয়া উচিত।
কোন সমস্যায় কোথায় পরীক্ষা করানো যেতে পারে?
গাইডে রোগ বা সমস্যার ধরন অনুযায়ী সম্ভাব্য কয়েকটি হাসপাতাল ও বিশেষায়িত প্রতিষ্ঠানের নাম সাজানো হয়েছে।
- ডায়াবেটিস: বারডেম, NILMRC এবং অন্যান্য হাসপাতাল বা ডায়াগনস্টিক সেন্টার।
- কিডনি সমস্যা: কিডনি ফাউন্ডেশন হাসপাতাল, NILMRC এবং অন্যান্য উল্লেখিত প্রতিষ্ঠান।
- হৃদ্রোগ: জাতীয় হৃদ্রোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতাল, ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন এবং বেসরকারি হাসপাতাল।
- চোখের সমস্যা: জাতীয় চক্ষুবিজ্ঞান ইনস্টিটিউট ও হাসপাতাল এবং সংশ্লিষ্ট চক্ষু বিভাগ।
- নাক-কান-গলার সমস্যা: জাতীয় নাক-কান-গলা ইনস্টিটিউট ও সংশ্লিষ্ট চিকিৎসাকেন্দ্র।
- যক্ষ্মা ও ফুসফুসের সমস্যা: জাতীয় বক্ষব্যাধি ইনস্টিটিউট ও হাসপাতাল এবং সরকারি যক্ষ্মা ক্লিনিক।
- পেটের সমস্যা: গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজি বিভাগ রয়েছে—এমন হাসপাতাল ও বিশেষায়িত চিকিৎসাকেন্দ্র।
এ তালিকা সম্ভাব্য সেবাকেন্দ্র সম্পর্কে ধারণা দেওয়ার জন্য। প্রতিটি প্রতিষ্ঠানে সব পরীক্ষা করা হয়, এমন নিশ্চয়তা নেই।
পরীক্ষার খরচ হিসাবের ডিজিটাল সুবিধা
গাইডটিতে একটি ইন্টার্যাকটিভ হিসাবের ব্যবস্থা রয়েছে। ব্যবহারকারী প্রথমে রোগ বা সমস্যার ধরন নির্বাচন করতে পারেন। এরপর সংশ্লিষ্ট তালিকা থেকে প্রয়োজনীয় পরীক্ষা বেছে নিলে নির্বাচিত পরীক্ষার সংখ্যা ও সম্ভাব্য মোট ব্যয় হিসাব করা হয়।
এতে পরীক্ষার মূল্য পরিবর্তন, সব পরীক্ষা নির্বাচন বা বাদ দেওয়া এবং খরচের রিপোর্ট প্রিন্ট করার সুবিধাও রাখা হয়েছে। ফলে রোগী ও স্বজনেরা চিকিৎসার আগে একটি প্রাথমিক ব্যয়ের তালিকা তৈরি করতে পারেন।
তবে এই হিসাব হাসপাতালের আনুষ্ঠানিক বিল নয়। পরীক্ষার মূল্য পরিবর্তিত হলে হিসাবেও সংশোধন প্রয়োজন হতে পারে। চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া শুধু গাইডের তালিকা দেখে পরীক্ষা নির্বাচন করা উচিত নয়।
পরীক্ষার খরচ কমাতে রোগীদের করণীয়
চিকিৎসার ব্যয় পরিকল্পনায় কয়েকটি বিষয় গুরুত্বপূর্ণ। প্রথমত, কোন পরীক্ষা প্রয়োজন, তা চিকিৎসকের কাছ থেকে জেনে নিতে হবে। দ্বিতীয়ত, হাসপাতালে যাওয়ার আগে ফোন করে পরীক্ষার বর্তমান মূল্য, রিপোর্ট পাওয়ার সময় এবং নমুনা সংগ্রহের নিয়ম নিশ্চিত করতে হবে। তৃতীয়ত, টিকিট বা নিবন্ধন ফি এবং অন্যান্য প্রযোজ্য খরচ সম্পর্কে আগেই জানতে হবে।
এ ছাড়া একাধিক প্রতিষ্ঠানে পরীক্ষা করানোর প্রয়োজন হলে যাতায়াত ব্যয় ও সময়ও বিবেচনায় রাখা উচিত। কোনো পরীক্ষা সরকারি হাসপাতালে কম খরচে করা সম্ভব কি না, সেটিও যাচাই করে দেখা যেতে পারে।
শেষ কথা
ঢাকায় চিকিৎসা পরীক্ষার সম্ভাব্য খরচ সম্পর্কে আগাম ধারণা থাকলে রোগী ও স্বজনদের পক্ষে চিকিৎসার বাজেট তৈরি করা সহজ হয়। রক্ত পরীক্ষা থেকে শুরু করে ডায়াবেটিস, কিডনি, লিভার, থাইরয়েড ও হৃদ্রোগের বিভিন্ন পরীক্ষার মূল্য এক জায়গায় পাওয়া গেলে প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহের সময়ও কমতে পারে।
তবে গাইডে দেওয়া মূল্যগুলোর একটি অংশ আনুমানিক এবং বেসরকারি হাসপাতালের তুলনামূলক হিসাবও যাচাইকৃত নয়। তাই তালিকাটিকে প্রাথমিক তথ্যসূত্র হিসেবে ব্যবহার করতে হবে; চূড়ান্ত মূল্য সংশ্লিষ্ট হাসপাতাল থেকে নিশ্চিত করা জরুরি। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, প্রয়োজনীয় পরীক্ষা চিকিৎসকের পরামর্শে নির্ধারণ করা এবং জরুরি চিকিৎসার ক্ষেত্রে খরচের হিসাব করতে গিয়ে চিকিৎসা নিতে দেরি না করা।



