বৈষম্য । দাবীর খতিয়ান । পুন:বিবেচনা

বৈষম্যমুক্ত বিচার বিভাগের দাবিতে রাজপথে বিচার বিভাগীয় কর্মচারীরা: দুই দফা দাবিতে আল্টিমেটাম

সারাদেশের অধস্তন আদালত ও ট্রাইব্যুনালগুলোতে কর্মরত প্রায় ২০ হাজার সহায়ক কর্মচারীদের দীর্ঘদিনের পুঞ্জীভূত ক্ষোভ ও দাবি আদায়ে রাজপথে নামার ঘোষণা দিয়েছে ‘বাংলাদেশ বিচার বিভাগীয় কর্মচারী এসোসিয়েশন’। বেতন বৈষম্য নিরসন এবং ব্লক পদ বিলুপ্ত করে স্বতন্ত্র নিয়োগবিধি প্রণয়নের দাবিতে সংগঠনের পক্ষ থেকে আজ এই বিক্ষোভ কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়।

কর্মসূচির প্রেক্ষাপট ও মূল দাবি

২০০৭ সালে নির্বাহী বিভাগ থেকে বিচার বিভাগ পৃথক হওয়ার পর বিচারকদের জন্য পৃথক বেতন স্কেল (বাংলাদেশ জুডিসিয়াল সার্ভিস) কার্যকর করা হলেও সহায়ক কর্মচারীরা এখনও জনপ্রশাসনের সাধারণ স্কেলে বেতন পাচ্ছেন। কর্মচারীদের অভিযোগ, একই দপ্তরে কাজ করেও তারা তীব্র বৈষম্যের শিকার। তাদের প্রধান দুটি দাবি হলো:

১. জুডিসিয়াল সার্ভিস পে-স্কেল ভুক্তিকরণ: অধস্তন আদালত ও ট্রাইব্যুনালের সহায়ক কর্মচারীদের বাংলাদেশ জুডিসিয়াল সার্ভিস বেতন স্কেলের আলোকে বেতন-ভাতা প্রদান করা।

২. নিয়োগবিধি সংস্কার ও পদোন্নতি: দীর্ঘ বছর একই পদে কাজ করার গ্লানি দূর করতে বিদ্যমান ব্লক পদগুলো বিলুপ্ত করা এবং সচিবালয়ের আদলে পদোন্নতির সুযোগ রেখে যুগোপযোগী স্বতন্ত্র নিয়োগবিধি প্রণয়ন করা।

ঘোষিত কর্মসূচি

এসোসিয়েশনের কেন্দ্রীয় কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আগামী ২৯ ও ৩০ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখ থেকে সারাদেশে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ পালন করা হবে।

  • জেলা ভিত্তিক কর্মসূচি: দেশের সকল জেলা জজ আদালত ও দায়রা জজ আদালতের সামনে কর্মচারীরা কালো ব্যাজ ধারণ করে বিক্ষোভ সমাবেশ করবেন।

  • স্মারকলিপি প্রদান: জেলা প্রশাসকদের মাধ্যমে প্রধান উপদেষ্টা, আইন উপদেষ্টা এবং প্রধান বিচারপতির নিকট পুনরায় দাবি সম্বলিত স্মারকলিপি প্রদান করা হবে।

  • বৃহত্তর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি: এসোসিয়েশনের নেতারা জানিয়েছেন, এই কর্মসূচির পর সরকার যদি দৃশ্যমান কোনো পদক্ষেপ না নেয়, তবে আগামী ফেব্রুয়ারি মাস থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য ‘কর্মবিরতি’‘আদালত বর্জন’-এর মতো কঠোর কর্মসূচি পালন করা হবে।

নেতৃবৃন্দের বক্তব্য

বাংলাদেশ বিচার বিভাগীয় কর্মচারী এসোসিয়েশনের সভাপতি মো. রেজোয়ান খন্দকার বলেন,

“বিচার বিভাগের কর্মচারীরা আজ অবহেলিত। সচিবালয়ে একজন অফিস সহায়ক পদোন্নতি পেয়ে উপ-সচিব পর্যন্ত হতে পারেন, কিন্তু আদালতে একজন কর্মচারী ৩৮-৪০ বছর একই পদে থেকে অবসরে যাচ্ছেন। নবম পে-কমিশনের সুপারিশে আমাদের দাবিগুলো যথাযথভাবে গুরুত্ব না পাওয়ায় আমরা রাস্তায় নামতে বাধ্য হয়েছি। এটি কোনো রাজনৈতিক আন্দোলন নয়, বরং আমাদের টিকে থাকার অধিকারের লড়াই।”

প্রভাব ও প্রতিক্রিয়া

বিচার বিভাগীয় সংস্কার কমিশন গঠন হওয়ার পর কর্মচারীরা আশার আলো দেখলেও সম্প্রতি পে-কমিশনের সুপারিশ এবং সরকারের অবস্থানে তারা আশাহত হয়েছেন। এই আন্দোলনের ফলে আদালতের স্বাভাবিক কার্যক্রমে স্থবিরতা আসার আশঙ্কা করা হচ্ছে, যা বিচারপ্রার্থী সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ বাড়িয়ে দিতে পারে।

