সরকারী কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা ১৯৮৫ । শাস্তিমূলক ব্যবস্থা হিসাবে বাধ্যতামূলক অবসর
সরকারী কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ১৯৮৫ এর শৃঙ্খলামূলক কারণে বিভাগীয় কার্যক্রম গ্রহণপূর্বক দন্ড হিসাবে যে বাধ্যতামূলক অবসর দেওয়া হয়, উহাকেই শাস্তিমূলক ব্যবস্থা হিসাবে বাধ্যতামূলক অবসর বলে। এরূপ শাস্তিমূলক অবসর সংক্রান্ত বিধানসমূহ নিম্নরূপ-
(১) বাধ্যতামূলক অবসর গুরুদন্ড হিসাবে গণ্য। অক্ষমতা, অসদচারণ, ডিজারসন, দূনীর্তিপরায়ণ ও নাশকতামূলক অপরাধের ক্ষেত্রে এই শাস্তিমূলক ব্যবস্থা হিসাবে কোন কর্মচারীকে বাধ্যতামূলক অবসর দিতে পারেন না।
- নবম জাতীয় পে স্কেল বাস্তবায়ন ২০২৬ : আইএমএফের পরামর্শ উপেক্ষা করে এগোচ্ছে সরকার?
- জুডিশিয়াল সার্ভিস পে-কমিশনের প্রতিবেদন পর্যালোচনায় নতুন কমিটি, নবম পে-স্কেলের গেজেট নিয়ে বাড়ছে আলোচনা
- করমুক্ত আয়সীমা ৪ লাখ টাকা বহাল, নতুন করহার কার্যকর: ২০২৬-২৭ ও ২০২৭-২৮ অর্থবছরের জন্য প্রকাশিত তফসিল
- পে স্কেল ২০২৬ আপডেট আজকের খবর । প্রজ্ঞাপন দেরিতে হলেও জুলাই থেকেই কার্যকর, মিলবে বকেয়া বেতন?
- চাকরিকাল সংরক্ষণে শ্রান্তি বিনোদন ও টাইমস্কেল গণনা হবে আগের চাকরি থেকেই? সিজিএর চিঠি ঘিরে নতুন আলোচনা
(২) নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষের অধস্তন কোন কর্তৃপক্ষ শাস্তিমূলক ব্যবস্থা হিসাবে কোন কর্মচারীকে বাধ্যতামূলক অবসর দিতে পারেন না।
(৩) ১ম ও ২য় শ্রেণীর কর্মকর্তাদের বাধ্যতামূলক অবসর দন্ড আরোপের ক্ষেত্রে কর্মকমিশনের পরামর্শগ্রহণ বাধ্যতামূলক। তবে পরামর্শকরণ অনুচ্ছেদ- ৭ অনুসারে প্রতিরক্ষার সহিত সংশ্লিষ্ট পদে নিযুক্ত বেসামরিক কর্মকর্তা এবং এনএস আই এর কর্মকর্তাদের বাধ্যতামূলক অবসর দন্ড আরোপের ক্ষেত্রে কর্মকমিশনের পরামর্শ গ্রহণের প্রয়োজন হইবে না।



