অটো বেতন নির্ধারণ ২০২৬: শুধু গ্রেড ও ৩০ জুনের মূল বেতন দিলেই কি পে ফিক্সেশন হয়ে যাবে?
জাতীয় বেতনস্কেল ২০২৬-এর গেজেট প্রকাশের পর সরকারি চাকরিজীবীদের মধ্যে নতুন বেতন নির্ধারণ নিয়ে ব্যাপক আগ্রহ তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে অনলাইনে তৈরি বিভিন্ন Salary Calculator/Pay Fixation Calculator-এ দেখা যাচ্ছে—শুধু বর্তমান গ্রেড নির্বাচন করে ৩০ জুন ২০২৬ তারিখের মূল বেতন লিখলেই নতুন বেতনের হিসাব পাওয়া যাচ্ছে।
এতে অনেকের প্রশ্ন, “তাহলে কি পে ফিক্সেশন এতটাই সহজ? শুধু গ্রেড আর আগের Basic দিলেই কি পুরো Pay Fixation হয়ে যাবে?”
গেজেটের বিধান বিশ্লেষণ করলে বিষয়টি কিছুটা পরিষ্কার হয়। নতুন বেতনের মূল হিসাব নির্ধারণের জন্য গ্রেড ও ৩০ জুন ২০২৬-এর বর্তমান মূল বেতন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ইনপুট। কিন্তু সরকারি অফিসিয়াল Pay Fixation শুধু একটি সাধারণ ক্যালকুলেটরে দুটি তথ্য বসিয়ে শেষ হয়ে যায় না।
সরকারি গেজেটেই অনলাইন Pay Fixation-এর ব্যবস্থা
জাতীয় বেতনস্কেল ২০২৬-এর সরকারি গেজেট হিসেবে বাংলাদেশ সরকারি মুদ্রণ ও প্রকাশনা অধিদপ্তরের আর্কাইভে এস. আর. ও. নং ৩৪৭-আইন/২০২৬—‘চাকরি (বেতন ও ভাতাদি) আদেশ, ২০২৬’ প্রকাশিত হয়েছে। গেজেটটির তারিখ ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ এবং এতে ১ জুলাই ২০২৬ থেকে নতুন বেতনস্কেল কার্যকর করার বিধান রয়েছে।
গেজেটের অনুচ্ছেদ ৩২-এ অনলাইনে বেতন নির্ধারণের বিষয়ে সরাসরি নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে, জাতীয় বেতনস্কেল ২০২৬ জারির পর সরকারি কর্মচারীরা iBAS++ সিস্টেমে লগইন করে Pay Fixation অপশনে নির্ধারিত ছক পূরণ করে নিজেদের বেতন নির্ধারণ করবেন।
অর্থাৎ এবার বেতন নির্ধারণের প্রক্রিয়াটি মূলত অনলাইনভিত্তিক।
তাহলে গ্রেড ও Basic-এর ভূমিকা কোথায়?
এখানেই রয়েছে পুরো হিসাবের মূল ভিত্তি।
গেজেটে “বর্তমান বেতন” বলতে ৩০ জুন ২০২৬ তারিখে প্রাপ্ত বা প্রাপ্য মূল বেতন বোঝানো হয়েছে। অর্থাৎ নতুন স্কেলে বেতন নির্ধারণের ক্ষেত্রে ৩০ জুনের Basic Pay গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি হিসেবে কাজ করবে।
তাই একজন কর্মচারীর ক্ষেত্রে সাধারণভাবে প্রথম যে তথ্যগুলো প্রয়োজন হবে—
১. ৩০ জুন ২০২৬ তারিখের বর্তমান গ্রেড
২. ৩০ জুন ২০২৬ তারিখের বর্তমান মূল বেতন
এই তথ্যের ভিত্তিতেই নতুন স্কেলের বেতন নির্ধারণের মূল গণনা শুরু হবে।
শুধু শতাংশ যোগ করে নতুন Basic হবে না
অনেকের ধারণা, পুরোনো Basic-এর সঙ্গে ৫০ শতাংশ বা ১০০ শতাংশ যোগ করলেই নতুন Basic পাওয়া যাবে।
বিষয়টি তা নয়।
গেজেটের বেতন নির্ধারণের পদ্ধতিতে বর্তমান বেতন থেকে সংশ্লিষ্ট পুরোনো স্কেলের প্রারম্ভিক বেতনের পার্থক্য বিবেচনা করে নতুন স্কেলের সংশ্লিষ্ট প্রারম্ভিক বেতনের সঙ্গে তা যোগ করার পদ্ধতি রয়েছে। যোগফল নতুন স্কেলের কোনো নির্দিষ্ট ধাপে না পড়লে পরবর্তী উচ্চতর ধাপে বেতন নির্ধারণের নিয়মও রয়েছে।