সারাদেশের অধস্তন আদালত ও ট্রাইব্যুনালগুলোতে কর্মরত প্রায় ২০ হাজার সহায়ক কর্মচারীদের দীর্ঘদিনের পুঞ্জীভূত ক্ষোভ ও দাবি আদায়ে রাজপথে নামার ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ বিচার বিভাগীয় কর্মচারী এসোসিয়েশন বেতন বৈষম্য নিরসন এবং ব্লক পদ বিলুপ্ত করে স্বতন্ত্র নিয়োগবিধি প্রণয়নের দাবিতে সংগঠনের পক্ষ থেকে আজ এই বিক্ষোভ কর্মসূচি ঘোষণা করা হয় কর্মসূচির প্রেক্ষাপট ও মূল দাবি ২০০৭ সালে নির্বাহী বিভাগ থেকে বিচার বিভাগ পৃথক হওয়ার পর বিচারকদের জন্য পৃথক বেতন স্কেল বাংলাদেশ জুডিসিয়াল সার্ভিস কার্যকর করা হলেও সহায়ক কর্মচারীরা এখনও জনপ্রশাসনের সাধারণ স্কেলে বেতন পাচ্ছেন কর্মচারীদের অভিযোগ একই দপ্তরে কাজ করেও তারা তীব্র বৈষম্যের শিকার তাদের প্রধান দুটি দাবি হলো ১ জুডিসিয়াল সার্ভিস পে স্কেল ভুক্তিকরণ অধস্তন আদালত ও ট্রাইব্যুনালের সহায়ক কর্মচারীদের বাংলাদেশ জুডিসিয়াল সার্ভিস বেতন স্কেলের আলোকে বেতন ভাতা প্রদান করা ২ নিয়োগবিধি সংস্কার ও পদোন্নতি দীর্ঘ বছর একই পদে কাজ করার গ্লানি দূর করতে বিদ্যমান ব্লক পদগুলো বিলুপ্ত করা এবং সচিবালয়ের আদলে পদোন্নতির সুযোগ রেখে যুগোপযোগী স্বতন্ত্র নিয়োগবিধি প্রণয়ন করা ঘোষিত কর্মসূচি এসোসিয়েশনের কেন্দ্রীয় কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আগামী ২৯ ও ৩০ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখ থেকে সারাদেশে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ পালন করা হবে জেলা ভিত্তিক কর্মসূচি দেশের সকল জেলা জজ আদালত ও দায়রা জজ আদালতের সামনে কর্মচারীরা কালো ব্যাজ ধারণ করে বিক্ষোভ সমাবেশ করবেন স্মারকলিপি প্রদান জেলা প্রশাসকদের মাধ্যমে প্রধান উপদেষ্টা আইন উপদেষ্টা এবং প্রধান বিচারপতির নিকট পুনরায় দাবি সম্বলিত স্মারকলিপি প্রদান করা হবে বৃহত্তর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি এসোসিয়েশনের নেতারা জানিয়েছেন এই কর্মসূচির পর সরকার যদি দৃশ্যমান কোনো পদক্ষেপ না নেয় তবে আগামী ফেব্রুয়ারি মাস থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য কর্মবিরতি ও আদালত বর্জন এর মতো কঠোর কর্মসূচি পালন করা হবে নেতৃবৃন্দের বক্তব্য বাংলাদেশ বিচার বিভাগীয় কর্মচারী এসোসিয়েশনের সভাপতি মো রেজোয়ান খন্দকার বলেন বিচার বিভাগের কর্মচারীরা আজ অবহেলিত সচিবালয়ে একজন অফিস সহায়ক পদোন্নতি পেয়ে উপ সচিব পর্যন্ত হতে পারেন কিন্তু আদালতে একজন কর্মচারী ৩৮ ৪০ বছর একই পদে থেকে অবসরে যাচ্ছেন নবম পে কমিশনের সুপারিশে আমাদের দাবিগুলো যথাযথভাবে গুরুত্ব না পাওয়ায় আমরা রাস্তায় নামতে বাধ্য হয়েছি এটি কোনো রাজনৈতিক আন্দোলন নয় বরং আমাদের টিকে থাকার অধিকারের লড়াই প্রভাব ও প্রতিক্রিয়া বিচার বিভাগীয় সংস্কার কমিশন গঠন হওয়ার পর কর্মচারীরা আশার আলো দেখলেও সম্প্রতি পে কমিশনের সুপারিশ এবং সরকারের অবস্থানে তারা আশাহত হয়েছেন এই আন্দোলনের ফলে আদালতের স্বাভাবিক কার্যক্রমে স্থবিরতা আসার আশঙ্কা করা হচ্ছে যা বিচারপ্রার্থী সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ বাড়িয়ে দিতে পারে

author avatar
admin
আমি একজন সরকারী চাকরিজীবি। দীর্ঘ ১০ বছর যাবৎ চাকুরির সুবাদে সরকারি চাকরি বিধি বিধান নিয়ে পড়াশুনা করছি। বিএসআর ব্লগে সরকারি আদেশ, গেজেট, প্রজ্ঞাপন ও পরিপত্র পোস্ট করা হয়। এ ব্লগের কোন পোস্ট নিয়ে প্রশ্ন থাকলে বা ব্যাখ্যা জানতে পোস্টের নিচে কমেন্ট করুন।

admin

আমি একজন সরকারী চাকরিজীবি। দীর্ঘ ১০ বছর যাবৎ চাকুরির সুবাদে সরকারি চাকরি বিধি বিধান নিয়ে পড়াশুনা করছি। বিএসআর ব্লগে সরকারি আদেশ, গেজেট, প্রজ্ঞাপন ও পরিপত্র পোস্ট করা হয়। এ ব্লগের কোন পোস্ট নিয়ে প্রশ্ন থাকলে বা ব্যাখ্যা জানতে পোস্টের নিচে কমেন্ট করুন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *