৯ম পে স্কেল নিউজ ২০২৬

Pay Scale gazette PDF 2026 । নতুন পে স্কেলের গেজেট পিডিএফ কপি ডাউনলোড করুন

দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বহুল আলোচিত জাতীয় বেতনস্কেল ২০২৬-এর চূড়ান্ত গেজেট প্রকাশ হয়েছে। অর্থ মন্ত্রণালয়ের জারি করা ‘চাকরি (বেতন ও ভাতাদি) আদেশ, ২০২৬’-এর ভিত্তিতে নতুন বেতন কাঠামো কার্যকর করার আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। বাংলাদেশ গেজেটের অতিরিক্ত সংখ্যায় প্রকাশিত দলিলটির তারিখ ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

বাংলাদেশ সরকারি মুদ্রণালয়ের (BG Press) সরকারি গেজেট আর্কাইভেও এস. আর. ও. নং ৩৪৭-আইন/২০২৬—চাকরি (বেতন ও ভাতাদি) আদেশ, ২০২৬-এর প্রকাশের তথ্য রয়েছে। সেখানে গেজেটটির পৃষ্ঠা নম্বর ২৫১৯৩–২৫২১১ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

১ জুলাই ২০২৬ থেকে কার্যকর—তবে বাস্তবায়ন হবে ধাপে

নতুন পে-স্কেলের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো—গেজেট প্রকাশের তারিখ সেপ্টেম্বর হলেও এর কার্যকারিতা ১ জুলাই ২০২৬ থেকে ধরা হয়েছে। অর্থাৎ নতুন বেতন কাঠামোর সুবিধা নির্ধারণে ১ জুলাই ২০২৬ একটি গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি তারিখ।

সরকারের প্রকাশিত কাঠামো অনুযায়ী নতুন বেতন একবারে পুরোপুরি কার্যকর না হয়ে ধাপে ধাপে বাস্তবায়নের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। সংবাদ প্রতিবেদনে প্রকাশিত গেজেটের বিশ্লেষণ অনুযায়ী, প্রথম ধাপে গ্রেড ৯ ও তার ওপরে অতিরিক্ত মূল বেতনের ৪০ শতাংশ এবং গ্রেড ১০–২০-এর ক্ষেত্রে ৫০ শতাংশ কার্যকর হবে; পরবর্তী ধাপে এই হার বাড়বে।

অর্থাৎ ১ জুলাই ২০২৬ থেকে কার্যকর মানেই প্রথম মাস থেকেই পুরো নতুন বেসিক হাতে পাওয়া নয়—এখানেই নতুন পে-স্কেল নিয়ে সবচেয়ে বেশি বিভ্রান্তির সুযোগ রয়েছে।


২০ গ্রেডই বহাল, সর্বনিম্ন বেসিক ২০ হাজার

নতুন জাতীয় বেতনস্কেলেও গ্রেড-১ থেকে গ্রেড-২০—মোট ২০টি গ্রেড রাখা হয়েছে। নতুন কাঠামোতে গ্রেড-২০-এর প্রারম্ভিক মূল বেতন ২০,০০০ টাকা এবং গ্রেড-১-এর নির্ধারিত মূল বেতন ১,৫৬,০০০ টাকা করা হয়েছে।

গেজেটের শুরুতেই জাতীয় বেতনস্কেল ২০২৬-এর সংশোধিত কাঠামো এবং পরবর্তী পৃষ্ঠাগুলোতে গ্রেডভিত্তিক বেতন স্কেলের বিস্তারিত তালিকা সংযুক্ত করা হয়েছে। গেজেটের ৪, ৫ ও ৬ নম্বর পৃষ্ঠায় বিভিন্ন গ্রেডের পুরোনো ও নতুন বেতনক্রমের বিস্তারিত টেবিল রয়েছে।

উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন

বিষয়নতুন কাঠামো
মোট গ্রেড২০টি
গ্রেড-২০ প্রারম্ভিক মূল বেতন২০,০০০ টাকা
গ্রেড-১ নির্ধারিত মূল বেতন১,৫৬,০০০ টাকা
কার্যকর তারিখ১ জুলাই ২০২৬
গেজেট১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
গেজেটের মূল আদেশচাকরি (বেতন ও ভাতাদি) আদেশ, ২০২৬

সর্বনিম্ন গ্রেডে বেতন বৃদ্ধির হার সর্বোচ্চ পর্যায়ের তুলনায় বেশি হওয়ায় নতুন কাঠামোতে গ্রেডভেদে বেতন বৃদ্ধির শতাংশও আলাদা হয়েছে। বিভিন্ন গ্রেডে মূল বেতন বৃদ্ধির হার ১০০ শতাংশ থেকে সর্বোচ্চ ১৪২ শতাংশ পর্যন্ত হয়েছে বলে প্রকাশিত প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।


গ্রেড-৯ কর্মকর্তাদের জন্য কেন বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ?