অর্থাৎ হিসাবের কাঠামোটি মোটামুটি—
৩০ জুনের বর্তমান Basic
↓
বর্তমান স্কেলের প্রারম্ভিক বেতন থেকে পার্থক্য
↓
নতুন স্কেলের সংশ্লিষ্ট প্রারম্ভিক বেতনের সঙ্গে পার্থক্য যোগ
↓
নতুন স্কেলের নির্ধারিত ধাপে অবস্থান নির্ধারণ
↓
নতুন Basic
এ কারণেই শুধু “পুরোনো বেতন × ২” করে নতুন বেতন বের করা সঠিক পদ্ধতি নয়।
একটি সহজ উদাহরণ
ধরা যাক, কোনো কর্মচারীর—
বর্তমান গ্রেড: ১৪
৩০ জুন ২০২৬-এর Basic: ১৮,৪০০ টাকা
তিনি কোনো অনলাইন ক্যালকুলেটরে গ্রেড-১৪ নির্বাচন করে ১৮,৪০০ টাকা ইনপুট করলে সফটওয়্যার গেজেটে নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী নতুন স্কেলের সংশ্লিষ্ট ধাপ বের করার চেষ্টা করবে।
ফলে ব্যবহারকারীর জন্য হিসাবটি খুব সহজ মনে হবে—
গ্রেড নির্বাচন → বর্তমান Basic লিখুন → হিসাব করুন
কিন্তু পেছনে সফটওয়্যারকে আসলে গেজেটে নির্ধারিত বেতন নির্ধারণের সূত্র ও ধাপ প্রয়োগ করতে হচ্ছে।
এ কারণেই একটি ভালো ক্যালকুলেটর ব্যবহারকারীর কাছে সহজ হলেও তার পেছনের গণনাটি তুলনামূলকভাবে জটিল।
তবে এখানেই “অটো Pay Fixation” কথাটির সীমাবদ্ধতা
একটি ওয়েবসাইটে শুধু—
গ্রেড + ৩০ জুনের Basic
দিয়ে নতুন বেতন দেখানো সম্ভব হলেও এটিকে সরাসরি সরকারি চূড়ান্ত Pay Fixation বলা যাবে না।
কারণ সরকারি গেজেটের অনুচ্ছেদ ৩২ অনুযায়ী কর্মচারীকে iBAS++ Pay Fixation-এর নির্ধারিত ছক পূরণ করতে হবে। অর্থাৎ সরকারি ব্যবস্থায় প্রয়োজনীয় তথ্য দিয়ে নির্ধারিত প্রক্রিয়া অনুসরণ করতে হবে।
আরও গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, গেজেট বলছে—
সংশ্লিষ্ট হিসাবরক্ষণ অফিস চূড়ান্তভাবে প্রতিপাদিত ‘বেতন নির্ধারণী বিবরণী’-এর ভিত্তিতে বেতন পরিশোধ করবে।
এমনকি ভুলবশত কম বা বেশি বেতন পরিশোধ হয়ে গেলে তা পরবর্তীতে সমন্বয়যোগ্য।
অর্থাৎ “ক্যালকুলেটর” ও “অফিসিয়াল Pay Fixation” আলাদা
বিষয়টি সহজভাবে বোঝার জন্য দুটিকে আলাদা করে দেখা যায়।
| বিষয় | অনলাইন ক্যালকুলেটর | সরকারি Pay Fixation |
|---|---|---|
| গ্রেড | প্রয়োজন | প্রয়োজন |
| ৩০ জুনের Basic | প্রয়োজন | প্রয়োজন |
| নতুন Basic হিসাব | করে | করে |
| গেজেটের সূত্র প্রয়োগ | ক্যালকুলেটরভেদে | সরকারি বিধি অনুযায়ী |
| iBAS++ | নাও থাকতে পারে | আবশ্যিক প্রক্রিয়ার অংশ |
| বেতন নির্ধারণী বিবরণী | সাধারণত নেই | থাকে |
| হিসাবরক্ষণ অফিসের প্রতিপাদন | নেই | আছে |
| চূড়ান্ত সরকারি বেতন | নয় | প্রতিপাদিত বিবরণের ভিত্তিতে |
তাই pay-scale.npibd.com-এর মতো ক্যালকুলেটর দিয়ে নিজের সম্ভাব্য নতুন Basic যাচাই করা যায়, কিন্তু সেটিকে সরকারি অনুমোদিত Pay Fixation হিসেবে ধরে নেওয়া উচিত নয়।
iBAS++-এ কি কর্মচারী নিজেই Pay Fixation করবেন?
