প্রধান দাবি ‘নবম পে-স্কেল’ ও বেতন বৃদ্ধি ২০২৫ । সরকারি কর্মচারীদের একাধিক সংগঠনের ৫ ডিসেম্বর (শুক্রবার) ‘মহা-সমাবেশ’-এর ডাক?
বাংলাদেশ সরকারি কর্মচারীদের কয়েকটি সংগঠন আগামী ৫ ডিসেম্বর, শুক্রবার (২০২৫ ইং) তারিখে ঢাকায় এক ‘মহা-সমাবেশ’-এর ডাক দিয়েছে। সমাবেশটি অনুষ্ঠিত হবে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার, ঢাকায়। বিভিন্ন সংগঠন এই সমাবেশে অংশগ্রহণের মাধ্যমে তাদের প্রধান দাবিগুলো দ্রুত বাস্তবায়নের আহ্বান জানিয়েছে।
🤝 আয়োজক ও নেতৃত্ব
এই সমাবেশের প্রধান আয়োজনে রয়েছে:
বাংলাদেশ সরকারি কর্মচারী দাবি আদায় ঐক্য পরিষদ। এই পরিষদের সদস্য সচিব হলেন মোঃ মাহমুদুল হাসান ।
অন্যান্য সমর্থক ও অংশগ্রহণকারী সংগঠনের মধ্যে রয়েছে:
বাংলাদেশ সরকারি গাড়িচালক সমিতি (কেন্দ্রীয় কমিটি, নারায়ণগঞ্জ জেলা কমিটি এবং প্রগতি শাখা) ।
সরকারি কর্মচারী কল্যান ফেডারেশন, যার মুখপাত্র আবদুল মালেক।
🎯 সমাবেশের প্রধান দাবি সমূহ
বিভিন্ন সংগঠনের পক্ষ থেকে উত্থাপিত মূল দাবিগুলো হলো:
| দাবির বিষয় | বিশদ বিবরণ | দাবি উত্থাপনকারী |
| নবম পে-স্কেল | * ১৫ ডিসেম্বরের মধ্যে পে-স্কেল এর গেজেট প্রকাশ । * অন্য একটি বিজ্ঞপ্তিতে নবম পে-স্কেলের গেজেট প্রকাশ-এর কথা বলা হয়েছে । | দাবি আদায় ঐক্য পরিষদ , সরকারি কর্মচারী কল্যান ফেডারেশন |
| বেতন কাঠামো | * ১:৪ অনুপাতে ১২টি গ্রেডে বেতন কাঠামো নির্ধারণ । * সর্বনিম্ন বেতন ৩৫০০০ টাকা নির্ধারণ। | দাবি আদায় ঐক্য পরিষদ, সরকারি কর্মচারী কল্যান ফেডারেশন । |
| অন্যান্য সুবিধা | * হেভি স্কেল সহ টাইমস্কেল ও সিলেকশন গ্রেড পূর্নবহাল । | বাংলাদেশ সরকারি গাড়িচালক সমিতি । |
| রাজনৈতিক অবস্থান | * ৯ম পে-স্কেল নিয়ে অর্থ উপদেষ্টার বক্তব্য প্রত্যাহার । | সরকারি কর্মচারী কল্যান ফেডারেশন । |
📢 মূল স্লোগান ও বার্তা
“সারা বাংলার কর্মচারী, এক হও – লড়াই করো।”
“পে-স্কেল নিয়ে তালবাহানা, চলবে না – চলবে না।”
“যোগ দিন ও সফল করুন” স্লোগান দিয়ে সারাদেশের কর্মচারীদের সমাবেশে যোগ দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে ।


কোন দাবী আদায়ে ন্যূনতম কত লোকের জমায়েত হতে হয়?
দাবি আদায়ের জন্য ন্যূনতম কত সংখ্যক লোকের জমায়েত হওয়া উচিত, সে বিষয়ে সুনির্দিষ্ট কোনো আইনি বা সরকারি নির্দেশনা নেই। তবে সাধারণত, দাবি আদায়ের আন্দোলনের সাফল্য নির্ভর করে জমায়েতের সংখ্যার চেয়েও বেশি কিছু বিষয়ের উপর:
সংগঠন ও ঐক্য: জমায়েত ছোট হলেও যদি এর মধ্যে দৃঢ় ঐক্য এবং শক্তিশালী সংগঠন থাকে, তবে সেই আন্দোলন কর্তৃপক্ষকে সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য করতে পারে। পোস্টারগুলোতেও কর্মচারীদের “এক হও – লড়াই করো” স্লোগান দেওয়া হয়েছে ।
প্রভাব: কর্মবিরতি বা অন্য কোনো কর্মসূচির মাধ্যমে জমায়েতটি জনজীবনে বা সরকারি কার্যক্রমে কতটা প্রভাব ফেলতে পারছে, সেটি গুরুত্বপূর্ণ।
মিডিয়ার মনোযোগ: গণমাধ্যম এবং সামাজিক মাধ্যমে সেই জমায়েত কতটা আলোচিত হচ্ছে।
যেহেতু আন্দোলনকারীরা এটিকে “মহা-সমাবেশ” হিসেবে ঘোষণা করেছেন এবং “সারা বাংলার কর্মচারী”-দের যোগদানের আহ্বান জানিয়েছেন , তাই তারা একটি বিশাল সংখ্যক লোকের উপস্থিতি আশা করছেন, যা তাদের দাবি, যেমন নবম পে-স্কেল এবং ৩৫০০০ টাকা সর্বনিম্ন বেতন আদায়ে সরকারের ওপর চাপ সৃষ্টি করতে পারে।