নতুন পে-স্কেলে গ্রেড-৯-এর মূল বেতন ২২,০০০ টাকা থেকে ৪৪,০০০ টাকায় উন্নীত হয়েছে। গ্রেড-৯ হলো সরকারি চাকরিতে প্রথম শ্রেণির গেজেটেড কর্মকর্তাদের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রবেশগ্রেড।

তবে এখানে একটি বিষয় বিশেষভাবে মনে রাখতে হবে—৪৪,০০০ টাকা নতুন স্কেলের মূল বেতন, এটি মোট মাসিক বেতন বা হাতে পাওয়া বেতন নয়। এর সঙ্গে প্রযোজ্য বাড়িভাড়া, চিকিৎসা, অন্যান্য ভাতা, কর্তন এবং করের হিসাব যুক্ত হবে। একই সঙ্গে পর্যায়ক্রমে নতুন বেতন কাঠামো বাস্তবায়নের কারণে নির্দিষ্ট সময়ে প্রাপ্য অর্থের হিসাব আলাদা হতে পারে।


বেতন ফিক্সেশন হবে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ধাপ

নতুন পে-স্কেল কার্যকর হওয়ার পর প্রত্যেক কর্মকর্তা-কর্মচারীর বর্তমান মূল বেতন, গ্রেড, ইনক্রিমেন্ট এবং সংশ্লিষ্ট বিধান বিবেচনায় নিয়ে নতুন বেতন নির্ধারণ বা Pay Fixation করতে হবে।

গেজেটের সংশ্লিষ্ট অংশে পুরোনো বেতনস্কেল থেকে নতুন বেতনস্কেলে বেতন নির্ধারণের নিয়ম, সংশ্লিষ্ট স্কেল এবং ইনক্রিমেন্টের বিষয় অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। গেজেটের পরবর্তী অংশে বেতন নির্ধারণের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিধানও রয়েছে।

এ কারণে শুধু নতুন পে-স্কেলের একটি গ্রেডের প্রারম্ভিক বেতন দেখে কোনো কর্মচারীর চূড়ান্ত নতুন বেসিক নির্ধারণ করা ঠিক হবে না। একজন কর্মচারীর বর্তমান বেসিক কত, তিনি কোন গ্রেডে আছেন এবং কতটি ইনক্রিমেন্ট পেয়েছেন—এসব তথ্যের ওপর ফিক্সেশন নির্ভর করবে।


বকেয়া বা এরিয়ার কীভাবে হিসাব হবে?

নতুন পে-স্কেলের কার্যকর তারিখ ১ জুলাই ২০২৬ হওয়ায় ১ জুলাই থেকে গেজেট প্রকাশ/বাস্তবায়নের মধ্যবর্তী সময়ের প্রাপ্যতার হিসাব অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ১ জুলাই থেকে গেজেট কার্যকর হওয়ার আগ পর্যন্ত যে বিশেষ সুবিধা দেওয়া হয়েছে, সেটি পরবর্তী বকেয়া হিসাবের সঙ্গে সমন্বয় করা হবে।

অর্থাৎ কর্মচারীদের ক্ষেত্রে শুধু ‘নতুন বেসিক − পুরোনো বেসিক’ হিসাব করলেই পুরো বকেয়া বের হবে না। বরং—

নতুন বেসিক → ধাপভিত্তিক প্রাপ্যতা → সংশ্লিষ্ট ভাতা → পূর্বে পাওয়া সুবিধা → কর্তন/সমন্বয় → প্রকৃত বকেয়া

—এই ধারায় হিসাব করতে হবে।


বিশেষ সুবিধা নিয়ে বড় পরিবর্তন

নতুন পে-স্কেলের সঙ্গে বর্তমানে চালু থাকা বিশেষ সুবিধা/স্পেশাল অ্যালাউন্স বাতিলের বিষয়টিও গুরুত্বপূর্ণ

প্রকাশিত প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, নতুন কাঠামোর সঙ্গে বিশেষ সুবিধা বাতিল হবে এবং ১ জুলাই থেকে গেজেট কার্যকর হওয়ার সময় পর্যন্ত পাওয়া বিশেষ সুবিধা বকেয়ার সঙ্গে সমন্বয় করা হবে।