গেজেটের ভাষা অনুযায়ী, সরকারি কর্মচারীরা অনলাইনে iBAS++-এর Pay Fixation অপশনে গিয়ে নির্ধারিত ছক পূরণ করে নিজেদের বেতন নির্ধারণ করবেন। এমনকি পুরোনো payfixation.gov.bd ওয়েবসাইট দিয়ে প্রবেশ করলেও iBAS++ Pay Fixation অপশনে নিয়ে যাওয়ার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।
এ কারণে এবার “বেতন ফিক্সেশন অফিসই করবে, কর্মচারীর কিছু করার নেই”—এমন ধারণা পুরোপুরি সঠিক নয়।
বরং কর্মচারীর পক্ষ থেকে অনলাইনে প্রয়োজনীয় তথ্য প্রদান ও Pay Fixation প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার ভূমিকা রয়েছে।
তাহলে অফিসের ভূমিকা কী?
অনলাইনে কর্মচারী তথ্য দিয়ে Pay Fixation করলেই পুরো প্রক্রিয়া শেষ নয়।
গেজেটে বলা হয়েছে, চূড়ান্তভাবে প্রতিপাদিত বেতন নির্ধারণী বিবরণীর ভিত্তিতে সংশ্লিষ্ট হিসাবরক্ষণ অফিস বেতন পরিশোধ করবে।
অর্থাৎ প্রক্রিয়াটি সহজভাবে এমন—
কর্মচারী
→ iBAS++-এ Pay Fixation
→ প্রয়োজনীয় তথ্য পূরণ
→ বেতন নির্ধারণী বিবরণী
→ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ/হিসাবরক্ষণ ব্যবস্থায় যাচাই
→ চূড়ান্ত প্রতিপাদন
→ নতুন বেতনের ভিত্তিতে বেতন পরিশোধ
এখানে “অটো” বলতে মূলত সফটওয়্যারভিত্তিক হিসাব ও প্রক্রিয়াকরণ বোঝায়; এর অর্থ এই নয় যে কোনো যাচাই ছাড়াই দুইটি তথ্য দিলেই সরকারি বেতন চূড়ান্ত হয়ে যাবে।
কার ক্ষেত্রে শুধু গ্রেড ও Basic দিয়ে হিসাব সহজ হতে পারে?
যেসব কর্মচারীর ক্ষেত্রে পরিস্থিতি একেবারে সাধারণ—
- ৩০ জুন ২০২৬-এ নির্দিষ্ট একটি গ্রেডে কর্মরত;
- নিয়মিত মূল বেতন পাচ্ছেন;
- কোনো বিশেষ বেতন সংরক্ষণ নেই;
- সাম্প্রতিক পদোন্নতি/উচ্চতর গ্রেডজনিত জটিলতা নেই;
- বিশেষ ধরনের Pay Fixation ইতিহাস নেই;
তাদের ক্ষেত্রে গ্রেড ও ৩০ জুনের Basic থেকে নতুন স্কেলের Basic নির্ধারণের হিসাব তুলনামূলকভাবে সরল হতে পারে।
অন্যদিকে বিশেষ পরিস্থিতির কর্মচারীদের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত বিধান প্রযোজ্য হতে পারে।
পদোন্নতি বা উচ্চতর গ্রেড থাকলে কী হবে?
এখানেই শুধু দুটি তথ্য দিয়ে হিসাব করার সীমাবদ্ধতা সবচেয়ে বেশি দেখা দিতে পারে।
কারও যদি চাকরিজীবনে—
পদোন্নতি → বেতন পুনর্নির্ধারণ → উচ্চতর গ্রেড → পুনরায় বেতন নির্ধারণ
এর মতো ঘটনা থাকে, তাহলে শুধু বর্তমান Basic দেখে পুরো বেতন ইতিহাস বোঝা সম্ভব নয়।
গেজেটেও মূল স্কেল, উচ্চতর গ্রেড, সিনিয়র স্কেল, সিলেকশন গ্রেড স্কেল ও উচ্চতর স্কেল (টাইম স্কেল)-এর মতো বিষয়গুলোর সংজ্ঞা আলাদাভাবে উল্লেখ করা হয়েছে।
ফলে বিশেষ ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট বিধান যাচাই করে Pay Fixation করতে হবে।
নতুন স্কেলের বেতন নির্ধারণ হলেও পুরো বর্ধিত টাকা একসঙ্গে কার্যকর নয়
এখানে আরেকটি বিষয় মনে রাখা জরুরি।
গেজেট অনুযায়ী ১ জুলাই ২০২৬ থেকে নতুন স্কেল কার্যকর হলেও বর্ধিত বেতনের পুরো পার্থক্য একবারে কার্যকর হচ্ছে না।
