সরকারী কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা ১৯৮৫ । শাস্তিমূলক ব্যবস্থা হিসাবে বাধ্যতামূলক অবসর
সরকারী কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ১৯৮৫ এর শৃঙ্খলামূলক কারণে বিভাগীয় কার্যক্রম গ্রহণপূর্বক দন্ড হিসাবে যে বাধ্যতামূলক অবসর দেওয়া হয়, উহাকেই শাস্তিমূলক ব্যবস্থা হিসাবে বাধ্যতামূলক অবসর বলে। এরূপ শাস্তিমূলক অবসর সংক্রান্ত বিধানসমূহ নিম্নরূপ-
(১) বাধ্যতামূলক অবসর গুরুদন্ড হিসাবে গণ্য। অক্ষমতা, অসদচারণ, ডিজারসন, দূনীর্তিপরায়ণ ও নাশকতামূলক অপরাধের ক্ষেত্রে এই শাস্তিমূলক ব্যবস্থা হিসাবে কোন কর্মচারীকে বাধ্যতামূলক অবসর দিতে পারেন না।
- প্রথম ধাপেই বাস্তবায়িত হচ্ছে নতুন পে-স্কেলের পুরো বেতন অংশ: ঘোষণা আসছে আগামী বুধবারে
- উপসচিব ও তদুর্ধ্ব পর্যায়ের কর্মকর্তাদের এসিআর প্রেরণের নির্দেশ জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের
- ২০১০ বনাম ২০২৬ : বৈষম্যের বেড়াজালে উপজেলা ভূমি অফিসের অফিস সহকারীরা, কেন এই অবহেলা?
- সাধারণ মানুষ অঙ্কের হিসাব বোঝে না, চায় সস্তা পণ্য: সংসদে বাজেট আলোচনায় পে স্কেল?
- কর্মক্ষেত্রে মানসিক নির্যাতন : ছোট পদের নারী কর্মীর অসহায়ত্ব ও এক নারী বসের ক্ষমতার অপব্যবহার
(২) নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষের অধস্তন কোন কর্তৃপক্ষ শাস্তিমূলক ব্যবস্থা হিসাবে কোন কর্মচারীকে বাধ্যতামূলক অবসর দিতে পারেন না।
(৩) ১ম ও ২য় শ্রেণীর কর্মকর্তাদের বাধ্যতামূলক অবসর দন্ড আরোপের ক্ষেত্রে কর্মকমিশনের পরামর্শগ্রহণ বাধ্যতামূলক। তবে পরামর্শকরণ অনুচ্ছেদ- ৭ অনুসারে প্রতিরক্ষার সহিত সংশ্লিষ্ট পদে নিযুক্ত বেসামরিক কর্মকর্তা এবং এনএস আই এর কর্মকর্তাদের বাধ্যতামূলক অবসর দন্ড আরোপের ক্ষেত্রে কর্মকমিশনের পরামর্শ গ্রহণের প্রয়োজন হইবে না।



