নবম পে-স্কেলে ঐতিহাসিক সংযোজন: প্রথমবারের মতো চালু হলো ‘প্রতিবন্ধী সন্তান ভাতা’
সরকারি চাকরিজীবীদের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা ও সামাজিক কল্যাণ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে মন্ত্রিসভায় অনুমোদিত নবম জাতীয় পে-স্কেলে একটি যুগান্তকারী ও মানবিক উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। নতুন এই বেতন কাঠামোর আওতায় প্রথমবারের মতো সরকারি কর্মচারীদের বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন বা প্রতিবন্ধী সন্তানদের জন্য মাসিক বিশেষ ভাতা চালুর চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
ভাতার পরিমাণ ও নীতিমালা
মাসে ৩,০০০ টাকা: নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, কোনো সরকারি কর্মচারীর বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন বা প্রতিবন্ধী সন্তান থাকলে তাকে প্রতি মাসে ৩,০০০ (তিন হাজার) টাকা করে এই বিশেষ ভাতা প্রদান করা হবে।
কল্যাণমুখী পদক্ষেপ: এর আগে পূর্ববর্তী পে-স্কেলগুলোতে এ ধরনের কোনো সুনির্দিষ্ট ও প্রাতিষ্ঠানিক সুযোগ না থাকলেও, বর্তমান সরকারের এই পদক্ষেপে বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের লালন-পালন ও চিকিৎসায় পরিবারগুলো উল্লেখযোগ্য আর্থিক স্বস্তি পাবে।
পে-স্কেলের সামগ্রিক প্রেক্ষাপট
সোমবার (৩১ আগস্ট) সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সম্মেলনকক্ষে অনুষ্ঠিত বৈঠকে নবম পে-স্কেলের চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়। মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ ও বাজেটের ওপর চাপ কমাতে এই বেতন কাঠামোটি দুই অর্থবছরে মোট তিন ধাপে বাস্তবায়ন করা হবে। নতুন পে-স্কেলে সর্বনিম্ন ২০তম গ্রেডের মূল বেতন ২০ হাজার টাকা এবং গ্রেড-১ এর জন্য ১ লাখ ৫৬ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
মূল বেতন ও বেতন বৃদ্ধির পাশাপাশি এই প্রতিবন্ধী সন্তান ভাতা এবং মোবাইল ভাতার মতো যুগোপযোগী কল্যাণমূলক সংযোজনগুলো সরকারি চাকরিজীবীদের মাঝে ব্যাপক ইতিবাচক সাড়া ফেলেছে। আইন মন্ত্রণালয়ের ভেটিং প্রক্রিয়া শেষে দ্রুতই এর আনুষ্ঠানিক প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।