গেজেটের বিধান অনুযায়ী—
১ জুলাই–৩১ ডিসেম্বর ২০২৬
৯ম গ্রেড ও তদূর্ধ্বের জন্য বর্ধিত অংশের ৪০% এবং ১০ম–২০তম গ্রেডের জন্য ৫০% বর্তমান বেতনের সঙ্গে যোগ হবে।
১ জানুয়ারি–৩০ জুন ২০২৭
এটি যথাক্রমে ৭০% ও ৭৫% হবে।
১ জুলাই ২০২৭
নির্ধারিত নতুন মূল বেতন শতভাগ কার্যকর হবে।
তাই ক্যালকুলেটরে যদি নতুন স্কেলের পূর্ণ Basic দেখা যায়, সেটিকে সঙ্গে সঙ্গে পুরো বর্ধিত অংশ হাতে পাওয়ার অর্থ হিসেবে ধরে নেওয়া ঠিক হবে না।
“গত বছরের মূল বেতন” বলাটাও একটু সংশোধন করা দরকার
অনেকে বলছেন—
“গত বছরের Basic লিখলেই হবে।”
এখানে আরও নির্দিষ্ট হওয়া দরকার।
গেজেট অনুযায়ী প্রাসঙ্গিক ভিত্তি হলো:
৩০ জুন ২০২৬ তারিখে প্রাপ্ত বা প্রাপ্য মূল বেতন।
অর্থাৎ শুধু “গত বছরের কোনো একটি সময়ের Basic” নয়।
উদাহরণস্বরূপ, ২০২৫ সালের কোনো পুরোনো Basic যদি ২০২৬ সালের জুনের মধ্যে ইনক্রিমেন্টের কারণে পরিবর্তিত হয়ে থাকে, তাহলে পুরোনো অঙ্ক নয়—৩০ জুন ২০২৬-এর প্রযোজ্য Basic বিবেচনা করতে হবে।
এটি বেতন নির্ধারণের ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
অনলাইন ক্যালকুলেটর ব্যবহারে সবচেয়ে বড় সুবিধা
এই ধরনের ক্যালকুলেটরের সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো—একজন কর্মচারী অফিসিয়াল ফিক্সেশনের আগে নিজের সম্ভাব্য নতুন Basic সম্পর্কে ধারণা নিতে পারবেন।
অর্থাৎ—
“আমার ৩০ জুনের Basic থেকে নতুন স্কেলে কত Basic হওয়ার কথা?”
এই প্রশ্নের দ্রুত উত্তর পাওয়া যাবে।
এরপর অফিস বা iBAS++-এ সম্পন্ন Pay Fixation-এর ফলের সঙ্গে মিলিয়ে দেখা যাবে।
এতে ভুল থাকলে তা শনাক্ত করাও সহজ হতে পারে।
তাহলে চূড়ান্ত উত্তর কী?
হ্যাঁ—সাধারণ হিসাবের ক্ষেত্রে গ্রেড ও ৩০ জুন ২০২৬-এর Basic Pay দিয়েই নতুন পে-স্কেলের মূল বেতন স্বয়ংক্রিয়ভাবে হিসাব করা সম্ভব।
কিন্তু—
না—শুধু এই দুটি তথ্য দিলেই সরকারি Pay Fixation প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ হয়ে গেছে বলা যাবে না।
কারণ সরকারি গেজেট অনুযায়ী Pay Fixation করতে হবে iBAS++-এর নির্ধারিত Pay Fixation ব্যবস্থায়, এবং চূড়ান্তভাবে প্রতিপাদিত বেতন নির্ধারণী বিবরণীর ভিত্তিতেই সংশ্লিষ্ট হিসাবরক্ষণ অফিস বেতন পরিশোধ করবে।
এক লাইনে পুরো বিষয়টি
গ্রেড + ৩০ জুন ২০২৬-এর Basic = নতুন Basic-এর স্বয়ংক্রিয় হিসাবের প্রধান ভিত্তি।
কিন্তু—
গ্রেড + Basic → iBAS++ Pay Fixation → নির্ধারিত বিবরণী → যাচাই/প্রতিপাদন → সরকারি বেতন
এই পুরো প্রক্রিয়াটিই হলো অফিসিয়াল Pay Fixation।
সুতরাং “অটো বেতন নির্ধারণ” কথাটি ঠিক, যদি এর অর্থ হয় সফটওয়্যার গেজেটের সূত্র অনুযায়ী নতুন Basic হিসাব করবে; কিন্তু “দুটি তথ্য দিলেই কোনো যাচাই ছাড়াই সরকারি পে ফিক্সেশন চূড়ান্ত”—এটি ঠিক নয়।
সরকারি গেজেট: বাংলাদেশ সরকারি মুদ্রণ ও প্রকাশনা অধিদপ্তর

Pay Fixation Link: এখানে ক্লিক করুন
নমুনা দেখুন: ফিক্সেশন করলে যেমন আসে।