ফলে অনেক কর্মচারীর ক্ষেত্রে নতুন বেসিক বাড়লেও মোট বেতন বৃদ্ধির হিসাব করতে গিয়ে বিশেষ সুবিধা বাতিলের প্রভাবও বিবেচনায় নিতে হবে।


বাড়িভাড়া ও অন্যান্য ভাতাও নতুন কাঠামোর অংশ

নতুন পে-স্কেল শুধু মূল বেতন পরিবর্তনের আদেশ নয়; এর সঙ্গে বাড়িভাড়া, বাংলা নববর্ষ ভাতা, শিক্ষা সহায়ক ভাতা, পেনশনসহ বিভিন্ন আর্থিক সুবিধার কাঠামোতেও পরিবর্তন আনা হয়েছে।

তাই নতুন বেতন কার্যকর হওয়ার পর একজন কর্মকর্তা-কর্মচারীর প্রকৃত মাসিক আয় জানতে হলে শুধু নতুন বেসিক জানা যথেষ্ট নয়।

বিশেষ করে বাড়িভাড়া ভাতা কোন হারে প্রযোজ্য হবে, কর্মস্থলের অবস্থান, মূল বেতনের সীমা, অন্যান্য ভাতা এবং প্রযোজ্য শর্ত—এসব একসঙ্গে বিবেচনা করতে হবে।


পেনশনভোগীদের ক্ষেত্রেও পরিবর্তন

নতুন কাঠামোতে অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা-কর্মচারী ও পারিবারিক পেনশনভোগীদের জন্যও আলাদা সুবিধার বিধান রাখা হয়েছে।

প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, পেনশনভোগীদের ক্ষেত্রে নতুন সুবিধা নির্ধারণে বর্তমান নিট পেনশনের পরিমাণকে ভিত্তি ধরে বিভিন্ন স্তরে নতুন সুবিধা নির্ধারণ করা হয়েছে। বিশেষ সুবিধা বাতিলের পাশাপাশি নতুন কাঠামো অনুযায়ী উৎসব ভাতা ও বকেয়া হিসাবের বিষয়ও এসেছে।

এ কারণে পেনশনভোগীদের জন্যও পুরোনো পেনশন, নতুন পেনশন এবং নতুন সুবিধার মধ্যে সরাসরি তুলনা না করে গেজেটের সংশ্লিষ্ট বিধান অনুসারে হিসাব করা প্রয়োজন।


কারা নতুন পে-স্কেলের আওতায়?

প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, নতুন বেতন কাঠামো সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের পাশাপাশি নির্দিষ্ট অন্যান্য সরকারি সেবার সদস্যদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য। এর মধ্যে বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস, বেসামরিক প্রতিরক্ষা কর্মচারী এবং নির্দিষ্ট বাহিনীর সদস্যদের বিষয়ও রয়েছে।

এ ছাড়া রাষ্ট্রায়ত্ত উৎপাদনশীল শিল্পপ্রতিষ্ঠানের নির্দিষ্ট শ্রমিক, শিক্ষানবিশ, প্রশিক্ষণার্থী এবং গেজেটের আওতাভুক্ত অন্যান্য কর্মীর জন্য পৃথক বিধান রয়েছে। গেজেটের শুরুতেই কোন কোন শ্রেণির কর্মী আদেশের আওতায় পড়বেন এবং কোন শ্রেণি বাদ থাকবে—সে বিষয়ে সংজ্ঞা ও শর্ত দেওয়া হয়েছে।


শুধু গেজেট প্রকাশ নয়, এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বাস্তবায়ন

নতুন পে-স্কেলের গেজেট প্রকাশের মধ্য দিয়ে মূল নীতিগত অনিশ্চয়তার অবসান হলেও বাস্তবে কর্মচারীদের জন্য এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে বেতন ফিক্সেশন, নতুন ভাতা নির্ধারণ, বকেয়া হিসাব এবং iBAS++-এ বাস্তবায়ন

অর্থাৎ গেজেট প্রকাশ হলো প্রথম ধাপ। এরপর প্রয়োজন হবে—

  1. সংশ্লিষ্ট দপ্তরের বাস্তবায়ন কার্যক্রম
  2. কর্মচারীভিত্তিক নতুন বেতন নির্ধারণ
  3. Pay Fixation সম্পন্ন করা
  4. iBAS++-এ নতুন বেতন প্রতিফলন
  5. নতুন ভাতা নির্ধারণ
  6. ১ জুলাই ২০২৬ থেকে প্রাপ্য বকেয়া হিসাব
  7. বিশেষ সুবিধা ও অন্যান্য অর্থ সমন্বয়
  8. পরবর্তী ধাপের বেতন বাস্তবায়ন

গেজেটের বিভিন্ন বিধানে বেতন নির্ধারণ ও সংশ্লিষ্ট প্রশাসনিক কার্যক্রমের ভিত্তি নির্ধারণ করা হয়েছে।


গেজেট প্রকাশের সবচেয়ে বড় তাৎপর্য

জাতীয় বেতনস্কেল ২০২৬ নিয়ে গত কয়েক মাস ধরে সবচেয়ে বড় প্রশ্ন ছিল—চূড়ান্ত কাঠামো কী হবে এবং কখন সরকারি গেজেট প্রকাশ হবে?

এখন সেই প্রশ্নের উত্তর আনুষ্ঠানিকভাবে পাওয়া গেছে। বাংলাদেশ সরকারি মুদ্রণালয়ের গেজেট আর্কাইভে ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে এস. আর. ও. নং ৩৪৭-আইন/২০২৬ হিসেবে ‘চাকরি (বেতন ও ভাতাদি) আদেশ, ২০২৬’ প্রকাশের তথ্য রয়েছে।

গেজেটের নিজস্ব কপিতেও বাংলাদেশ গেজেটের অতিরিক্ত সংখ্যা এবং ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখ স্পষ্টভাবে রয়েছে।


এখন সরকারি চাকরিজীবীদের করণীয়

নতুন পে-স্কেল নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া বিভিন্ন হিসাবের ওপর নির্ভর না করে চূড়ান্ত গেজেটের বিধান অনুসারে বেতন নির্ধারণ করা গুরুত্বপূর্ণ।

বিশেষ করে প্রত্যেক কর্মচারীর ক্ষেত্রে আলাদা করে দেখতে হবে—

বর্তমান বেসিক + ইনক্রিমেন্ট + গ্রেড + নতুন স্কেলের সংশ্লিষ্ট ধাপ + বাড়িভাড়া + চিকিৎসা/অন্যান্য ভাতা + কর্তন + বকেয়া = প্রকৃত প্রাপ্য

তাই একই গ্রেডের দুজন কর্মচারীর বর্তমান বেসিক ও ইনক্রিমেন্ট ভিন্ন হলে তাদের নতুন বেসিক বা বকেয়ার পরিমাণও এক নাও হতে পারে।

শেষ কথা

জাতীয় বেতনস্কেল ২০২৬ এখন আর শুধু প্রস্তাব বা আলোচনার বিষয় নয়; ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখের গেজেটের মাধ্যমে এটি আনুষ্ঠানিক সরকারি আদেশে পরিণত হয়েছে। নতুন কাঠামোর মূল বেতন ১ জুলাই ২০২৬ থেকে কার্যকর ধরা হলেও বাস্তব আর্থিক সুবিধা ধাপে ধাপে বাস্তবায়নের বিধান রয়েছে।

এখন সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিতে হবে সঠিক Pay Fixation, iBAS++-এ বেতন প্রতিফলন, ভাতা নির্ধারণ এবং ১ জুলাই থেকে প্রাপ্য বকেয়া হিসাবের ওপর। গেজেটের ১৯ পৃষ্ঠার পূর্ণ দলিলটিই এসব হিসাবের প্রধান ভিত্তি।

অফিশিয়াল গেজেট: বাংলাদেশ সরকারি মুদ্রণালয়ের গেজেট আর্কাইভে ‘চাকরি (বেতন ও ভাতাদি) আদেশ, ২০২৬’ তালিকাভুক্ত রয়েছে। সরকারি গেজেট—BG Press

এক নজরে মূল বেতন কাঠামো ও প্রজ্ঞাপন

সরকারি চাকুরি (বেতন ও ভাতিদি) আদেশ, ২০২৬

admin

আমি একজন সরকারী চাকরিজীবি। দীর্ঘ ১০ বছর যাবৎ চাকুরির সুবাদে সরকারি চাকরি বিধি বিধান নিয়ে পড়াশুনা করছি। বিএসআর ব্লগে সরকারি আদেশ, গেজেট, প্রজ্ঞাপন ও পরিপত্র পোস্ট করা হয়। এ ব্লগের কোন পোস্ট নিয়ে প্রশ্ন থাকলে বা ব্যাখ্যা জানতে পোস্টের নিচে কমেন্ট করুন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *