১ জুলাই থেকে ৯ম পে-স্কেল কার্যকরের ঘোষণাকে স্বাগত, শতভাগ মূলবেতন এক ধাপে বাস্তবায়নের দাবিতে ১৯ জুন সংবাদ সম্মেলন
আগামী ১ জুলাই ২০২৬ থেকে ৯ম জাতীয় পে-স্কেল কার্যকরের সরকারি ঘোষণাকে স্বাগত জানিয়ে সরকারের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী কল্যাণ সমিতি। তবে একই সঙ্গে শতভাগ মূলবেতন এক ধাপে বাস্তবায়ন এবং দ্রুত প্রজ্ঞাপন জারির দাবিতে সংগঠনটি একটি আলোচনা সভা ও সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেছে।
সংগঠনের কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক কমিটির উদ্যোগে আগামী ১৯ জুন শুক্রবার বিকাল ৩টায় রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবের মাওলানা আক্রাম খাঁ হলে এই কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হবে। এতে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী, বিভিন্ন পেশাজীবী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ এবং গণমাধ্যম প্রতিনিধিদের অংশগ্রহণের আহ্বান জানানো হয়েছে।
সংগঠনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, দীর্ঘদিন ধরে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা নতুন পে-স্কেলের জন্য অপেক্ষা করে আসছিলেন। সরকার ১ জুলাই থেকে ৯ম জাতীয় পে-স্কেল কার্যকরের ঘোষণা দেওয়ায় কর্মচারীদের মধ্যে ইতিবাচক প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে। তবে প্রস্তাবিত বাস্তবায়ন পদ্ধতি নিয়ে এখনো বিভিন্ন মহলে আলোচনা চলছে। কর্মচারীদের একটি বড় অংশের দাবি, বেতন বৃদ্ধির সুবিধা ধাপে ধাপে নয়, বরং শতভাগ মূলবেতন বৃদ্ধি এককালীনভাবে কার্যকর করা হোক।
আয়োজকরা মনে করেন, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি, জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি এবং বর্তমান অর্থনৈতিক বাস্তবতায় সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আর্থিক সুরক্ষা নিশ্চিত করতে এক ধাপে পূর্ণাঙ্গ বেতন সমন্বয় প্রয়োজন। একই সঙ্গে নতুন পে-স্কেলের কাঠামো, বেতন নির্ধারণ পদ্ধতি, ভাতা ও অন্যান্য সুবিধা সম্পর্কে দ্রুত সরকারি প্রজ্ঞাপন জারি করার দাবিও জানানো হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে ৯ম পে-স্কেল বাস্তবায়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন দিক তুলে ধরা হবে বলে জানা গেছে। পাশাপাশি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ন্যায্য দাবি, বেতন কাঠামোর সংস্কার, পেনশন সুবিধা এবং ভবিষ্যৎ কর্মসূচি সম্পর্কেও সংগঠনের অবস্থান ব্যাখ্যা করা হবে।
বাংলাদেশ সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী কল্যাণ সমিতির কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক কমিটি সকল সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী, বিভিন্ন সংগঠনের প্রতিনিধি এবং গণমাধ্যমকর্মীদের নির্ধারিত সময়ে উপস্থিত থেকে কর্মসূচিকে সফল করার আহ্বান জানিয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, ৯ম জাতীয় পে-স্কেল বাস্তবায়নকে কেন্দ্র করে সরকারি চাকরিজীবীদের মধ্যে যে আগ্রহ ও প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে, এই আলোচনা ও সংবাদ সম্মেলন সেই প্রত্যাশা এবং দাবি-দাওয়ার বিষয়গুলোকে আরও সুসংগঠিতভাবে তুলে ধরার একটি গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করতে পারে।




